https://www.verbling.com/find-teachers?price%5B%5D=5&price%5B%5D=80&sort=magic&language=bn

« January 2007 | Main | March 2007 »

শিমীন, জার্নাল

ছিমিন

তোমাদের জার্নাল পড়তে আমার ভালো লাগে। এটা ঠিক যে হয়তো তোমাদের জার্নাল লেখা বাকি ছিল না, কিন্তু আমি ব্লগে এটাই চেয়েছি যে তোমরা স্বতঃস্ফুর্তভাবে বা;লায় লেখ, হোম-ওয়ার্ক করার চাপে নয়। যেদিন তোমরা এটা করবে, সেদিন আমি বুঝব আমার স্বপ্ন সফল হল।


Charulata, quiz 1, Sayem's review

সায়েম

তোমার সঙ্গে আমি একমত। ভূপতি নিশ্চয়ই একটা ট্রাজিক চরিত্র। তার কষ্টও খুব ভালো করে সিনেমায় তুলে ধরা হয়েছে। কতবার এই সিনেমাটা দেখলাম, কখনো ভূপতির জন্য দুঃখ হয়, কখনো চারুর জন্য। এই নিয়ে আমি আর আমার এক বন্ধু কতবার কথা বলেছি। ভূপতি ভেতরে বাইরে যাদের ওপর বিশ্বাস রেখেছিল, তারা সবাই তাকে বঞ্চনা করেছে।  একজায়গায় ভূপতি বলছে " মানুষ তাহলে মিলেমিশে থাকবে কী করে ? মনে আছে, গাড়িতে ও চারুলতার তৈরি করা রুমালটা বার করে দেখে...

ভূপতির জন্যও দর্শকরা কষ্ট পাবে।

ভূপতি অনেক কিছু হারাল, এ কথা সত্যি। তার বাইরের একটা জীবন ছিল যা রাজনীতি ও খবরের কাগজে ঠাসা । কাগজ উঠে গেল, চারুও অমলের প্রতি অনুরক্ত হয়ে পড়ল। তবে একটা জিনিস দ্যাখো, ভূপতি ভায়ের সমর্থন পেয়েছে, অমল যে মুহূর্তে বুঝেছে যে চারুর ওর প্রতি টান আছে, সে মুহূর্তে ও বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে। অমল চারুলতার প্রেমকে স্বীকার তো করেই নি, তার কোনো মূল্য দেয় নি।চারুলতার প্রাণের সবটুকু জুড়ে ছিল অমলের প্রতি ওর ভালোবাসা, ও মনে করত ওর জীবনের যা কিছু ভালো তা ফুটে উঠেছিল অমলের জন্যই ।

তাই আমার মনে হয় নিশান্ত যে প্রেমের কথা বলেছে ওর রিভিউতে - যে প্রেম জীবনের প্রেরণা দেয়, সৃষ্টিশীল হতে সাহায্য করে, চারু সেই প্রেম হারিয়েছে।


জার্নাল #৪

যদিও আমি একটা কলা হতাম, তবুও আমি হলুদ পছন্দ করতাম না।

এই বাক্য টা আমার আজকের ক্লাশের পরে মনে হল। (আমরা মিডটার্মের জন্য গ্রাম্মার রিভিউ করছিলাম।)

আমার মনে অনেক চিন্তা-ভাবনা, কিন্তু লেখা শুরু করে দেখি যে কিছুই মনে আসছে না। খুব খিধা লেগেছে, আর মা যা রান্না করেছে, সেটা খেতে ইচ্ছা করছে না, (এটা একটা অষাভাবিক ব্যাপার, আমার মা খুব পাকা রাধুনি, আর সে যা বানায় তাই আমার ভাল লাগে)। কি জানি, কি বা হয়েছে। ছট ভাইয়ের কাছে যেয়ে বললাম, "আমাকে ভাল কিছ রান্না করে দে!"

ওযে সত্যি আমাকে ম্যকারনি বানিয়ে দেবে তা ভাবিনি। একটু খারাপই লাগছে--বেচারার হম-ওয়ার্ক থামিয়ে আমার জন্য খাবার বানিয়ে নিয়ে আসলো...

যা-হক, আমি এখন খাচ্ছি, আর খুধা চলে জাচ্ছে, আর চিন্তা-ভাবনা একটু একটু ফিরে আসছে। বিষয়গুল কনভাবে নিযেদের মদ্ধে সম্পরকিত নয়, সে জন্য নম্বর দিয়ে তালিকা বানাব।

১। আমার কালকে দুইটা মিড-টার্ম আছে। বাংলায়, এবং ওমেন-স্টাডিস-এ। ওমেন-স্টাডিস-এর জন্য অনেক আরটিকেল পড়তে হচ্ছে জেগুল আমার মাথায় রাগের আগুন জালাচ্ছে। এই দেশের হেলথ-কেয়ার সিস্টেম, রেসিস্ম, ইন্সেস্ট, হমফবিয়া...এগুল আমি বাংলায় বলতেই পারিনা, আর শিখতে চাই নাকি, জানিনা। সমাযের এত বিদ্ঘুটে অবস্থাযে হয় সেটা আমি জানি, কিন্তু বেশিক্ষন এ ব্যাপারে চিন্তা করলে খুব রাগ লেগে যায়। (কিম্বা মন মলিন হয়ে যায়, কিন্তু আমি কাদাকাটি করার থেকে রাগই উপকারী মনে করি--রাগের তেজ থেকে কর্মশক্তি পাওয়া যায়।)

২। কাল হল একুশে-ফেব্রুয়ারি। গত সনিবারে একটা অনুসঠান হয়েছিল; এই এলাকার অনেক বাংলাদেশিরা এশেছিল। গান-বাজনা, কবিতা আব্রিতি, একটা নাচও হয়েছিল। ভালই হয়েছিল--জদিও দর্সকগুল বেশি দুরন্তপান ছিল, শিশুর মত, তবুও জিনিসটা যে হল, সেটা একটা বিরাট ব্যাপার।

৩। আমার বেশ কএকটা চিঠি শেষ করা দরকার। তার মদ্ধে দুইটা হল চাটমহরের দুইটা মেয়ের জন্য। সেই মেয়েদেরকে আমার আব্বু  স্পন্সার করেছে ইউনিভআর্সিটিতে যাওয়ার টাকা দিয়ে। আমি মনে করলাম অদেরকে চিঠি লিখি, দেখি কিরকম লাগে, এখানথেকে ওখানের তফাতের কথা সুনে। আব্বুও বলল যে এটা ভাল কাজ হবে। কিন্তু এখন বুঝছিনা কি লিখব। ওরা আমার থেকে অনেক বেশি মেধাবি ছাত্রি, আর আমি ওদের থেকে অনেক ভাগ্যবান মেয়ে। জানিনা...  দেখা যাবে।

৪। কন চার নেই! ...কারন ফাতিমা আমাকে IM-করে বলল কন জার্নাল লেখার দরকার নেই, আর আমার আর কি লিগব মনেও আশ্ছে না, আর! আমি যখনই এখানে লেখা শুরু করি, তখনই শব বুদ্ধিমান জিনিস মাথা থেকে বেরিয়ে যায়, আর যা-তা লিখে ফেলি।  : \

যাই, অনেক পড়া বাকি আছে।

ছিমীন


Chaurlata and Bhumika

ছিমিনের ফিল্ম রেভ্যু পড়ার পরে, আমি ভবতে লাগলাম, ভারতে প্রেমের নিয়ম কিরকম?  প্রেমে নারি কিরকম হয়া উচিত?  এভাবে আমি দুটো ছবি, রায়ের চারুলাতা আর বেনেগালের ভুমিকা উপরে একটু আলচনা করতে চাই।

চারুলাতাতে একজন বিবাহিত নারি আছে যে বিশোন শৃস্টিশিল কিন্তু পুরো বাড়িতে কিছু করেনি।  যখন তার দেওর আসে, কিন্তু, তখন সে লিখতে লাগল।  সে কেন লিখতে লাগল? আমার মনে হয় যে প্রেমের কারণে। কিন্তু সাধারন বিবাহিত প্রেম নেই, সে নিষিধ প্রেম (যা ভাভি আর দেওরের মধ্যে থাকে)।  সেরকম প্রেমের থেকে চারু প্রেরণা পেল।  যক্ষন তার দেওর (আলক, যে নিজে রাব্রিন্দনাথের পাত্র) বাড়ি ছেডে গেল, তক্ষন চারুর দুনিয়া ভেঙে গেল।  শসে চারুর পতির, যার স্নভব  ভালো, মনে পড়ল যে পত্নি আর ভাইয়ের মধ্যে নিষিধ প্রেম চলত।  চবি উত্তর দেয়নি যে প্রেমের ছাড়া চারু রচনা করতে থাকে।

শ্যম বেনেগালের ফিল্ম ভুমিকা নিষিধ প্রেমের বিস্তার করা হয়।  উশা মাহরাশটরার ছটো গ্রামের মেয়ে ছিল যখন তার বাবা মারা  গেল।  ভাতের জন্য সে মুম্বইটার সিনেমাতে কাজ করতে লাগল।  সে নায়েকা হয়ে গেল।  মুম্বইতে উশা নিজে কমাল, নিজে কাজ কল, আর সেহেতু আজাদি শিখল।  ও আজাদির জন্য সে তার মা শব্দ না শুনে তার পড়শিকে বিয়ে করল। বিয়ে করে উশার মনে হল যে ফিম এখন করতে হবে না কিন্তু তার পতি, টাকার জন্য, ফিল্ম তার কাছে ফিল্ম করায়েল।  যদিও পতিও ফিল্ম করায় সাথে সাথে সে উশাকে অভিযুক্ত করে।  তার দ্বিতিয়া বাচ্চা হল, তখুন স্বামি আবোরশন করায়েল।  তারপরে স্বামিকে অপমান করার জন্য অন্য পুরুষের কাছে থাকতে গেল।   কিন্তু ও পুরুষ  তাকে  বায়রে  যেতে দেয়নি।  শেসে ফিরে আসে তাকে তার মেয়ে আর জামাই বল যে তাদের সাথে থাকে।  কিন্তা না বলে, মনে পডল -- স্বতান্ত্রিক নারির একমাত্র তার এককাত্বি আছে।

ছেমিন বুইটা- ওফ লভ এন্ড ত্রব্ল ব্যপারে লিখেছিল।  আমি বল যে ভারতে ,  আজাদ  নারির  জন্য  প্রেম  (সাধারন  প্রেম নেয় কিন্তু যে প্রেম থেকে জিবনের প্রেরণা পেতে পারবে) একটা মুস্কেলি।  এটা নিষিধ। যদি সমাজের মধ্যে থাকতে চায়, তবু সমাজের অভিযোগ আর এককাত্বি সহ্য করার দরকার।

সন্ত মিরাবাই নগ্ন হয়ে জয়পুরের রাস্তার মধ্যে ধোড় করেছিলেন।  সে সময়ে সবাই ওকে পাগল বলেছিল।  তার পতি আর পরিবার তাঁকে অনেক বার মারার চেষ্ট করেছিল।
এখন হিন্দুরা সন্ত বলে তার মনে করে।  কি আবস্থা!      


Film Review: Charulata (1964), quiz 1

চারুলাতা আমার ভাল লাগলো। এই সিনেমা নাইনটিনসিক্সটিফরে বের হলো সত্যজিত রায়ের থেকে। নায়কার নাম মাধাবি মুকারঝি আর সে চারুকে অভিনয় করে। চারু একটা ধনি স্ত্রী কলকাতাইয়ের আর তার খুব একাকিত লাগে কারন ওর সামী, ভুপাটি, সবসমায় কাজ নিয়ে ব্যাস্ত থাকে। সাইলেন মুকারঝি ভুপাটি অভিনয় করে। আমার প্রতম থেখে আগ্রোহ ছিলো চারুলাতা দেখার যন্য কারণ রাবীন্দ্রানাথ টাকুর এই গল্পটা লেখেছে, নাম নাস্তানিড়। গল্পটা আমার ভাল লাগলো এবং এই গল্প বধহাই একটু বিতর্কমুলক চিলো কারণ চারু এই গল্পতে অন্য লোকের সঙ্গে প্রেম করে আর এটা খুব সাংঘাতিক ব্যাপার চিলো ওই সময়তে। চারুলাতার মত চিনেমা ঠিক সময়তে বের হলো কারণ ফেমেনিস্ট রেভোলুসন শুরু হছিলো সমস্ত দেশে প্রিথিবীতে নাইনটিনসিক্সটিয়ে।

গল্পর মধ্য আমার সবচে দুখো লাগলো ভুপাটির জন্য কারণ সে এতো খাটণি করেও  কোন আনান্দ পাইনা গল্পর শেষে। সত্যজিত রায় নিশ্চয়ই চারুকে আরো দুখিতা দেখাতে ছেলো কিন্তু আমার তবুও মনে হই যে ভুপাটি আরো ভোগ করলো। ভুপাটি খুব সাধুতার লোক আর অনেক কাজ করে, তবুও ওর সারা জীবনের মুল্য চোলে যাই। অবোসই অনেকরা মনে করবে যে আমি এটা বলছি কারণ আমি একটা ছেলে আর এই কারণের জন্য আমি চারুর অবস্তা আরো বিবেচন করি না।  আমি মনে করি চারুও খুব কস্টো করলো আর খুব মন খারাপ লাগলো কারন সে একা একা করে সারাদিন বারিতে থাকে, কিন্তু আমার মনে হই যে ভুপাটি তাই আরো কস্টো করলো কারণ তার সবকিচু চোলে গেলো আর চারুর মাত্র প্রেম চলে গেলো।


Quiz 1: I need a doctor

ছেলে - আমার এখন আমাদের গাড়ির দরকার।

বাবা - কেন?

ছেলে - আমাকে হাস্পাতালে যেতে হবে।

বাবা - কেন?

ছেলে - আমি বাঘের মাংস খেয়েছি। আমার সেটা করা উচিত ছিল না।

বাবা - কেন?

ছেলে - আমার বগল থেকে রক্ত বের হচ্চে।

বাবা - তাহলে তোমার স্নান করা উচিত।

ছেলে - নিশ্চয়ই।  তবে এখন আমার ডাক্তারের দরকার।

বাবা - না।  বাড়িতে থাকো।  তোমার দুটো গোটা লবঙ্গ খাওয়া উচিত।

ছেলে - আমার শরীর খুব খারাপ। 

বাবা - লবঙ্গ খেয়ে, এক ঘন্টা পরে শুও

ছেলে - আমার মনে হয় যে আমি প্রায় মরে যাচ্চি।

বাবা - ঠিক আছে।  গাড়ি নাও।


Quiz 1: চারুলতা film review

চারুলতা দেখলাম গত রবিবারে

 

একটু ভয় ছিল, মনে করছিলাম যদি পছন্দ না করি? মন্দিরাদিদির প্রিও ফিল্মকিন্তু ছবিটা বেশ ভালই লাগলো

আমাকে যদি কেউ আগে বলত নাড়ির অধিকারের ওপরে, তালে আমি আর আগ্রহিত হতামযাকদেখা হল, পছন্দও করলাম, এখন বলি কেন

সিনেমাটা হল একটা মহিলার বিশয়ে১৮০০ শাল (আর বাংলাদেশি রেনাসন্সের) শেশের দিকে, যখন মেয়দের বারিতে বাধা অবস্থা প্রথম চোখের অপরে আশ্ছে, সে শময়ের গল্পরবি ঠাকুরের নস্টনীর-এর থেকে তৈরি করা হয়েছেসেই গল্পটা হয়ত আমি ছট বেলায় পড়েছি, কিম্বা বাবার সাথে সিনেমা দেখেছিভাল করে মনে নেই, কিন্তু যখন দেখলাম, তখন চেনা-চেনা ভাব পেলাম 

চারুলতা হল একটি অল্প বয়েশি মহিলা, যার পরালেখাতে, গ্যান অর্জনের, খুব আগ্রহ আছেএই সময়ের সব জত সাহিত্ত, কবিতা, গল্প, গান হচ্ছে, সেগুলর মাঝখানে চারুলতা ভিশন খুব থাকতে চায়তার শামি সেইরকম করে আছে, কিন্তু তিনি চারুকে বঝেন না, আর চারু একটা মেয়ে মানুস শেজন্য হয়ত সে চিন্তাও করেনা চারু এশব পছন্দ করতে পারে

চারুলতা তালে হল একটা আশামিনিজের বাড়ির মদ্ধে আটকে থাকে, সংস্ক্রিতির এত পিপাসায়, এত কাছেতার শামি যে চেস্টা করেনা, তা নয়তিনি তার ছট ভাইকে বলেন চারুর শাথে কথা বলতে, তার শাথে মিশতে, কিন্তু অমল (সেই ভাইটা) চারুর সমবয়েশি, আর এরকম বদ্ধ অবস্থায়, অবস্যই প্রেমে পরে যায় চারুর শাথে

চারু আর অমল যখন দুজনই একটা কাগজের জন্য লেখার প্রতিজগিতা করল, অমল তখন চারুর লেখার মেধা হয়ত একটু বুঝতে পারলসেটা দেখে আমার একটা বইএর (আমি হাই স্কুলে পড়েছিলাম) কথা মনে পরলবইটা হল ইন লভ আন্ড ট্রাবল, লেখক আলিস ওয়াকারসেই বইএর মদ্ধেও ছিল এরকমই একটা চিত্র, যেখানে একটা লক একটা মেয়ের মেধাতে ভয় পায়, জদিও সে বলে যে সে আধুনিক এবং সেই মেয়েটাকে সে ভালবাশে 

ঠিক আছে, আর কিছু বলার নেইসিনেমাটা খুব অদ্ভুত শুন্দর করে বানান হয়েছেকম করে কথা আর বেশি করে শোনার জন্য


আজকে মহাশিবরাত্রি

আজকে হিন্দু ক্যেল্যেন্ডর অনুসারে মাঘ ১৪।  আজকে ভারতের পশ্চিম আর উত্তর প্রদেশে মহাশিবরাত্রি উতশব করা হয়।

আজকে সব ভারতের গ্রামের লোকগুলো পুরো রাত জাগতেই থাকে।  সবাই ভাং খেয়ে নাচ-গান করে।  ভাং একটা সুরা যে দুধ আর গাঞ্জা থেকে বনা যায়।  ভাং থেকে খুব নেশা হয়ে যায়।  নেশা হয়ার পরে সবাই নাচ-গান করে।

আজকে প্রত্যক শিব ভগাবানের মন্দিরে বিনা টাকা পাওয়া যায়।  শিব ভগবান হিন্দু ধর্মের  একটা মুখ্যা  দেব।  সে  বারবার শৃস্টি নষ্ট করে।  কিন্তু শিব  ভগবান  ও  নাচের  দেব।  আজকে  হিমলায় থেকে  ভুতে এসে  নটরাজের  রুপে নাচ করে।  সেকারণে সবাই পুরো রাতে নেশা করে নাচ করে।

শিব হিন্দু ধর্মের দেব কিন্তু  সব ধর্মের লোকগুলা  ভাং খেয়ে নাচ করে।  আজকে সবাইকে নেশা করে মজা করতে হবে! কেন নয়?  ভগবান করছে।


Funny and interesting things in Celeste's blog !!

সেলেস্ট, এটা কি তোমার ওয়েব পেজ না ব্লগ ?

Hey all, check it out. There is a video " Curry and rice girl !!" in Celeste's blog. It is so funny. I like it.

It is the same topic we did in our second year class this week. MATRIMONIAL COLUMN in bengali newspaper :)

http://tinuvieldancing.stumbleupon.com/tag/video/


Journal #3

আমি আগামী শুক্রুবার টরন্টতে যাচ্ছি। আনেক মজা হবে। আমার ছোট বেলার বন্ধুরা ও খানে থাকে। আমি ওদেরকে অনেক দিন পর দেকবো। ওখানে আমার বন্ধু, আরমানের বাড়িতে থাকবো। মজার মজার বাণ্ডালি খবার খেতে পারবো। বন্ধুদের সাথে তরন্ত শহরটা ঘুরব। শুনেছি শহরটা খুব শুন্দর।


আমার প্রথম বাংলা পোস্ট

এটা আমার প্রথম বাংলা পোস্ট!

একটা গান

আমার সোনার  ব্লোগটা
আমি তোমায় ভালোবাসি
চিরাদিন তোমার AUDIO-VIDEO
তোমার JOURNAL ENTRY ও
আমার প্রাণে বাঁজায় বাঁশি
ও মা ফাগুনে তোর  সুন্দর স্ক্রিনে
ঘ্রারনে পাগল করে
ওঘ্রানে তোর বিশাল এন্ট্রিতে
আমি কি দেখছি মধুর হাশি

ও মা, আমার সোনার বাংলা ব্লোগটা

--নিশান্তনাথ ঠাকুর


Journal#2

আজকে অনেক বরফ পরেছে। হাওয়াটাও খুব খারাপ ছিল। হাওয়াটা যখন আমার মুখে লাগছিল মনে হছিল যে আমার নাক মুক সব কেটে পরে যাবে। আমি আমার গ্লভেস হারায় ফেলেছি। খুব তারাতারি একটা কিনতে হবে। এত ঠান্দায় গ্লাভেস ছাড়া খুব কস্টো।
এখন বাংলাদেশে কি সুন্দর আভোয়া। গাছে সবুয পাতা, বিভিন্ন রকমের ফুল ও ফল। আমার খুব ইচ্ছা করছে বাংলাদেশে যেতে। এই ঠান্দায় আর থাকতে ইচ্ছা করছে না। যাই, বাড়িতে একটা ফোন দেই।


Journal #1

আমার পরতে আর ভালো লাগে না। আতো কাজ। আমার বাংলা ক্লাস সবার সাথা করতা ইছা করে। আন্ন ক্লাসসেয়(i cannot remove this stupid “স”)এত মজা হই না জত বাংলা ক্লাস হত। আমি আখন স্প্রিং ব্রেয়াকের অপাখায় অছি। আমি জানিনা কোই যাব – টরন্টতে যাবার ইছা। এখন আমি যাই।ঘুম আসছে।