https://www.verbling.com/find-teachers?price%5B%5D=5&price%5B%5D=80&sort=magic&language=bn

« May 2007 | Main | July 2007 »

SASLI 2nd Year - Brian Heilman Journal 1 - নতুন কবিতা

অামার বাঙালী বন্ধু সবসময় অামাকে বলে যে অামার পূর্বজন্ম কলকাতায় ছিল, অার যে অামার বাঙালী অাত্মা অাছে। তারা ঠাট্টা করছে, অামি জানি, কিন্ত এটা কিছুটা সতি‍্য। যখন অামি কলকাতায়, তখন অামার খুব প্রাণবন্ত লাগে। ওখানে, অামার মন প্রতিদিন বেশ ভাল থাকে, অার ওখানে, অামার অাত্মা শান্তি পায়।

যখন অনেক গাড়ি-সাইকেল-বাস-রিকশা তড়াতড়ি অাসে, তখন সব লোকের জীবন্ত লাগা দরকার! তবু অামার মনে হয় যে অামার অনুভূতি বিশেষ অালাদা।

অামার কবিতা অার সাহিত‍্য খুব ভাল লাগে, অার অনেক বাঙালীদেরও এ জিনিসগুলো খুব ভাল লাগে। অামাদের লেখা দরকার। যদি অামরা লিখি না, তাহলে অামাদের অাত্মার কষ্ট হবে। অামার বন্ধু মধু (তার নাম) অামাকে বলল যে বাঙালীদের বিষয়ে ভারতের লোক সর্বত্র ঠাট্টা করে। এই ঠাট্টাটা যে সব বাঙালী ভাবে যে তারা কবি। এ সতি‍্য?

অামি ভাবি যে অামি কবি । খুবই খারাপ কবি, তবু কবি। অার অামার বাঙালী অাত্মা অামাকে বলছে যে অামার বাংলায় কবিতা লেখা উচিত। কলকাতা অার ভারতের বিষয়ে ইংরেজী কবিতা লিখেছিলাম, কিন্ত বাংলা কবিতা লিখি নি।

বাংলা ক্লাসের প্রথম সপ্তাহে, অামি অামার প্রথম বাংলা কবিতার বিষয় পেয়েছি। অামার ধারণা দুটো রঙের বিষয়ে: লাল অার সোনালি। ‘উৎসব’ সিনেমাতে, দুর্গা পূজার সময়, অাখ‍্যায়ক মহিলার শাড়ির বিষয়ে বলে। সে বলে যে পূজার সময়, শাড়িগুলো সবসময় সাদা রঙের, লাল রঙের পাড়ের সঙ্গে। অার মহিলার সিঁদুরও লাল রাঙের। অার অামি জানি যে ঠাকুরের মুখ স্বর্ণ সোনা রঙের, অার মহিলার গয়নাও স্বর্ণ রঙিন। তাই, শরৎকালের বড় উৎসব খুবই সুন্দর, লাল অার সোনায়।

উইস্কনসিনে শরৎকালও লাল অার সোনালি। কিন্তু এখানে, অামাদের সাড়ি, সিন্দুর, ঠাকুর বা রত্নমণি নেই। অামাদের শরৎকালে, গাছের পাতা খুব সুন্দর লাল অার সোনালিতে বদলে যায়।

এ শরৎকালটাতে, অামি ভারতে থাকব। ও সময়ে, অামি লাল অার সোনালি রঙ দেখব, কিন্তু অামার প্রিয় উইস্কনসিনের গাছের না। অামি বাঙালী লাল অার স্বর্ণ দেখব, অার তারপর এ রঙগুলোর বিষয়ে অামার প্রথম বাংলা কবিতা লিখব। কি ভাব? ভাল কবিতা হবে? ঠাকুর অার ভূমি, জীবন অার মৃতু‍্য, মহিলা অার সৌন্দর্য: অনেক ভাল প্রতীক অাছে। অার দুটো জায়গা যা অামি ভালবাসি।

ভাবি যে যখন অামি বাংলায় কবিতা লিখব, তখন অামার অানন্দ হবে। (অামি এটাও ভাবি যে যখন অামার বন্ধু অামার বাংলা কবিতা পড়বে, তখন তার মজা লাগবে, কারণ অামার ভাষা খুবই খারাপ হবে!)।

এখানে শেষ করব । অামাদের ক্লাস অামার খুব ভাল লাগছে । অামার অপর্ণা সেন অার কবিদের সম্বন্ধে এক মজার গল্প অাছে - যদি তোমরা চাও, তাহলে অামি ক্লাসে বলবো । কিম্বা বোধ হয় যে এ গল্প অামার দ্বিতীয় জর্ানালে লিখব! শান্তি ।


second Year SASLI, journal 1: Tanjina

অনেকক্ষণ ধরে ভাবছি যে জার্নাল টা কি নিয়ে লেখা যায়। কিছুই মনে আসছে না। এটা আমাদের সেকেন্ড ইয়ার বাংলা ক্লাসে প্রথম সপ্তাহের প্রথম জার্নাল।  এই গ্রীষ্মকালের ছুটিতে মা-বাবার কাছ থেকে অনেক দূরে ম্যাডিসন নামের এই ছোট্ট শহরটিতে লে এসেছি। প্রথম দিন এসে খুব খারাপ লেগেছিল। যদি ও এটা আমার প্রথমবার না, এবার থাকছি একটু অন্যরকম ভাবে। গত বছর ডর্মে ছিলাম, এবার থাকছি একটা অ্যাপার্টমেন্টে দুইজন বন্ধুর সাথে। একটু অন্যরকম অভিজ্ঞতা।

অ্যাপার্টমেন্টে থাকার অভিজ্ঞতা ডর্ম থেকে অনেক আলাদা। ডর্মে নিজের ইচ্ছে মত ইলেকট্রিসিটি, পানি সবকিছু ব্যবহার করেছি। কিন্তু এখন অনেক সতর্ক হয়ে চলতে হয়। সবকিছু হিসেব করে চলছি। ডর্মের মত সারাক্ষণ ইলেকট্রিসিটি ব্যবহার করি না। ডর্মে যে কোন সময় ক্যাফেটেরিয়া থেকে খাবার কিনে খেয়েছি। কিন্তু এখন আমার বন্ধুরা এবং আমি নিজে রান্না করে খাই। প্রতিদিন রান্না করি না, পড়া লেখার মাঝে মাঝে যে সময় পাই তখন রান্না করি।

আমার বন্ধুরা কেনা-কাটা করতে খুব ভালবাসে। ওদের সাথে আমি ও একদিন বিকেল বেলা গিয়েছিলাম। যদি ও আমি কিছু কিনতে চাই নি, ওদের চাপায় পড়ে আমি ও অনেক কিছু কিনে ফেললাম। আমি আগে শপিং করতে এত বেশী পছন্দ করতাম না, কিন্তু এখন দোকানে গেলে সবকিছুই ভালো লাগে।

আর কি যে লেখা যায়...মনে পড়ছে না। আমার বাংলা ক্লাসটা আমার ভালো লাগে। ওখানে আমি প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছি। যদি ও আমি ভেবেছিলাম, বাংলা ক্লাসের সবচেয়ে মজার বাড়ীর কাজ হবে বাংলা ছবি দেখা। কিন্তু আমার মনে হয়, এটা সবচেয়ে কঠিন বাড়ীর কাজ। অনেকক্ষন লেগেছে এই সপ্তাহের ছবি উৎসব এর পুরো কাহিনী বুঝতে। যদি ও ছবিটা আমার প্রিয় বাঙালী নায়ক, প্রসেনজীতের। ছবিটার সম্পূর্ণ কাহিনী বুঝতে অনেক অসুবিধে হয়েছে প্রথমদিকে।

বাংলা ছবি ছাড়াও আমি একটা কোরিয়ান ছবি দেখেছি। ছবিটার নাম ছিলো সেড মুভিসেই ছবিটাও জটিল কাহিনীর, অনেক দুঃখের ছিলো। হিন্দী ও বাংলা মুভি থেকে এই ছবিটা একটু আলাদা ছিলো।  ছবি দেখার পাশাপাশি আমার বোনের সাথে ও কাকার সাথে কথা হয়েছে ফোনে।

শনিবার সকালের দিকে বাজারে গিয়েছলাম। কিন্তু কিছুই কিনি নি বাজার থেকে। বিকেলের দিকে মন্দিরা দিদি ও ব্রায়ানের সাথে আলাপ করেছিলাম। তারপর বাসায় এসে কিছুক্ষন রান্না করে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।

  আমি জানি এবারের জার্নালটা খুব খারাপ হয়েছে। আমি আশা করছি যে, আগামীতে আরো ভালো করে লিখবো।


স্কট জেঙ্কিন্স - প্রথে জাবেদা, SASLI 2007

শিখাগো, ২২ জুনে ২০০৭

প্রিয় মাসি আর মেশো,

আমরা সুনলাম যে তোমারা মহেশপুরেতে ফিরে গিয়েছো। এত দিনের পরে তোমাদের ওখানে কেমন লাগছে? তোমাদের কোনো অসুবিধে হচ্ছো?

আমরা তোমাদের সবসময় মনে করি। যখন তোমরা আমাদের বাড়ি এসেছিলে তখন আমাদের খুবই ভালো লেগেছে। আমার মনে আছে তখন মাসি বলতো, স্কওওট আর আমি বলতাম মাশিইইই। আমাদের একসঙ্গে রান্না করার সময়টা খুব ভালো লাগতো। আমারও মনে আছে তখন মেসোর সঙ্গে অনেক বিষয় নিয়ে কাথা বললাম।

নতুন বাগান খুব সুন্দর হয়েছে। তোমারদের খুব ভালো লাগতো। এখন তোমরা যদি আবার মেরিকাতে ফিরে এসো তাহলে দেখতে খুব ভালো লাগবে।

তা ছাড়া কেমন আছো? বোধ হয় মেসো এখন অনেক বই পড়ছে আর মাসি তার বন্ধুদের সঙ্গে আনেক আড্ডা মারছে। টাই না?

গত সনি-রবিবারতে আমি সোমার সঙ্গে ম্যাডিসনতে ফিরে আসলআম। তারপর আমরা আমার ঘরে গেয়ে আমার জিনিস ফেলে দোকানে তরকারি কিনে ঘরে ফিরে এলাম। তারপর মানু আর তার বন্ধু নিক্ষলের একসঙ্গে খাবার খেয়ে একটু হেঁতে মানু আর নিক্ষলকে তার বাড়িতে পৌঁছিলাম। তারপর আমরা ঘরতে ফিরে এসে একটু গল্প করলাম। তারপর রাত্রে সোমা বাড়িতে ফিরে গেল।

যে শিক্ষিকা গতবছর আমাকে শিখাতো সে আবার শিখাছে। আমার ক্লাস তিনের ছাত্র-ছাত্রি আছে।

একটা ছাত্রির নাম তাঞ্জিনা। সে বাংলাদেশি। তার পরিবার আতলান্তাতে থাকেন। ওর চোটো ভাই আর ছোটো বোন আছে। সে ম্যাডিসনতে স্কলারশিপের করছে ডাক্তার হোয়ার জন্য হতে পড়ছে।

একটা ছাত্রর নাম ব্রাইন। তার পরিবার ওয়িসকন্সিনতে থাকেন। কিন্তু গতবচুর সে মিন্নেসতাতে থাতো। তার একটা বোন আছে। সে ইল্লিনইতে থাকে।

একবার বছরের আগে আর একবার চার বছরের আগে ব্রাইন কলকাতায় ছিল। সে ভারতকে ভালবাশে। গরমকালের পরে ক্লাস শেষ হলে সে ভারত ফিরে গেয়ে ছোটো গ্রামতে ইংরিজি শেখাবে।

আমার ক্লাস খুব ভালো। আমরা ব্লগ ব্যবহার করছি ক্লাসের কাজের জন্য। একটা ব্লগ একটা বড় খাতার মত। সবাই লেখতে ব্যবহার করছে। পরা-লেখার জন্য এটা খুবই ভালো।

গতসোমবারতে প্রথমে ক্লাস ছিল। ওইদিন বাংলার ক্লাসের বই আর পাঠ্যতালিকা পড়লাম। মঙ্গলবারতে আমি ব্লগ লিখে কম্পুতেরের ক্লাস করে ব্যাকরন পরা-সুনা শিখলাম। বুধবারতে আবার ব্লগ লিখে অনেকক্ষন সময় বাংলা ছোটো গল্প পড়ে কাতালাম। ব্রিহস্পতিবারতে বাংলা কথা শিখছিলাম। শুক্রবারতে ক্লাসের পরে আমি বাসের নিয়ে শিখাগোতে ফিরে গেলাম। বাসের বসে এচিঠি অধিকাংশই লিখছি।

ক্লাসের পড়ার জন্য আমি সপ্তাহটা সাত টায় উঠি আর বারো টায় সুইয়ে পরলাম। ক্লাস সুরু হয় সাডে আট টায় আর ক্লাস শেষ হয় এক টায় মাঝে আধ ঘন্টা বিস্রাম।

গতকাল শনিবার ছিল। আমরা দশ টায় উঠে কফি খেয়ে গাছে জল দিয়ে গল্প করলাম। সোমা তার মধহে চার-চয়জন লোকের সঙ্গে দেখা করলে। আমি বাংলা পড়া-শোনা করলাম। দুপুর বেলা আমরা একটু খাবার খেলাম। আবার আমি বাংলা কাজ করলাম।

আজকে মানু আর তার বন্ধু নিক্ষল শিখাগোতে আসলো। আমরা একটু খাবার খাওয়ার পরে আর ঘন্টা শিখাগোতে ঘুরলাম। আজ রত্রে আমি ম্যাডিসনতে ফিরে জাবো।

আমি জানি যে এচিঠি একটু বয়ান। ক্লাসের জন্য আমার শিক্ষিকা আমাকে একটা জর্নাল লিখতে চায় আর আমার মনে হয় এজর্নাল হয়ত ভালো চিঠি হতে পারে।

বাপী, মা, সোমা আর মানু সবাই ভালো আছে। সোমা অনেক কাজ করে কিন্তু এখন তার একটু বাগানের কাজও খুব ম্নে লেগেছে। বড় মাসির মত ও বিস্রাম করতে জানে না।

বাপী রিছ্লান্দতে কাজ করে। ও আমাকে বলে যে রিচলান্দতে অনেক আঙুরখেত আছে। আমাদেরকে দুটো মদের বোতোল পাঠয়েছিল। মদটা খুবই মিশ্তি ছিল। আমাদের ভালো লেগেছে।

মাও ভালো আছে। মা আর মানু শিখাগোতে এসেছিল এক সপ্তহ পরে, মার দিনের। তখন আমরা মার দিন অনুষ্টান করলাম। একটু খাবার খেয়ে একটু গল্প করে। এত মজা হল।

মানু তার অনেক বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটায়। অ নিজের জিবনে ভালোই আছে।

আচ্ছা। এবার আমার খবর শেষ করি। ভালো থাকো। এইচিঠির সঙ্গে আমরা কিছু চবি পাঠালাম। আমাদের শুভচ্ছো ও নিও। ইতি।

তোমাদের,

স্কট আর সোমা


অামার প্রিয় ঘর (Brian)

(This post is nothing special - I wrote it quickly this morning before class, because I mistakenly wrote yesterday just about Durga Puja.  Sorry.)

অামার তিন-ছারটে ঘর অালাদা ঘর ছিলেছে, কিন্তু এক প্রিয় অাছে । এ ঘর সাইন্ট জোসেফে । ওখানে নীল দেওয়াল অার একটা খুব বর জানালা অাছে । এ ছোটো ঘর ।

বিছানা দরজার বাঁদিকে অার বিছানার পাশে একটা লম্বা ল্যাম্প অাছে । জানালার সামনে বাদামি টেবিল অাছে, অার তার উপরে অামার কম্পুটের । টেবিলের ডানদিকে, তিনটে গিটার অাছে । মেঝেই, কয়েক বইগুলো অার জামা-কাপর ছুড়ানো অাছে ।

অামার নীল রঙিন জাইপুরের অানা সৌখিন বডকাভার অাছে । এটা হাতির নকশা  অাছে ।

অামি এ ঘরটা দেখতে অাবার পারব না ! শুধু অামার মনে থাকবে ।


ছোট্টো একটা শোবার ঘর

আমার শোবার ঘর সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে আমি ছুটির দিন ঘুমাতে অনেক পছন্দ করিআমি আজকে আমার নিজের বাড়ীর শোবার ঘর নিয়ে লিখবোএখানে যে শোবার ঘরটা আছে, সেটা খুব ই বোরিং আমার বাড়ীর শোবার ঘরটা সাইজে ও অনেক বড়আমার ঘরের যে বেডটা ওটা কুইন সাইজআমার বেড শিটটা ছোটো ছোটো ফুলের প্রিন্টের , পিঙ্ক কালারেরদুটো বালিশ এবং বালিশের কভারগূলো বেড শিটের সাথে মিলানোবিছানার উপর একটা কুইল্টও আছে, নানা রঙ মিশানোকুইল্টটা বাংলাদেশ থেকে আমার মা এনেছিলেন, আমার এটা সবচেয়ে প্রিয়আমার বেডের পাশে একটা ছোট্ট টেবল, তার উপর দূটো টেবল ল্যাম্প, এক টা শুধু টাচ করলে ই জলত, কিন্ত আমার ছোটো বোন ওটা টিপে নষ্ট করে ফেলেছেআরেক টা টেবল ল্যাম্প এখনো ভালো ই আছেকিন্তু ওটা সুইচ টিপে বন্ধ করতে হয়

আমার বিছানার ঠিক উলটো দিকে একটা কম্পিউটার টেবিলআমার কম্পিউটারটা একটা প্রতিযোগিতায় জিতেছিলামকম্পিউটার টেবিলের নিচে একটা শেলফ্ আছে, ওখানে অনেক সিডি, বেশীর ভাগ আমার ভাইয়ের গেইমের সিডিকিছু বাংলা, হিন্দি এবং ইংলিশ রেপ গানের সিডি ও আছেবিছানার বাঁ দিকে একটা বড় কাচেঁর বইয়ের শেলফ্শেলফের উপরে একটা ফুলদানি, তাতে প্লাস্টিকের নানা রঙের ফুল সাজানোফুলদানির পাশে বড় বড় দুটো ফ্রেমে আমাদের পরিবারের সবার ছবি নিপুণভাবে রাখা আছে

প্রথম তাকে আমার ও আমার ভাইবোনের স্কুল ও খেলাধুলায় পাওয়া সব মেডেল, কাপ এবং পুরস্কার তারপরের তাকে আমার সব ইংলিশ বইআমার বাবার সব শোখিন বাংলা বইয়ের তাকটা ঠিক তার নিচে

আমার ঘরের ডিসক্রিপশন পড়ে তোমরা নিশ্চয় ভাবছো এই সবকিছু ই মনে হয় আমার পুরোটা শোবার ঘর দখল করে আছে? আমি কিন্তু তোমাদের এখনো ঘরের সব চেয়ে ইমপোরটেন্ট জিনিসটার নাম বলিনিওটা ছাড়া আমি আমেরিকান আইডল, এমনকি কোনো ছবি দেখতে পাব নাতোমরা নিশ্চয় বুঝতে পেরেছ যে জিনিসটা হচ্ছে টিভি আরেকটা ভালো কথাতো বলাই হলোনা...।।আমার ঘরের অনেক ছবি আছে, তোমরা মনে করিয়ে দিও, কোনো এক সময় দেখাবোএখন আমার অনেক ঘুম পেয়েছে, তাই শোবার ঘরের ডিসক্রিপশন শেষ করে ঘুমাতে যাব


অামার প্রেসেন্টেসন অার ওয়েবসাইট (Brian)

কাল যখন অামরা ভারতের জামা-কাপরের বিষয় বলেছিলাম, তখন অামার মনে হল জে অামার ভারতের জামা-কাপর পরনের অনেক মজা গল্প অাছে ।

অামার প্রথম অভিজ্ঞতা ধুতি পরন অামার বন্ধুর বিয়ের ছিল ।  বিয়ের অাগে, অামার বন্ধুর বাড়ির অামার নতুন ধুতি অানলাম । ওখানে, পরিবারের সব মানুষ (মহিলা বা মেয়ে না) অামাকে ধুতিটা পরতে সাহাষ‍্য করেছিল । কিন্তু একটা মুশকিল ছিল - কেউ-কেউ কেমন ধুতি পরতে জানল নেই !  অামি ঘরের মাঝখানে ছিলাম, শুধু অন্তর্রাস পরন, অার ছার-পাঁচ বাঙালী কাকা অামাকে প্রদক্ষিন করেছিল । সষে, অামরা ঠিক করলাম, অার বিয়েটা খুব মজা ।

অামার দ্বিতয় অভিজ্ঞতা ধুতি পরন দুর্গা পূজা ছিল । তোমরা এটার বিযষ অামার প্রেসেন্টেসনে সিখবে ।

অামার ওয়েবসাইটে, অমার অনেক ছবি অার লেখা দেখতে পারবে । অার একটা কাগোজ শুধু বাংলায় । এখানে জাও: www.brianheilman.com । বাংলা কাগোজের লিংক ডান-দিকের কোণে ।

অামি এখন স্মরণে করেছি জে মন্দিরা অামাদের ঘরের ডেস্ক্রিপ্সন লিখতে বলেছে । অামার মনে সব দুর্গা পূজা - দুর্গা পূজা ! অামি ও ডেস্ক্রিপ্সনটা কালকে লিখব ।

শান্তি,
ব্রায়েন

I'm sorry about the font translation problem with my jo-phola.  I'll try to find a solution.


স্রটের বাড়ি - রান্না ঘর

একটা ঘরের আমার বাড়ির সম্বধে বলতে গেলে আমি রান্না ঘর আমার কাথা বলতে পারব । নয় মাসের আগে আমি আমার স্ত্রি সঙ্গে নতুন বাগান পাতছিলাম । খুবই ভাল লাগে । বৈশাখতে একটা গাছ অনেক চাঁপা ফুটছিল । রান্না ঘরের যানালা থেকে চাঁপা দেখতে পারে ।

ভিতরে আমাদের রান্না ঘর বাদামি পালিশ করে প্রস্তরফলক । নিচু থেকে আর উপরে অনেক দেরাজ আছে । একটা দেরাজের নাম লাজি সুসান । লাজি সুসান রাখি সব আমাদের মশলা রান্না করবার যন্য । রান্না ঘরের একটা হিমায়ক, চুল্লি, থালা ধোয়া মেশিন আর শিন্ক ।

হয়ত কেউ ভাবে যে আমি আর আমার স্ত্রি একটু অদ্ভুত । যখন আমাদের খাবার খাই তখন প্রস্তরফলকের উপরে বসে আছে কারণ শুধু তিন নৌকো আর সব একদিক থাকে । কিন্তু আমাদের মুখোমুখি ভাল লাগে আর অনেক গল্পগুজব করি ।


তানজিনার প্রথম বাংলা ব্লগ

আমার নাম তানজিনা। আমি বাংলা বলতে পারি, কিন্তু বেশী শব্দ শিখতে চাই। আমার মা ও বাবা দুজনেই বাংলাদেশ থেকে এসেছেন। আমি আমেরিকায় ৬ বছর ধরে আছি । আমি ইউনিভার্সিটি অফ উইসকনসিনে এ লেখা-পড়া করছি। আমি এই গ্রীষেম বাংলা শিখছি এবং পড়ালেখার পাশাপাশি একটি কাজ ও করব। আমি বাংলা ব্যাকরণ শিখতে চাই, কারন আমি ক্রিয়ার কাল ভালো বুঝি না। আমি বাংলা কবিতা, সংবাদপত্র পড়তে চাই, কারণ আমার কাছে বাংলা ভাষা খুব ভালো লাগে। আমি আমার লেখাপড়া শেষ করে বাংলাদেশে ফেরত যেতে চাই। তাছাড়া এই শীতের ছুটিতে আমি আমার নানাকে দেখতে যাব, তখন খুব মজা হবে।


Brian Heilman Self Introduction (প্রথম দিন)


নমস্কার !  আমার নাম ব্রায়েন হাইল্মান ।  আজ আমার
বাংলা ক্লাসে প্রথম দিন , আর এটা আমার প্রথম লেখা !

আমার বয়স চব্বিশ ।  আমি ভারতে যাব সেপ্টেম্বরে । আমি
এক স্কুলে কাজ করব । এ স্কুল এক ছোট গ্রামে, মুর্শিদাবাদের কাছে । আমি ওখানে একটা বছর থাকব ।

আমি দুই হাজার তিন আর দুই হাজার পাঁচে ভারতে ছিলাম ।
আমার জিবন কলকাতায় আর ভারতে খুব ভাল লাগে। আমার বাংলা কবিতা আর গান ভাল লাগে ।

আমার মা-বাবা উইস্কন্সিনে থাকে। আমার মায়ের নাম লিন্ডা আর আমার বাবার নাম গেরি। আমার একটি বোন আছে; ও ইলিনইতে থাকে।  আমার মা আমার সঙ্গে দেখা করতে ভারতে যাবেন ।

আমার গান করতে আর বেসবল খেলতে ভাল লাগে।  আমি ক্লাসে সাইকেল করি।

আমি ভাবি যে এ গ্রিস্মকাল খুব ভাল হবে। 



স্কট প্রথম পস্ট

আমার নাম স্কট । বোধ হয় এগরমকাল খুবই ভালো হবে. ম্যাডেসনতে সুন্দর শহর. কিন্তু অনেক সময় বাংলা শিখব, আর শনি-রবিবারতে শিকাগোতে ফিরে যাবো । তবে, কিছু বার সানসেট দেখতে হবে. যখন সুর্ষের আলো জলের ওপর পড়ে তখন সুন্দর লাগে ।