অনেক দিন আগে, এক রাজা আর রানি ছিল যারা
এক বাচ্চা চাইছিল। কিন্থু ওদের কখনো বাচ্চা হয়নি।
এক দিন যখন রানি স্নান করছিল, এক বাং জল থেকে ঝাঁপিয়েছে আর বলেহে, “তোমাকে বর দিচ্ছি, আর এক বছরের মধে তোমার এক মেয়ে হবে।”
যেটা বং
বলেছে, সেটা হয়েছে, আর রানির এক মেয়ে হয়েছে। রাজা খুব খুশি হয়েছেন আর ভোজ দিয়েছেন।
সবাইকে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে। রাজাও তের জন পরীকে ডেকেছে। কিন্থু শুধু বারোটা
সোনার থালা ছিল। সব পরী মেয়েকে কিছু বর দিয়েছে একজন সুমতি দিয়েছে, একজন সৌন্দয দিয়েছে।
কিন্থু যখন এগারো জন পরী বর দিয়েছে, তের নম্বর পরী এসেছে আর সে প্রতিশোধ নিতে
চাইছিল।
সবাই চুপচাপ হয়ে গেছে, কিনন্তু বারো
নম্বর পরী তারপর আর একটা বর দিয়েছে—রাজকুমারী
মরে যাবে না, শুধু ১০০ বছরের জন্য ঘুমিয়ে থাকবে।
অনেক বছর পরে, রাজকুমারীর ১৫ বছর হয়েছে।
ও প্রাসাদে এক চরকা খুঁজে পেয়েছে, আঙুলটা ফুটে গেছে, আর ঘুমিয়ে পড়েছে। কিন্থু শুধু
রাজকুমারী শুয়ে পড়েনি। সবাই—রাজা,
রানি, চাকররা, কাজের মেয়েরা, ঘোড়া, আর পায়রা—সব
ঘুমিয়ে পড়েছে।
বাইরে, এক বড় ঝোপ হয়েছে। দেশের সব
রাজকুমার চলে এসেছে আর অভিশাপ ভাঙতে চেষটা করেছে, কিন্তু ঝোপের মধে কাঁটা লেগে
গেছে আর মরে গেছে।
তারপর এক দিন, এক খুব ভালো রাজকুমার
ঝোপে এসেছে। হটাৎ করে, সব কাঁটা
থেকে ফুল ফুটেছে, আর ঝোপটা সরেছে রাজকুমারের জন্য। ও ভিতরে গেছে আর রাজকুমারিকে
খুজে পেয়েছে। রাজকুমারি চোখ খুলেছে আর হেসেছে।
তারপর প্রাসাদের মধে সবাই ঘুম থেকে উটেছে।
রাজা, রানি, চাকরা, কাজের মেয়ে, ঘোড়া, আর পায়রা সব চোখ খুলেছে। রাজকুমার আর
রাজকুমারী বিয়ে করেছে, আর সবাই ভালো থেকেছে।
Comments