https://www.verbling.com/find-teachers?price%5B%5D=5&price%5B%5D=80&sort=magic&language=bn

Entries categorized "Advanced level students" Feed

Journal 5

Sorry this is so late!  I thought I had already posted Journal 5.  I just realized when looking at the blog that I didn't :(

আমি অনেক রাননা করি I  আমি নানারকম খাবার রঁাি: আরাবেক, মেকশিকেন, ইটালিয়ন, করিয়ন, আর বেশ I কিনতু আমার পরিয় খাবার বাঙালি I আমি ময় কুরি রাননা করচিছ I আমি বেশি ঋাল ভলোবাি I

পনার ভলো রেশিপি আছে ? পশট করুন না ! ;-)


Journal 5--বুগুলির গল্প

বুগুলির গল্প

এ কাহিনি খুব মজা চিল।  একটা ছেলে আট বছর মা হতে চায়।  ও বুঝতে পারে না যে মা হতে পারবে না।  কিন্তু ও কেন মা হতে চায়?  গল্প থেকে আমরা বুঝতে পারি যে বুগুলি ওর মাকে খুব ভলোবাসে।  এত ভালো বন্দুত আছে ওর মা সঙ্গে যে ও এক দিন একি অবুস্তা চায়।  সমসা হছে যে ও বুঝতে পারে না যে ছেলে মানুস মা কখন হবে না।  যখন বুগুলির মা ওকে বুঝায় দায়, তখন ও কাদছে বন্দ করে।  ও বুঝে যে সারাজিবন একা হবে না।  ও মা না হলে সমসা হবে না কারন বুগুলি এক দিন বাবা হবে।  আট বছরের ছেলে জন্য এতা কটিন concept । গল্প সেশের পর্যন্ত আবার ফিক ফিক করে হাসতে পারে। 

এ কাহিনি ভালো লাগলাম কারন আমরা সবসমই দেখি যে সুদু মেয়ে মা হতে চায়।  কিন্তু আমরা কেন assume করে যে ছেলে মানুস কখন মা হতে চায়?  আমাদের সান্সক্রিতিক হল যে মেয়ে মানুস মেয়ের role কেল্বে আর ছেলে মানুস ছেলের role কেল্বে। আজ কিন্তু মানুস সান্সক্রিতিক challenge করে। ওনেক জাইগা lesbians, gays, bisexuals, and transvestites আছে।  সবাই এ মানুস্কে বুঝে না, কিন্তু আমরা আস্তে আস্তে বুঝছি আর accept করছি।        


Adil's Favorite Foods

আমার অনেক প্রিও খাবার আছে। মার রান্না আমার খুব ভাল লাগে, আর শবছে প্রিও লাগে যখন বিশ্তির দিনে মা কিছুরি রান্না করে। আমার মার কিছুরি বেশে বিজানা আর বেশে dry না। আমারা শব আকশাতাই বশি আর কিছুরি আর আছার কাই। আমি আক্তা নুথুন রকমে কিছুরি কাই, আমি ketchup দিয়া কাই। এতা মজা কারন আছাররের মতন। আমার প্রিও মিস্তি হল রসগলা। আমার মার রসগল খেতে খেতে আর কুন রসগল আত ভাল লাগেনা। আমার খাল মিস্তি, জা মুন গুলাপ জাম, পসন্দ হই না। আমার দাআল আর আলু বরথা খেতে ভাল লাগে। মাংশ আমি বেশে কাই না, আর বরতা (অক্রা, বেগুন, সিম, দিম, শাক) খেতে দারুন লাগে। ভাত শেশ হলে অনেক শমই আমি আম দেই দুদ ভাত খাই। আম না থাকলে আমি কলা দিয়া খাই। আমার বরহানি আগদম ভাল লাগে না, কিন্তু আমার আমের লাসসি পসন্দ হই। আমার ভাইগুল মার দাআল আর লেবু খুব পসন্ধ করে কিন্তু তারা রান্না করতে পারে না। থাঙ্কসগিভিঙ্গে আমার মা থাদেরকে দাআল রান্নাতা সিকাইশে। আমার মনে হই যে এতা খুব কতিন বেপার। ভাইরের বেঙ্গালি রান্না আত ভাল লাগে না, কিন্তু মতের পানীর ভাল লাগে আর মা এতা বেশে রান্না করে না। অনেক দিন ভাত খেতে খেতে মনে হই যে আর কিছু অন দেশের কাবার খাই। মা অনেক শমই স্তির-ফ্র্য আর নুদুলস করে। কাবার কথা লেক্তে লেক্তে আমার কুধা এসেছে।


Journal 5

আমী খুব "এক্সাইটেদ" এই সাম্নের ছুটির জন্য। আমি বিস্রাম করতে পারব আর আমাকে কন্য পড়াসনা করতে হবে না। আমি মাল্লে বাজার করব আর আমি ভালো ভালো সিনেমা দেখব। আমার মাল্ল থেকে "জেন্স", "বুটস" দারকার, আর এই এম্নিত এই সময় সবয় বাজার করতে ভালোভাসে। আমি আমার বনের শঙ্গে সময় কাটাবো, কারন ওর সঙ্গে দখা হয়না আতোটা। এই "সেমেস্তেরে" আমি কম "টভ" দেখেছি, তাই জন্য আমি ছুটিচতে আমি আমার "লাপ্তপে" আমার শব প্রিও "টভ সোও" দেখব। আর প্রোটেক "নু ইয়েরস ইভে" আমার মা আর বাবার এক্তা ভালো বন্ধুদের বাড়িতে পারটে" হবে। সে পারতে খুব মজা হবে, আনেক নাছা-নাছে হবে! আমার বিসাশি হচ্ছে না যে আরেক্টা বচ্ছর সুরু হবে। আরেকটা বাচ্ছার মানে আমার কুরি বাচ্ছার বয়স হবে, আমি ছিন্তাই ক্রতে পারছি না যে আমার এই বয়স হবে। এই নতুন বাচ্ছর আমি ছাই জ়ে আমার আর আমির পরিবারে ভালো স্বাস্থ্য থাকে, আর আমি আর আমার বন ভালো পড়াশনা করি।


Pather Panchali Reactions

পাথের পাঞ্ছালি চিনিমাতা আমার খুব ভাল লেগেছে। আমার মনে হই যে এতা আমার শবছে প্রিও চিনিমা এয় বরছরে। দুরগা আর আপু শাতে আমি মিল পেয়াছি। আপুর মা আমার মার মত আমার লাগছে। গ্রামতা আমার বাবার গ্রামের মত দেখতে। আমার বাবার গ্রাম হচ্ছে বাঘদুমার, এতা সিরাজগংজের মদ্দে। আমার মনে আছে যে আমি ছত তাক্তে আমি পুকুরে মদ্দে শাতা করতাম। আমার মার বারিতে আক্তা মহিলা তাক্ত, রহি নানু, শে অনেক্তা দুরগার খালার মত। শে ছিল যখন আমার মার জন্ম হএছে আর শে আমার ভাইকে খুব আরদর করত। শে কইয়াক বরছ আগাই মারা গেছে। চিনিমার মদ্দে দুরগা পায়রা আর কুশাল কেত। আমার বাবার গ্রামে অনেক কুশাল কেথাম আর অনেক গুর তইরি হত। পায়রা আমার আত মজ লাগত না কিন্তু আমার মা খুব পসন্দ করে। আমার আমরা, কাতাল, আম, লিছু, আর কুশাল পসন্দ হ। এয় বার বাংলাদেশে এগুল পাব না কারন আকন শিতকাল। বাবার গ্রামে আমার অনেক মজ হত। আখন আমার বেছি আতিও নাই গ্রামে কিন্তু তাও আমার ভাল লাগে। আমার দাদার অইখানে করব দাওা হএছে। বাবা গ্রামে আক্তা সছুল কুলেছে অনেক বরছ আগে আর ছেলে মাই গ্রামে গল অইখানে পরে।


Winter break in Bangladesh

আমি দেচেম্বারতে বাংলাদেশে জাব। আমি, আর আমার মা বাপ এবং দাদি জাব দুত শপ্তার পরে। এয়বার আমি প্রথম জাব West coast ভাভে, আমি জাপানে আর সিঙ্গাপরে আগে জাব। আমি অনেক দিন হএয়া বাংলাদেশে জাই নি, আমার বর বুনের বেয়াতে last জাইছিলাম। অই শমই আমার খুব মজা লেগেছে। এয় বার আমরা জাব কারন আমার আবুর BUET reunion হবে ধাকাতে এয় মাশে শেসাই। আমি চক্স বাযাআর আর ছিতাগঞ্জ আর খুলনাতে জেতে ছাই এয়বার। আমি থাকব থিন শপ্তাহার জন। আমার এচ্ছা গে আমি এয়বার প্রথম বাঙ্গালি পরতে আর লেক্তে পারব। হয়তবা আমার খুব practice হবে আর আমি এসশে চলাসসে খুব ভাল করব। এতা হলাই আমার মা আর আবু খুব কুশি হবে। আমার ভাই তার বও আর মাইকে নেইতে ছাইচিল কিন্তু তারা চুতি পাই নাই। আমি জধি Fulbright Scholarship পাই থাহলে আমি আবার বাংলাদেশে জাব আগামি বছররে। এতা হলে আমি খুব ভাল হব বাঙ্গালিতে। আমি ছাই যে আমি যখন বর হই আর ছাকরি করি, আমি কন কাজ বাংলাদেশের জনে করি, জাই কন ছত জিনেশ। থাহলে আমার ছেলেপেলে বাংলাদেশে কথা বুজবে আর বলতে পারবে। 


Adil's Thanksgiving Trip

আগামি শপ্তাহাই আমি আর আমার মা বাপ আর ভাই শব আমার বর ভাইএর বাশাই গেছে চলরাদতে। আমার বাশ্তি, শফিয়া, শাতে দেখা হএছে। আমার খুব ভাল লেগেছে। ষকালে আমার ভাই সফিয়াকে নেয়া আমাকে ঘুম থেকে উতাইত। শফিয়া খুব বরে উতেগাই কারন শে খুব তাতারি ঘুমাই। আমি ঘুম থেকে উতাই সফিয়ার শাতে কেলতাম। ষে খুব মিস্তে করে কেলাই, শবার শাতে কেলে আর বেশে কাদে না। বাছার যখন বেশে কাদে, আমার ভাল লাগে না। আগেরবার যখন সফিয়ার শাতে দেখা হএছে, শে হাতে পারত না আর থার জনে আমার বেশে কেলতে পারিনাই। কিন্তু আই বার আমরা বারি প্লায়গ্রউন্দে আর বরফের মদ্দে কেলছে। বারে খেলার পরে, আমরা বাশার আশ্তামা আর আমি দুপুরের নাস্তা কেতাম। শে প্রথম আমার মার দাআল-ভাত খেল আইবার। রাত্রের খাওার শমই শে আমারদের দিকে কালি থাকাইথ, থারপর অকে এক্তু দাআল-ভাত অর বাতিতে আর শে হাতদেয়া খেল। খাওার পরে শে এক্তু কেলত আর সঙ্গে সঙ্গে দুব দেয়া ঘুমতে জেত। সফিয়ার ঘরে অনেক অর আখান শবি ওয়াল্লে ছিল। আমি পরের দিনে অর শাতে “abstract art” আখাইছি। অর আখান আমি মিছিগানে নেয়াছি আর আমার ফ্রিদ্গে উতাইছি। আমার পুর শপ্তা খুব মজা লেগেছে সফিয়ার শাতে আর আশার শমই আমার খুব কারাপ লেগেছে। আবার স্প্রিঙ্গে দেখা হবে ইনশাল্লাহ। 


Adil's Niece-Sophia

আমি আজখে আমার ভাস্তি নেয়া কথা বলব। আমার ভাস্তির নাম সফিয়া। তার জন্ম ছিল মায় ২০০৬। তার জন্ম চলরাদ থে হএছে। শে আমার প্রথম আপন ভাস্তি, আমার আর কুন ভাই-বুনের ছেলে-পেলে নাই। আমার ছাছাত ভাইরের থের অনেক ছেলে-পেলে আছে, কিন্তু তারা বাংলাদেশে থাকে আর আমার শাতে বেশি দেখা হই না। সফিয়া খুব সুন্দার আর কেলথে অনেক পসন্দ করে। আমার খুব দুখ যে সফিয়া চলরাদতে থাকে কারন আমি প্রতেক দিন দেক্তে পারি না অকে। আমার মার অনেক দুখ, শে আমার ভাইকে দেই ওয়েবচামেরা কিনেছে সফিয়াকে দেক্তে। এতা খুব বর জিনেশ আমার মার জনে কারন শে আত কম্পিউটার বাভ্বার করে না। আমার সফিয়ার শাতে দেখা হবে আগামি সফতা, থাঙ্কসগিভিঙ্গের জনে। আমি সফিয়ার জনে গিফত কিনতে ছাই, তমাদের কুন ধারান আছে যে সে কি পসন্ধ করেবে? ওর জনে প্রছুর কাপর কিনা হএছে। আমি ফটো তুলে নেইয়াসব এয় বার তমাদেরকে দেখারজনে। সফিয়া যখন মিছিগানএ আছে আমি তমাদেরকে দেখাব। সে নুথুন মানুশকে পসন্ধ করে। 


বর খেলার দিন

আগামি সনিবার UM এবং OSU সঙ্গে আমেরিকান ফুতবাল খেলবে।  পরস্ন হছে কে প্রথম পাবে?  এতা শব চেয়ে বর প্রতিযগিতা।  সুদু এক তিম প্রথম হতে পারবে।  এ বচর UM এত ভালো খেলছে না। OSU মাত্র একটা গাইম হার গিয়েছিল।  আমার মনে করি যে OSU প্রথম হবে। অবসই আমার চিন্তা একটু biased কারন আমি অহিও থেকে, কিন্তু আমাদের খেলওয়াররা অনেক শক্তি আছে, তাহলে সফল হবে।  দুভাগত্রমে UM-er জন্য দুভাগ হবে।  UM এ খেলার জন্য খুব সাবধানে আশবে।  কিন্তু এভাবে আশ্লে কন্ন লব হবে না কারন OSU UM-te গন্ডগোলে করবে।  খেলা সেশের শমই আমাদের সুখবার ভালো খবর হবে আর ইনশাল্লা জগ্রা হবে না।  শবাই হাতে হাত মেলানো করবে আর ভালো ভাবে চলে যাবে।  আমরা চাইল দেখল একমুখ হাসা করব আর আদোর আপাইয়ন বানাব।  আমাদের দেশের খেলা খুব মজা।


বাংলা ক্লাসে স্কিট!

এই সনিবারে আমাদের বাংলা ক্লাস "স্কিট" ওপর কথা বলাম। আমার মনেহয় যে এই "স্কিটা" খুব মজা হবে। আমির "রোল্টা" হচ্ছে যে আমি একটু বেসি আধুনিকা। আমার খুব আনন্দ হচ্ছে স্কিটের জন্য গান খজা। আর আমি এই স্কিটে শারি পরচ্ছি, তাই জন্য আমি উদ্রিক্তা লাগচ্ছে। আমি বিসন শারি পরতে ভালোভাসি! সতি, বাংলা ক্লাসে আনেক আভিনয় হয়, এতা হল তৃতিয় আভিনয় করা "এক্সপিরিয়েন্স"।


Journal 4

আমার মা আর বাবা খুবি ভলোবাি I তাঁরা অনেক আমার ন (jOnO) করেন I তাঁরা আমাকে রেনট (“rent”), কার (“car”), ঘাশ (“gas”), আর টুইশেন েন I কিনতু এটা আমার ভলোবাার কারন নায় I তাঁরা ময় আমার মনে থাকবেন কারন আললা তাঁকে আমার মা আর বাবা করেন I


Journal 3--সালিমা আপার দাউওাত

আমরা শবাই সালিমার বাড়িতে গিয়েচিলাম পতলকের জন্য।  আমরা খুব অনন্দ করেচিলাম। ভালো হত যদি মন্দিরাদি আস্ত।  হতে পারে সামনে বার আশ্তে পারবে।  আমরা গল্প করেচিলাম, কাওা দাওা করেচিলাম আর হাশ্তে হাশ্তে সেষ করেচিলাম।  সালিমার দুত বাছা আছে।  একটা ছেলে, রাহি, ক্লাস দুই পরে, আর একটা ছেলে, নিলই মাত্র তিন বচর।  দুত ছেলেরা খুব শুন্দর আর মজা আমাদের সঙ্গে গান, কেলা আর গল্প করেচিল।  আমরা তিন চার গন্তার জন্য থাকেচিলাম।  আবার দাউওাত দিলে, যাব। 

একটা মজা গল্প নিলইএর বেপারেঃ  তার বইয়স এত কম, কিন্তু সারা রাত ও সুদু পুরাতন গান গাইতে চায়েচিল আর দ ভ দ দেকতে চায়েচিল। আর একটা বেপার হল, সে দ ভ দ দেকতে কাল সাদা হতে হবে।  রঙ্গিন জিনিস এত ভালো লাগে না।       


Journal 3

এই শুক্রবারে "আইসা" প্রগ্রামতা হয়হিল| প্রচন্দ মজা হয়ছিল কারন আমি "সোয়োতে" ছিলাম। আমি "ফাসান সোয়োতে" ছিলাম, তাই জন্য শুক্রবারে আমার সারা দিন খব ব্যস্ত কেটেছিল। আমার সকাল দস্তা তেকে দুপুর তিন্তে ওভধি ক্লাস ছিল। তাপর, আমি সিগিরি চান করে, চাতে সময় "এমলবতে" গেলাম তৈরি হতে। সব মেয়েরা একসঙ্গে তৈরি হলাম, তারপর শব ছেলেদের "মেয়েকাপ" করতে হল! সারে চটা আমরা "হিল অদিতোরিয়ামে" আসলাম। সোয়োয়ের আগে আমার পরিবার শঙ্গে দেখা হল। প্রগ্রামটা খুব ভালো হল, আর খুব আনন্দ হল স্তেজে গিয়ে চার হাজার লখে সামনে।


Journal 3

Sorry for not posting this earlier today :(

আমার অনেক বন্ধু আমার বারিতে আবেন I আমা একটা “ঢিনে”একঙে (wrong “ng”) খাবেন I আমার বন্ধু খুবি ভাল রাননা (conjunct with two “n”s) করেন! কিনতু (conjunct “n” and “t”) আমার পিরয় (conjunct “p” and “r”) “পারট” খাবার খাওা বে না I আমার বন্ধুকে েখা করতে ভলোবাি I


Journal 2

Here is my second journal (finally;-).  I had a little trouble finding some conjuncts and a couple letters, so the spelling isn't all right.

আমার বনধু, ফাটিমা, বিয়ে করবে I সে বাঙালি মেয়ে, আর তার আমমা আর বরোভাই তার বিয়ে ঠিক করেছেন I সে এশানকে, একটা সমকাল মানুষ িরবোরনে থেকে, বিয়ে করবে I এশানরে বন য়ন, আর এখন তাঁরা ফাটিমাবন্ধু I ফাটিমা খুব ব্যগ্র I


To the second year of U of M

আমার দ্বিতীয় বছরের আদরের ছাত্রছাত্রীরা

তোমাদের আড্ডা শুনে আমার এত ভালো লাগে যে বলতে পারব না । মনে হয় আমি তোমাদের সঙ্গেই আছি। কতবার করে তোমাদের কথা শুনি। প্রেম নিয়ে তোমাদের অনেক কিছু বলার আছে দেখছি !!  আশা করি আরো নানা রকম বিষয় নিয়ে তোমরা কথা বলবে। অনেক দিন পরে সৌরভকে দেখলাম। সৌরভ, তুমি অনেক বড় হয়ে গেছ । রেচেল, আগের সপ্তাহে তোমাকে না দেখতে পেয়ে মন খারাপ হয়ে গেছিল আমার। এ সপ্তাহে তোমার কথা শুনে ভালো লাগল। সঙ্গীতা, বা;লা পড়তে মজা লাগছে তো ? আমি তোমাদের সকলের লেখা খুব মন দিয়ে পড়ি। তোমরা একটু ব্লগে গান টান কর, অনেকদিন তোমাদের গান শুনিনি। হেইলি, কী খবর ? না, প্রেম করছি না, আমি প্রেমের থিয়োরি নিয়ে কথা বলতে বেশি ভালোবাসি । আদিল, কেমন বা;লা পড়ছ ?  তোমরা সকলে আমার কাছে শিকাগোতে এস একবার ।

ভালো থেকো,

আমার অনেক ভালোবাসা আর স্নেহ নিও

মন্দিরাদি


Journal 2!

আমি প্রতেক স্পতাই "দেস্পারিট হাউসওয়াভস" দেখি। এই স্পতাই, আনেক কিছু হল। প্রতমে, এক্তা নতুন প্রতেসবেসি এসেচে, এক্তা মা, কাথেরেন, আর তার মেয়ে, দেলেন। ওরা আগে "ওয়েস্তিরিয়া লেনে" থাক্ত, আর কাথেরেন সুসেনকে চিন্ত, আর অদেদ মেয়েরা ছতবালাই বন্দু ছিল। কিন্ত, আখন, দেলেন সুসেনের মেয়ে জুলিকে চিন্তে পারছেনা। তারপর, ঈদে কারলসকে বল যে ওকে বিয়ে করতে ছাই, কিনতে চারলস অর পুরন বউয়ের সাতে প্রেম করছে।


Meeting the parents/friend (assignment 2)

অক্টোবর ৭, ২০০৭
আসসিগ্নমেন্ত ২

এয় ওয়ীকেন্দে আমি আমার ভান্ধুবির প্রিও
ভন্ধু আর মার শাথে পরেছয় হ্যেছে। অর
নামে হ্যল লুচিয়ানা, অহ হ্যল এল
সাল্ভাদএর থেকা আসছে, আর অহ হ্যল
বেন্তলেয় উনিভেরসিত্যতে ঝি। অ হ্যল বেস্নীর
উপরে পরতেসে। বেন্তেল্য হ্যল বস্তনে। কালকে রাতে
আমি আমার বান্ধবের মার শাথে পরেছয়
হ্যেছে আর থার শাথে অনেক কউথা হ্যছে। আমার
ভান্ধুবের মা হ্যল জাপানের থেকে আশ্ছে।

লুচিয়ানা আর এরিনার মার শাথে কতাবলে
আমার অনেক ভাল লাকছে। উনার ধন অনেক
মেস্তি কতা বলছে। অনাধের কতা সুনে আমার
অনেক হাসা আশ্ছে। আকন থাধের শাতে
পরেছয় হয়েছে, উনারা ধন ছি আমি তাধের
ভাশি বের‌্যতে ঝি।


প্রেম মনে কি?

আমাদের গল্প এই শপ্তাহ খুব মজা কিন্তু কতিন বিশই চিল।  অসিতা আর সুপনর দু জন দু জনকে খুব পচন্দ করেচে।  প্লেন ত্রিপের আগে দুজন দুজনকে চিনে না।  প্লেনে পরিচই হয়ে গিয়েচে।  হতাত করে সমশা চিল।  প্লেন ইঞ্জিন নস্ত হয়ে গিয়েচে আর পাইলত প্লেনে নামতে হবে।  অবুস্তার পরে অনেক বচর হয়া গিয়েচে।  অসিতা আর সুপন দুজন দুজনকে দেকে না।  তারপর হতাত করে আবার দেখা হয়েচে।  দুজন বিয়ে করেচে আর এক জন বাচা চিল।  কিন্তু এতু বচর পরে এক্তু feelings চিল।  তাদের অবুস্তার বেপারে কাউকে বলল নি।  একন অরা কি করবে বে কি করতে হবে? 

প্রেম মনে ভালোবাসা কিন্তু ভালোবাসা মনে কি?  ভালোবাসা সারাজিবন একিভাবে তাকে না।  এক জন এক জনকে ভালোবাশ্তে পার, কিন্তু মাজে মাজে এক জন এক জনকে আর ভালোবাসে।  আমি বিসাস করি না যে ভালোবাসা দুই জনের জন্য এক হতে পারে না।  এতা কখন balanced বা একি হবে না।  ভালোবাসা খুব সুন্দর আর বেসি complicated  আমরা ভই পাইও না কিন্তু।  ভালোবাসা দুহাত দেয়া নিতে হবে।  সব মন দিয়ে নিতে নবে।  মানুস জানে না কই এক দিন এই প্রিতিবিতি আচে।  এতা খুব necessary যে আমরা টিকে as if এতা আমাদের সেসের দিন।  জীবন সারাজিবন তাকবে না। 


Adil's Post, U of M, Fall Semester

আস্কে আমি আর ফারহান একটা ইফতার "হস্ত" করেছি। আমরা "লা ষিশ" থেকে খাবার এহ্নায়ছি। শবাই খুপ পসন্দ করেছে। ইফতার খাবার ছিল ভাত, মুরগি, গরু মাংশ, "হমুস" আর পারাতা। ষব খাবার শেশ হএগেছে। ইফতার শময় হই যখন বেলা দুবে জাই। ষারা দিন না খেয়া আমার খুব কুধা লাগে। আমি প্রথম কেজুর কাই থার পরে আমি পানি কাই। ড়ামাদান তিরিশ দিন জনে হই। ড়ামাদানে পরে ঈদ আশে, ঈদ আমার প্রিও দিন কারন আমার ভাই আর বন আশে। এইদে আমি আগে "গিফত" পেথাম, আকন আমি শবসমায় পাই না। এইদের দিনে আমার মা অনেক ভাল ভাল মিশ্তি বানাই। মিশ্তি খাবার পরে আমরা শব আতিওর বাশি জাই আর দেখা করি। আমার খুব মজা লাগে এইদের দিন।


The joys of facebook! (assignment 1)

জউরনাল আসসিগ্নমেন্ত ১
অক্টোবর ২, ২০০৭

আমার নাম হ্যল শারমিন, আর আমি
নেউরসচিএঞ্চে আন্দ সউথ আসিয়ান স্তুদিএস মাজর।
আমি ফাচেবুক অনেক পছন্ধ করি। এয় কারনে আমার
ভান্ধুবীরা হ্যল আমাকে ফাচেবুক করে। ফাচেবুকে আমরা
অউনেক ঝেনেশের বেপারে কথা ভলী। আমরা ফাচেবুকে
আমাধের প্রেওঃ রঙ,সুমি,ধীন,মাশ,পুরশাঘ,আর
আমরা আর অনেক ঝেনিশের বেপারে কথা বলী ফাচেবুকে।

লাল হ্যল আমার প্রেও রঙ, এবং আম্র প্রিও শুমি হ্যল ভর,
মঙ্গলবার হ্যল আমার প্রিও ধীন। আমার প্রিও মাশ হ্যল
কারতিকা বেচাউসে এয় মাশে আমার ঝন্মধীন, আর আমি
এয় মাশি আমার প্রিও প্রশাঘ পরথে পারি। আমার প্রিও পরশাঘ
আমি পছন্ধ করি হয়ল ঘাগ্রি।

আপ্নিরা ঝুদি আর কেছ ঝান্থেছান আপ্নিরা হ্যল আমার
ফাচেবুকে ঝিএন।


Yay Journal 1!!

য়ে গরমকালে আমি ফ্লরিদেতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমার কাকুরা থাখে। আমি, আমার বন, আমআর দদজন "কাশিন্রা" রদ শাতার কাটাম ওদের অতুন "পুলে"।আমার বড় কাসিনের গ্রাদুয়াতিওন পারত্য হয়েচিল। আমরা অখানে এক স্পতা ছিলাম। তাপরে আমি আর আমার পরিবার বাঙ্গাসমেলানে গিয়েছিলাম দেত্রইতে। আমরা আর আমিদের সব বন্ধুরা একি "হতেলে" ছিলাম, শে হতেলতা দারুন ছিল। সুক্রবারে আমি রেগিস্ত্রাতিওন দেস্কে বস্লাম। সনিবারে আমি উ অফ ম বাংলা প্রগ্রামের বুথে বস্লাম। তারপরে আমি "স্পীদ দয়েটিঙ্গে" গেলাম। সেখানে কন এক্টা ভাল বানালি ছেলেকে পাউয়া গাল না! কিন্তু, আম্নিতে মজা হল। রাতে আসল মজাটা হল! আমি প্রথমবার "ক্লাব্বিঙ্গে" গেলাম। অখানে গিয়ে আমি আর আমার বন্ধ্রা নাচলাম রাতে তিন্তে ওব্দি! রবিবার স্কালে আমি এক্তা উ উ অফ ম বাংলা প্রগ্রামের ওপর "প্রেসেন্তাতিওন" দিলাম, আর আমি খূব খুসি হলাম, কারান শারমিনের সাতে দখা হল।


Journal 1

Here is my first journal.  Unfortunately, I couldn't find any conjuncts on the insert symbol list in Microsoft word, so there are some spelling errors. 

আমি এসকালে আমার কাজে গিয়েছে৷  আমার ওখানে কাজ করতে খুব ভালো লাগে৷  অনেক বনধু ওখানে আছেন৷ আমার সুপেরভাইসেরসও সঙে কাজ করতে সহোজ, কিনতু অথচ উপাদেয়  অপিচ আমরা ফ্রিচা খেতে পারি, আর এচাঢা খাসা  আমি খুবি কৃতজ্ঞ কারন চাকরিঢা করি৷


আমার গরমকাল

এ গরমকাল আমি কাম্বদিয়াতে চিলাম।  আমি তিন মাসের জন্য থাকেচিলাম।  অখনে আমি চাক্রি করেচিলাম আর আমার মনের জন্য কশ্ত চিল।  আমার অফিশে human rights ণ গ ও চিল। অরা combat trafficking, sexual exploitation and domestic violence against মাইদের আর মহিলাদের।  যখন অফিশে না চিলাম, আমি বিভিন জাইগাতে গিয়েচিলাম।  কাম্বদিয়া খুব শুন্দর দেশ আর মানুশ ভাল।  তাদের খাবার আর এক্তা বেপার আচে কিন্তু।  মজা চিল না।  আমি অভাক হয়ে গিয়েচি জখন আমি দেখেচি যে ওরা অনেক শমই সদু সাদা ভাত খায়।  অবশই বেসি মাচ-ও খায়, কিন্তু অদের খাবার জাল কম।  আলহমদুলিলা যে এক্তা বাঙ্গালি খাবারের ধখন চিল।  যখন চুতিদিন, বাজারে গিয়েচিলাম। কাম্বদিয়া ভাল ফাল আচে। আমার প্রিয় মাঙ্গস্তিন চিল।  এতা মিশ্তি তক।  অদের কাপর তাইলান্দ বা ভিয়েত্নাম থেকে এসেচে।  দাম খুব কম চিল। আমি ওনেক কাপর বানিয়েচিলাম।  আমাদের বাংলাদেশ ওনেক রিকশা আচে, আর কাম্বদিয়া বেশি মত আচে। আমি কাম্বদিয়াতে পচন্দ করি আর মাজি মাজি miss  করি।  আমার মনে হই বলি জেতে পারব না।   


Welcome !!

Our old and new students.

Welcome to this blog  I hope this will be your place where you can practice your Bangla speaking and writing in a relaxed mood. Now, it is our great pleasure that students of U of C and U of M are using this. That means we all willl get to know each other and our social circle of bangla gang will increase :). Sorry about not be able to very serious. You all know, this is a blog for students and it is a place for learning and having fun. Consider it as an extended classroom and at the same time like a 'mela' where all people come to enjoy.

I have two suggestions :

Keep track of your own conversations and journals. Self correction is the best correction.

Try to read other people's journals and comment on it. It will increase your speed.

If you find any link you think is interesting and we should know about that or just enjoy, post the link here.

You all are talented and creative. Express your creativity and let us know about it.

I also welcome Salima, the new instructor in U of M.

Best wishes always,

Mandira


SASLI 2ND Year: Journal 5 Tanjina Shabu:“আমি, বর্ষা আর.....কদমফুল।”

আজকের জার্নাল লিখতে বসে আমার প্রথম জার্নালের কথা মনে পড়ছেকারন, আমাদের প্রথম জার্নালের ও কোন বিশেষ বিষয় ছিলো নাআজ কি নিয়ে লিখব কিছুই ভেবে দেখি নিযারা আমার জার্নাল পড়ছ, তারা জার্নাল পড়ে বিরক্ত হতে পারো, স্বভাবত যখন কোনো বিষয় ছাড়া আমি লিখতে বসি, তখন পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লিখে যেতে পারিআরেকটা সতর্কতা আমার এই লেখা বেশী ভালো হবে না, হয়তবা এত বেশি একাডেমিক স্টাইলের ও হবে না

বাইরে আজ খুব সুন্দর আবহাওয়াএকটু ঠান্ডা আবার একটু গরমও লাগছে গতকাল রাতে বৃষ্টি হওয়াতে আজ খুব ভালো লাগছে রবীন্দ্রনাথের একটি গান খুব মনে পড়ছে আমার, বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল করেছ দান এই গানটা আমার সবচেয়ে প্রিয় গান নয় বটে, কিন্তু বৃষ্টির সাথে এই গানের মিল আছেএই গানে কবি কদম ফুলের কথা বলেছেন, যা শুধু বর্ষাকালে বাংলাদেশে ফুটেবাংলার বর্ষা আর অ্যামেরিকান বর্ষার মাঝে তফাতটা অনেকবাংলাদেশ কিংবা কোলকাতার মত ম্যাডিসনে গরমকালে এত বেশী বৃষ্টি হয় না, যখন হয় তাও আবার একটুখানিএক পশলা বৃষ্টির জন্য সবার মন কেমন যেন করেবিশেষ করে বেশির ভাগ বাঙ্গালী বর্ষাকাল খুব ভালোবাসেবৃষ্টি থেকে অনেক কবি এবং লেখক কবিতা, গান লেখার উৎসাহ পানআবার সিনেমা এবং সাহিতে্য বুঝানো হয় যে, বর্ষাকাল প্রেমের সময়আমার ঠিক মনে নেই কিন্তু কোন একটা বইতে পড়েছিলাম যে, বর্ষাকালে নাকি প্রকৃতিও প্রেমে মগ্ন থাকেবর্ষাকালকে এত ভালোবাসার পর ও বছরের এই সময়ে হয়তবা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয় আমাদের দেশের মানুষদেরগতকাল কথা বছিলাম বাবার সঙ্গে, তিনি বললেন বাংলাদেশে নাকি বন্যায় সবকিছু ভেসে যাচ্ছেমন্দিরা দিদিও দিন বলছিলেন যে, কলকাতায় ও নাকি কয়েকদিন ধরে মুশল ধারে বৃষ্টি পড়ছেবৃষ্টিকে আমরা এত ভালোবাসি, কিন্তু বৃষ্টি কি আমাদের মনের কথা বুঝতে পারে? তাই তো বৃষ্টির কারণে লাখ লাখ মানুষ প্রাণ হারায়

বৃষ্টি নিয়ে অনেক লেখলাম, এখন ভাবছি আমার জীবনের একটা ছোট্ট অভিজ্ঞতা লিখবঠিক বৃষ্টি কিংবা বর্ষা নয়, কিন্তু পানির সাথে জড়িততখন আমার বয়স মাত্র ৬ বছরআমি স্কুল থেকে আসার পর প্রতে্যকদিন যখনি মায়ের কথা মনে হত,  আমার মায়ের স্কুলে চলে যেতামআমার মায়ের স্কুলটার পাশে পুকুর না ঠিক,  ছোট্ট একটা খালের মত ছিলখালের এপার থেকে ওপারে মানুষ সাকোঁ দিয়ে চলাফেরা করতএকদিন স্কুলে যাওয়ার পর আমাকে দুইজন মেয়েকে দিয়ে মা বাড়িতে পাঠিয়ে দেনমেয়েগুলো করল কি, সাকোঁর মাঝখানে গিয়ে আমাকে একজনের কোল থেকে আরেকজনের কোলে বদল করার জন্য ঝগড়া লেগে গেলহঠাৎ করে আমি ওদের একজনের কোল থেকে খালে পড়ে যাইপানির স্রোতে ভেসে যেতে থাকি আর শুধু চিৎকার করতে থাকি, তারপর আমার কিছুই মনে ছিল নাপরে যা মনে আছে তা হল, আমার মুখের উপর অনেকগুলো মানুষ তাকিয়ে আছেএকজন আমার পেটে অনেক চাপ দিচ্ছিল আর আমার মুখ দিয়ে ভকভক করে পানি বের হচ্ছিলআমার মা কান্নামুখে বলেছিলেন, কি...এখন কেমন লাগছে? আমি কি উত্তর দিয়েছিলাম মনে নেইআমার হাতে কয়েকটা টাকা ছিল আইসক্রিম কেনার জন্য, পানি থেকে ঊঠানোর পরে ও টাকাগুলো আমার হাতে ছিলআমার জ্ঞান আসার পর প্রথমেই আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, আমি কি মরে গিয়েছি?

 

আরেকটা অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখছি। এই অভিজ্ঞতা বর্ষা এবং বৃষ্টি দুটোর সাথেই খুব মিল। আমি সবসময় গ্রামে যাই না, কিন্তু উসব কিংবা কারোর  বিয়ের অনুষ্ঠানে বেড়াতে যাই। একবার আমার এক খালার বিয়ে হয় বর্ষা কালে। তখন খুব মজা হয়েছিল। নৌকো করে জামাই এসেছিল। বিয়ের দিন এত বৃষ্টি হল যে, সবাই ভালো জামা- কাপড় পরে বৃষ্টিতেই বেশী ভিজে গেল। আমার একজন বন্ধু তিনবার জামা বদলাতে হয়, কারণ সে বারবার পিছলে পরে জামা নষ্ট করে ফেলে। বউকে জামাইয়ের বাড়ি থেকে আনতে আমি আমার আত্মীয়দের সঙ্গে গিয়েছিলাম খালার শ্বশুর বাড়ি। কিন্তু আমার মা আমাকে প্রথমে দিতে চায়নি, কারণ অনেক দূরের পথ ছিলো এবং নৌকো করে যেতে হয়েছিল। আমি অনেকক্ষণ কাদাঁর পর আমাকে ওনিঁ দিতে রাজি হন। আমার নানা বাড়ি থেকে আমার খালার শ্বশুর বাড়িতে শুধুমাত্র নৌকো দিয়ে আসা-যাওয়া করা যায়। প্রথমে আমার খুব আনন্দ লেগেছিল, কিন্তু আস্তে আস্তে কি ভয়ানক অবস্থা!! নদীতে নৌকো বারবার শুধু নড়ছিল, মনে হচ্ছিল এই বুঝি কখন নৌকোটা ডুবে যাবে। আর নদীতে বিশাল ভয়ানক মাছের মত জন্তু দেখতে পেয়েছিলাম। আমার এখনো ওই অভিজ্ঞতার কথা মনে হলে গা শিরশির করে। তোমাদের গা শিরশির করা কোন অভিজ্ঞতা আছে  কি?         

এইসব অভিজ্ঞতা পড়ে তোমাদের নিশ্চয় মনে হয়েছে যে, এই মেয়েটা সবসময় অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখে কেন?? বেশ... আমি নিজেও জানি না, কিন্তু আমার অন্য কারো অভিজ্ঞতা শুনতে এবং নিজের অভিজ্ঞতা বলতে মাঝে মাঝে খুব ভালো লাগেএই সপ্তাহে আমার জীবনের একটি অন্যতম অভিজ্ঞতা হ্ল যে, আমি প্রথমবারের মত আমার বন্ধুদের সাথে থিয়েটারে ছবি দেখতে গিয়েছিএকটু অদ্ভূত, কিন্তু কি করে যেন কোন দিন আমার কোন দিন সময় হয়ে ঊঠেনিঅনেক পরিকল্পনা করেও অনেকবার যাওয়া হয়নি, কিন্তু এবার পরিকল্পনা না করেই হঠাৎ করে চলে গিয়েছি ছবি দেখতেআমার কিছু বন্ধু বলে আমি নাকি মাঝে-মধে্য অনেক বেশি পরিকল্পনা করিওদের কারো কারো ধারণা, মাঝে মাঝে পরিকল্পনা করেও অনেক কিছু সফল হয় না, কিন্তু পরিকল্পনা ছাড়া যা পাওয়া যায় তাই ভালোএই ধারণার মানে হল যে, আশ্চর্যের অভিজ্ঞতা পরিকল্পনার অভিজ্ঞতা থেকে খুবই মজারতোমাদের এ সম্পর্কে কি মনে হয়?? আসলেই কি পরিকল্পনা থেকে আশ্চর্যের অভিজ্ঞতা আমাদের বেশী আনন্দ দেয়? আমাদের জীবনে পরিকল্পনা ছাড়া কি সবকিছু পাওয়া সম্ভব?

 

rরিকল্পনা শব্দটা আমাদের জীবনে অনেক গুরুত্বপুর্ণকিন্তু জীবনকে ভালো করে বাঁচতে হলে, হয়তবা পrরিকল্পনা এবং অপrরিকল্পনা দুটোই থাকা দরকারএই যে আমি এখন জার্নাল লেখা শেষ করছি, আমার পরিকল্পনায় ছিলো না যে পরিকল্পনা সম্পর্কে শেষ করবোকিন্তু কি অদ্ভুত..... অপrরিকল্পনা!!

.


SASLI 2nd Year - Brian Heilman Journal 6 - ২৫ দিন, ২৫ ধারণা

২৫ দিন, ২৫ ধারণা

তোমরা জানো যে অামার লিখতে খুব ভালো লাগে, অার যে অামি অনেক কিছু লিখি ইন্টারনেটে (internet-এ)। অনেকবার কবিতা, গল্প, অার প্রবন্ধ লিখি, কিন্তু এসব অামার প্রিয় লেখা নয়। অামার প্রিয় অার জনপ্রিয়ই লেখা অামার তালিকা (lists)। ঠাট্টা করছি না! যখন অামার জিবনে খুব গুরুত্বপুর্ণ বদল অাসে, তখন অামি নতুন তালিকা লিখি। এবং অামার তালিকার সবসময় একই নাম অাছে: (কত) দিন, (কত) ধারণা। যেমন, যদি বদলটা এগার দিনের পরে, তাহলে তালিকার নাম ‘এগার দিন, এগার ধারণা’ হবে। বুঝেছো?

তালিকাগুলো অামার মনের পক্ষে খুব সুস্থ। মনে হয় যে বড় বড় বদলের অাগে সব লোককে ভালো করে চিন্তা করতে হবে। অনেক প্রশ্ন অাছে: বদল হবে কেন? নতুন জীবন সুরু করব কেন? অামি কী সুখী বা দুঃখী? কিন্তু সব তালিকাটা এত গম্ভির হবে না, কারণ জিবন অাসলে সবসময় গম্ভির নয়। জিবনের মুশকিল অার ঠাট্টা অাছে, অার অামার তালিকা একই। যদি মুশকিলের ভেতরে ঠাট্টা দেখতে না পারো, তাহলে তোমার সুখ কখনো হবে না। তোমরা কি অামার সঙ্গে একমত?

ঠিক অাছে। অাজ থেকে ২৫ দিন পরে, অামি ভারতে যাব। তাই, অামায় তালিকা লিখতে হবে। দুপুরে, ইংরেজি তালিকা লিখেছি, অার এখন অামি প্রথমবার বাংলা তালিকা লিখব। কিন্তু অনুবাদ করব না। নতুন ধারণা লিখব। অামি অাশা করি যে তোমরা সব বুঝতে পারবে অার পছন্দ করবে। সুরু করছি এখন!

১। অামি বাংলা ক্লাসের শেষের খুব কাছে। যদিও মনে হয় যে অামার ভ্রমণের জন‍্য তৈরী অামি, তবুও অামার একটু ভয় পায়। যদি অামি তাড়াতাড়ি বলি, তাহলে অনেক অনেক ভুল বলব। অার অাসল বাঙালী লোকের বাংলা সবসময় বুঝতে পারি না। অামি অারো অারো শব্দ দরকার, তাই না!? অাসছে সপ্তাহে, অামায় অনেক বাংলা সিনেমা দেখতে হবে অার তাড়াতাড়ি বাংলা শুনতে হবে।

২। কিন্তু গরমকাল অাসল ’ডুব’ ছিল, মনে হয়। প্রতিদিন অামি অাট ঘন্টার জন‍্য শুধু বাংলা বলেছি অার ভেবেছি। মনে হয় যে এখন অামি ডুবের পরে অামি মা দুর্গার মত অাসল বাড়িতে যাব, তাই না!? তাই অামার অাসলে দুই রকম ডুব ছিল: ভাষার ডুব অার প্রাণের ডুব। অামার নদি অার জল অাসলে বাংলা ভাষাটা!

৩। বড় প্রশ্ন ১। সত‍্যজিৎ রায়ের সব ছবির মধে‍্য, কোন ছবি সবচেয়ে ভালো? কেউ জানে?

৪। বড় প্রশ্ন ২। সব বাঙালী অভিনেতার মধে‍্য, কে সবচেয়ে সুন্দর?

৫। বড় প্রশ্ন ৩। অাসল সৌন্দর্য কি?

৬। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। রাণী কি অামায় বিয়ে করবে?

৭। অাসলে, রাণী অামার সবচেয়ে জোরালো প্রেম নয়। ভারত অার বাঙালী-দেশ অামার সবচেয়ে জোরালো প্রেম-ভালোবাসা। এটা ’পানীরি’ অামি জানি, কিন্তু ঠিক ঠাট্টা নয়। তিনবার অামি অামার অাসল পরিবারের বা বন্ধুর জীবন ফেলে গেছি অার ভারতে গেলাম। এটা একটু বাঙালী স্ত্রীর মত, তাই না? কিন্তু ভারত অামার নতুন সংসার অার স্বামী নেই (সাহরুখ ছাড়া)। এটা সত‍্য: অার একটা মহিলা ভালবাসি না। শুধু ভারত।

৮। কিন্তু ভারত অামাকে টাকা দেয় না, অারাম দেয় না, অার ভালবাসা দেয় না। প্রথম দু’বার অামার জীবন ভারতে কঠিন ছিল অার অারো কঠিন হবে এবার। অামি জানি না অামার নতুন ঘরের ইলেক্ট্রিক-ক্ষমতা (electricity) হবে কিনা। অামি জানি না কিরকম খাবার খাব, বা কিরকম কাজ করব। অসলে, কিছু জানি না। শুধু অামি ’কাত্না’ গ্রামে থাকব, অার স্কুলের কাজ করব। অামি এত অদ্ভুত বেড়ানো করব কেন?

৯। অনেকবার, যদি অভিজ্ঞতার অাগে সবকিছু জানি অামরা, তাহলে অামাদের মিথ‍্যা expectations হবে, তাই না? সবকিছু অামাদের মাথায় বারিয়ে যাবে, তাই না। তাই, অামি সুখে অাছি কারন অনেক সংবাদ নেই। এই ভাবে, অামি মন খুলে যেতে পারব। Disappointed হতে পারব না। তোমরা কি ভাবো?

১০। অামার নাম Anthony Gonsalves। অামার দুনিয়াতে একা-একই লাগে। অামি থাকি সৌন্দর্য রাজবাড়ি, প্রেম রাস্তায়, ঘর ৪২০।

১১। যদি সুন্দর মেয়ে তার পর্দা খুলে না, তাহলে অামার নাম অাকবার হবে না।

১২। অাসল প্রেমের ধারণা ১: সন্ধে‍্যবেলায় চীনাবাদাম খাওয়া কলকাতার রাস্তায়।

১৩। অাসল প্রেমের ধারণা ২: প্রতিদিন ঝাল মুড়ি খাওয়া কলকাতার রাস্তায়।

১৪। অাসল সৌন্দর্যের ধারণা ১: চকলেট জীবন নারকেলের সঙ্গে।

১৫। অাসল সৌন্দর্যের ধারণা ২: সৌমিত্র চট্টোপাধ‍্যায়।

১৬। জীবনের মানে ১: চকলেট-নারকেল-চীনাবাদামের ঝাল মুড়ি খেতে খেতে সৌমিত্র চট্টোপাধ‍্যায়ের কাছে কলকাতার রাস্তায় হঁাটা।

১৭। অামি যদিও অনেক মিথ‍্যা expectations না চাই, তবুও অামার কয়েকটা অাছে। অামি অাশা করি যে একবার গ্রামের নৌকা ব‍্যবহার করব, একজন বাউল গায়ক দেখব, অার সুন্দর জায়গায় থাকব, অার কয়েকটা। এসব কি এত বড়? অামিও অাশা করি যে অামার বাংলা খুব ভালো হয়ে যাবে। কিন্তু অামি ঠিক জানি না কেমন করে শিখব। অামার এখন শিখক/শিখিকা নেই, অার অমি জানি না অামার স্কুলে বাংলায় বলা উচিত কিনা (কারন ছাত্র-ছাত্রিদের ইংরেজি শোনা দরকার)। কেমন করে অারো ভাল হয়ে যাব অামি জানি না!

১৮। বড় প্রশ্ন ৪, ৫, ৬: নতুন বা পুরোনো? বন্ধ বা খোলা? বড় বা ছোটো?

১৯। যখন অামি ভারতে থাকি, তখন কোন কিছুর জন‍্য অামার মন কি কেমন করবে? হমমমমমমম। প্রথম, অামেরিকান ফুলবল। অামার প্রিয় দলের সবচেয়ে ভালো খেলোয়ার তার শেষ বছর খেলবে, অার অামি দেখতে পারব না। কি খারাপ অবস্থা! অার কি? দুই হাজার অাটের বসন্তকালে অামার অনেক বন্ধুর বিয়ে হবে। এসবে অামি যেতে পারব না। অার হ‍্যঁা, অামি অামার প্রিয় ঋতু, সরৎকাল, দেখব না। কিন্তু সরৎকালে দুর্গা অামার দুখ সহয‍্য করতে পারবে, তাই না!? যয় মা দুর্গা!

২০। অামার কি কি বলা দরকার যখন অামি প্রথমবার রানীর মা-বাবাকে দেখা করব? হমমমমমমম। ‘মা, সব অামেরিকান মেয়েরা একসঙ্গের চেয়ে, অাপনার মেয়ের একটা ছোটো অাঙ্গুলের বেশি সৌন্দর্যিক ক্ষমতা অাছে। অামি জানি অামার প্রাণে যে অাপনার মেয়ে প্রিথিবীর সবচেয়ে মুল‍্যবান হীরা, অার অাপনি সোর্বৎকৃষ্ট স্বামী চান। কিন্তু মুল‍্যবান হীরারও অাংটি দরকার - অার কি হীরাটা ধরতে পারবে? অামি জহরত নয়, কিন্তু অামি অাপনার মেয়ে ভালো করে ধরতে পারি। অামি নিশ্চয়ে অাপনার সোর্বৎকৃষ্ট অাংটি।’ ’বাবা, অামি জানি যে অামি সিনেমা নায়কের মত নয়। সিনেমার নায়কদের অনেক অনেক শক্ত পেশী অাছে। অামার কতশক্তি অাছে, কিন্তু এসব অামার হাতে বা পাতে থাকে না। অামার নায়কদের গায়ের মত শক্তি শুধু অামার হৃদয়ে থাকে। তাই, অাপনার মেয়ের পক্ষে কোন পেশী ভালো হবে: শক্ত গা বা শক্ত হৃদয়?’ কি ভাবো তোমরা?    

২১। বাঙালী পরিবার অামাকে পছন্দ করবে, তাই না!? অামি একটু বাংলা বলতে পারি, অামি রবীন্দ্রনাথের গান অার গল্প জানি, অামি সত‍্যজিৎের সিনেমার সম্বন্ধে বলতে পারি। অামিও জানি কেমন করে ধুতি পড়তে! অামিও বাঙালী গ্রামে থাকতে চাই! তারা কি ভাববে যে অামি শুধু অার একজন খারাপ অামেরিকান লোক!? এটা অসম্ভব, তাই না?

২২। বড় প্রশ্ন ৭: দেড়ি বা দেড়ি নেই? প্রতিবার ভারতে অামি দেড়ি রাখেছিলাম। এবার কি করব অামি জানি না।

২৩। অামার প্রিয় বাংলা শব্দ: পুকুর।

২৪। কখনো কখনো অসুবিধা সুবিধার চেয়ে বেশি ভালো, তাই না? কখনো কখনো কঠিন সরলের চেয়ে বেশি ভালো, তাই না? কখনো কখনো সহজ-সরল জীবন সুখী জীবন নয়, মনে হয়। অামিও মা হতে চাই, কারন অামি অামার ছেলেমেয়ের গপন জানতে চাই।

২৫। জীবনের মানে ২: কলকাতার কিস্টি দোকান।


SASLI 2nd Year - Tanjina Shabu Journal 5 “জীবন একটা রোলার কোস্টার”

জীবনের অনেকখানি পথ পাড়ি দিয়ে আজ মনে পড়ছে অনেক কথা। জীবন মানে কি? এই প্রশ্নটি আমার কাছে একটু জটিল । কারণ, জীবন সম্পর্কে আমি কখনো অতশত ভেবে দেখিনি। হয়তবা ভাবতে গিয়েও ভাবি নি, সবসময় শুধু ক্ষণিকের চিন্তায় বিভোর ছিলাম। জীবন নিয়ে ভাবতে শুরু করলেও ভেবেছি যে, এখনই যদি জীবন নিয়ে ভাবা শুরু করি তাহলে বুড়ো হয়ে গেলে কি করব? তখন তো কোনকিছু নিয়ে ভাবার বিষয় থাকবে না, তখন সময় কাটাব কি করে ?? কি অদ্ভূত আমার চিন্তা!! আমার জীবনের অর্থ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকমভাবে বদলিয়েছে। কিন্তু আমার জীবনের লক্ষ্য ছোটবেলা থেকে একরকম ছিলো। আমার এই এক টুকরো জীবনে অসংখ্য অভিজ্ঞতা আছে যেগুলো প্রতিনিয়ত আমার জীবনের লক্ষ্যকে আরো শক্ত করে তুলেছে। আমি চারদিকের পরিবেশকে যতই বদলাতে দেখেছি ততই নতুন করে কিছু শিখেছি।                     

এই জীবনে আমি জন্ম এবং মৃতু্্যকে অনেক কাছ থেকে দেখেছি। একটি নবজাতক শিশুকে জন্মের পর মৃতু্্যর কোলে ঢলে পড়তে দেখেছি। একটি আনন্দময় পরিবেশকে শোকের আধাঁরে ডুবে যেতে দেখেছি । নতুন অপরিচিত একজন মানুষকে আপন করে পরিবারে গ্রহণ করতে দেখেছি, আবার একই পরিবারে নিজের আপন মানুষকে পর হয়ে বিদায় নিতে দেখেছি। এসব অভিজ্ঞতা আমার জীবনের অংশ হয়ে গিয়েছে বটে কিন্তু জীবনের আসল মানে কি তা আমি এখনো বুঝে উঠতে পারি নি। আমার মনে হয়, জীবন সম্পর্কে এখনো আমার ধারণা নেই। আমি মনে করি বাইরের পৃথিবীটাকে এখনো আমি ভালো করে জানি না, হয়তবা এটা আমার জীবনের ব্যর্থতা, কিন্তু তারপরেও আমার মনে হয় বিধাতা যা করেন ভালোর জন্য করেন। কে জানে হয়তবা আমি এখন যতটুকু জানি তার থেকে বেশী জানলে কোন বিপদ হত?

আমি ভাবি যে, পৃথিবীতে প্রতে্যকটি মানুষের কাছে জীবনের অর্থ আলাদা। আমার জীবনের অর্থ যেমন সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বদলায়, তেমনি আমার মনে হয় প্রতে্যকটি মানুষ তার জীবনকে ভিন্ন সময়ে ভিন্ন অর্থে খুঁজে পায়। কোন কোন মানুষের জন্য এই সুন্দর পৃথিবীতে বেঁচে থাকার নামই জীবন। আবার কেউ কেউ শুধু বাঁচাটাকে জীবনের অর্থ মনে করে না, তারা জীবনে সুখ খুঁজে পাওয়াটাকে মনে করে জীবন। কিছু মানুষ মনে করেন অনেক টাকা- পয়সা এবং সম্পত্তির মালিক হতে পারলেই জীবনের আসল অর্থ খুঁজে পাওয়া সম্ভব।
গত তিন দিন ধরে ভাবতে ভাবতে জীবনের মানে সম্পর্কে এখন আমার ধারণা একটু হলেও বেড়েছে। আমি জীবনের মানে সম্পর্কে একটি পদ্য লিখলাম, যদিও আমি পেশাদার কবি নই কিন্তু চেষ্টা করে দেখছি !

একটি সুন্দর সকালের শুরু মানে জীবন
পাখির কলরবে যেমন সকালের বাতাস মুখরিত থাকে ,
তেমনি জীবনের প্রতিটি মুহুর্ত হাসি- কান্নায় ভরে থাকে।

প্রতিটি মুহুর্তটিকে আনন্দের সাথে কাটানোর মানে জীবন
জীবন তো মানুষের একটাই,
এক জনমে জীবনকে না ভোগ করলে
কি করে জীবনের সন্তুষ্টি পাওয়া যাবে?

আত্নসন্তুষ্টি লাভ করার মানে জীবন
র্মকে ভালোবাসার মানেই জীবন
স্রষ্টাকে ভালোবেসে প্রার্থনা করার মাঝেই জীবন।

সবরকমের যন্ত্রণাকে লাঘব করার মানে জীবন
সব দুঃখ কষ্টকে জয় করে
প্রতিটি বাধা- বিপত্তি পেরিয়ে বেচেঁ থাকার মাঝেই জীবন।

স্বাধীনতাভাবে বাচাঁই জীবন
নিজের ইচ্ছায় চলা এবং
অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াঁনোর মাঝেই জীবন।

আপনজনকে ভালোবাসাই জীবন
মা-বাবাকে শ্রদ্ধা করা,
তাঁদের মনের আশাকে পূরণ করা এবং
ভাই- বোন, আত্মীয়- স্বজনদের ভালোবেসে
ভালোবাসা অর্জন করাই জীবনের সবকিছু।

একে অপরকে সাহায্য করার মানে জীবন
হিংসা
, স্বার্থপরতা, অহংকার ভুলে গিয়ে
ঘৃণার
বদলে ভালোবাসাই জীবনের সবকিছু।

খাওয়া- দাওয়া এবং আরাম করার মানে জীবন
পোলাও, কোরমা, মিষ্টি খেয়ে
ছুটির দিনে আরাম করে ঘুমানো জীবন।

আবেগকে ধরে রাখতে পারা জীবন
কাউকে ভালোবেসে পাওয়ার আশা করা এবং 
শাহরুখ খান মানে জীবন।

জীবনের মানে খোঁজাটাই জীবন।

অনেক হল জীবন নিয়ে কথা-টথা। আর মাথায় কিছু ধরছে না। গত তিন দিন ধরে জীবনের মানে চিন্তা করতে করতে আমার চোখের নিচে এখন কাল দাগ হয়ে গেছে, হয়তবা এটাই জীবন??


SASLI 2nd Year - Brian Heilman Journal 5 - জীবনের মানে

বেশিরভাগ অামার মত জীবনের মানের বিষয়ে খুবই দুঃখবাদি হবে, কিন্তু অাজকে অামি সুখে অাছি। কী অাশ্চর্য অবস্থা! অামার জীবনে, সুখ বটে অদ্ভুত অতিথি। অামি অার দুঃখবাদের খুব জোরাল বন্ধুত্ব অাছে, কিন্তু অামার জন‍্য সুখ ঠিক বন্ধু নয় বলে, এখন অামি জানি না কি কি করব! এ বাবা! কি অপরিচিত অাবেগ!

অামি সুখে অাছি কেন? তুমি কি অামাকে এটা জিজ্ঞেস করতে চাও? অামিও তোমাকে এ প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করতে চাই। অামাদের কখনো সুখি হয় কেন? অানন্দ, দুঃখ, ভয়, ভালবাসা - এসব কোথায় থাকে? কন জায়গা পৃথিবীতের থেকে এসব এসে যায়? অনেক অনেক বড় প্রশ্ন অাছে, তাই না?

জীবন বটে জটিল অভিজ্ঞতা, অার প্রতিদিন নতুন ঝগড়া মনের অভিমানের সঙ্গে। কিন্তু অাজকে অামার মনে হয় যে সুখ এত জটিল নয়, এত কঠিন নয়। সুখ চিনতে পারা সবচেয়ে কঠিন ব‍্যপার। অামরা সুখ করতে হবে না - অামরা শুধু সুখ দেখতে পারতে হবে। সুখ অার সব অন‍্য অাবেগ সচসময় অামাদের কাছে অাছে, কিন্তু বেশিরভাগ অামরা এগুলো দেখতে পারি না। অামরা সবসময় এত স্বার্থপর - অামাদের চোখ শুধু অামাদের নিজের ব‍্যপারগুলো বা উদ্ধেগগুলো দেখে। যখন পুরোনো সমস‍্যা শেস করে, তখোন অামরা নতুন সমস‍্যা হসৃষ্টি করি।

অামরা কি জানি না যে হঁাতা, লেখাপড়া, বসা, অার সবকিছু সুখ হতে পারে? যে অামাদের বন্ধুরা সুন্দর উপহার? প্রতিদিন নতুন অভিজ্ঞতা, প্রতিঘন্টা নতুন পাঠ, প্রতিমিনিট নতুন সুখ। সত‍্য! অামি, দুঃখবাদি রাজা, ঠাট্টা করছি না! অামি অাজকে দেখতে পারি যে অামান মনের সমস‍্যা দেখতে অার উদ্ধিগ্ন করতে ভালবাসে। অার অনেক লোক অামার মত। কিন্তু কেন?

সব লোক প্রতিদিন এ কিছুগুলো (নিচে দেখো) করতে পারে। অার যদি করে, তাহলে তার সুখি হবে:

- বন্ধুর সঙ্গে গল্প করা
- রাস্তায় নাচ-গান করা
- হ্রদে লাফিয়ে দেওয়া
- তার প্রিয় কথা লেখাপড়া
- কবিতা লেখা
- ঘুমোনো
- বাচ্চার সঙ্গে খেলা
- সুন্দর ছেলে/মেয়ের সঙ্গে কথা বলা

অার লাখ লাখ কিছু। এসব শুধু অামার প্রথম দুই মিনিটের ধারনা। অার এসব খুব কঠিন নয়। কেন ভয় পাবে? সুখিজীবন একদম সরল-সহজ।

অামি অতু‍্যক্তি করতে চাই না। অামিও জানি যে প্রতিমিনিট একদম সুখি হবে না, হতে পারবে না। কিন্তু এটা অামার বড় ধারনা: যদি অামরা সুখের জন‍্য দেখি, তাহলে অামরা জানতে পারবে যে অামাদের চিনটা করার চেয়ে, জীবনের বেশি সুখ অাছে। যে কি অামরা দেখতে চাই, সে অামরা দেখব। তাই, সুখের জন‍্য দেখবে না কেন? ওটা জীবনের মানে।

অামার প্রথম পানীরি বাংলা Motivational কবিতা:

সুখিজীবন

বাচ্চারবেলার খুশির জন‍্য অামার মন তো কেমন করে;
কিন্তু অামাদেরকে অন‍্য কিছু না তো বলতে হবে।

যখন শুনি, তখন শিখব: প্রতিবন্ধু বটে গুরু;
যদি চাই, হতে পারব: অাজকে নতুন জীবন সুরু।

পৃথিবীতা বড়ো জায়গা, কিন্তু অাবেগ ছোটো ছোটো;
সর্বশ্রেষ্ঠ অনুভূতির অভিজ্ঞতা কত কত।

রাগ অার কষ্ট ফেলে দাও, সুখ অার খুশি রাখো হাতে;
অন‍্য কিছু দেখব কেন, শুধু সুখি দিন অার রাতে!

I’ll bring a printed copy to class again.  Thanks for reading.


SASLI 2nd Year - Brian Heilman Journal 4 - চারুু

সত‍্যজিৎ রায় সবসময় বলতেন যে ’চারুলতা’ তাঁর প্রিয় সিনেমা। উনিও বলতেন যে উনি কখনো সিনেমাটা বদলে হতে চেয়েছিলেন না। অামার মনেও হয় যে ’চারুলতা’ খুব সুন্দর সিনেমা। হয়তো অামার প্রিয় সত‍্যজিৎের সব সিনেমার। কিন্তু ক্লাসে অামার অনেক সমস‍্যা ছিল কখন অামরা চারুলতার কথা বললাম। অামার অাবেগ চারু চরিত্রর বিষয়ে অার কারোর অাবেগ খুব অালাদা ছিল। এসব অামাকে খুব বিস্ময় করলাম অার ও দিনের পরে অামি এ কথার বিষয়ে অারো ভাবলাম। সব লোক বটে একই অাবেগ বা মত হওয়া উচিত না। যখন সব লোক অালাদা মত দিয়ে দেয়, তখন সবচেয়ে ভাল শেখা হবে। এটা অামি বটে বিশ্বাস করি। কিন্তু ও দিন অামি প্রথমবার উপলব্ধি করলাম যে অালাদা সংস্কৃতিতে অালাদা রকমের মত হবে। অামি এখন উপলব্ধি করি যে প্রতি সংস্কৃতির তার নিজের assumptions হবে কখন লোক নতুন সিনেমা/বই/কবিতা/অনো কিছু দেখা/পড়া হবে। প্রতি সংস্কৃতির নিজের অভিজ্ঞতা থেকে এ assumptionগুলো হবে।

অামি এটা শিখলাম চারুলতার দুটো বিষয় থেকে। প্রথম তার গল্প অার দ্বিতীয় তার সময়। ও দিন ক্লাসে অামি শিখলাম যে এ ছবিটা রবিন্দ্রনাথের গল্প থেকে ছিল। সত‍্যজিৎের সিনেমা অার রবিন্দ্রনাথের গল্পের মধে‍্য একটু গুরুত্বপুর্ন টফাত অাছে, কিন্তু বাঙালী দর্শক রবিন্দ্রনাথের গল্প বটে জানবেন। অার তখন বাঙালী দর্শক এ ছবিটা দেখেন, তখন রবিন্দ্রনাথের গল্প তাঁদের মনে পড়বে। অনো দর্শক রবিন্দ্রনাথের কথা বটে ভাববে না। রবিন্দ্রনাথের গল্প, রামায়ানের গল্প, মাহাভারতের গল্প, অার অনো কিছু খুবই গুরুত্বপুর্ন বাঙালী লোকের জন‍্য। কিন্তু বেশিরভাগ অনো লোক এ গল্পোগুলো জানে না। অামি একটু রবিন্দ্রনাথের অার এপিক-এর গল্প জানি, কিন্তু সব না! এ রবিন্দ্রনাথ গল্প অামি জানতাম না।

ক্লাসের পরে, অামি অামেরিকার গল্পের কথা ভাবলাম। প্রথমবার, অামি উপলব্ধি করতাম যে বাঙালী লোক হয়তো খ্রিস্টান গল্প, অামেরিকান ইতিহাসের গল্প, অার অনো কিছু জানবে না। তাই, বাঙালী লোক অনেক প্রতিক, ঠাট্টা, অার গল্প বুঝতে পারবে না অামাদের সিনেমা/বই/কবিতায়। এ সহজ কথা, অামি জানি, কিন্তু গুরুত্বপুর্নই। যদিও অামরা একজন-অারএকজন বুঝতে চাই, তবুও পারব না কারণ অামার অনেক অালাদা সংস্কৃতির গল্প অাছে।

দ্বিতীয়, চারুলতার সময় অামার জন‍্য গুরুত্বপুর্ন ছিল। যদিও রবিন্দ্রনাথের গল্প ঊনিশ শতাব্দীতের বিষয়ে ছিল, তবুও সিনেমাটা প্রথমবার দেখিয়েছিল ১৯৬৪তে। অার সত‍্যজিৎ তার নিজের দর্শকের পক্ষে সিনেমা করল, তার নিজের সময়ে। অামেরিকাতে, অামাদের সংস্কৃতি অনেক বড়ো বদলে হচ্চিল ১৯৬০sতে। অামাদের civil rights movement, feminist movement, ভিয়েটনামের লড়াই, অার অনো কিছু সংস্কৃতিতে অনেক বদল হয়েছিল। যখন একজন অামেরিকান ১৯৬০s-এর সিনেমা দেখে, তখন সে সবসময় এ কথাগুলোর ভাববে: বদল, প্রতিবাদ, মহিলা অার minorities’ নতুন সক্তি, অার অরো কিছু। বাঙালী লোক বটে অালাদা কিছু কথা ভাববে যখন ’চারুলতা’ দেখে।

এটা অামার বড়ো ধারণা: যখন একজন লোক সিনেমা দেখে বা বই পড়ে, তখন সে তার নিজের সংস্কৃতির গল্প অার ইতিহাস মনে পড়ব। তাই, যখন অামি প্রথম অার দ্বিতীয়বার ’চারুলতা’ দেখলাম, অামি একটু অামেরিকার গল্প অার ইতিহাস ব‍্যাবহার করলাম। এ অভিজ্ঞতার পরে, অামি এসব ভুলব, অার বেশিরভাগ বাঙালী গল্প অার ইতিহাস মনে রাখব। অামার জন‍্য বাঙালী গল্প অার ইতিহাস খুব বিশেষ, তাই অামার সমস‍্যা হবে না।

তোমরা কি ভাবো? যখন একজন লোক নতুন ভাষা শিখে, তখন তার কি ভাষাটার গল্প অার ইতিহাস শেখা দরকার? তার কি তার নিজের গল্প অার ইতিহাস ভোলা দরকার? সবসময়, বেশিরভাগ, বা কখনো নয়?

সংস্কৃতি শুধু ভাষা নয়। অার ভাষা শুধু সব্দ নয়। এসব খুবই কঠিন বা‍্যপার, কিন্তু এ সমস‍্যাগুলো না থাকতে, অামার মজাও থাকবে না!


SASLI 2nd Year: Journal 4 Tanjina: ‘চারুলতা এবং নিঃসঙ্গতা’

এই পৃথিবীতে বিধাতার সকল সৃষ্টির মধে্য অন্যতম সৃষ্টি হলো মানব এবং মানবীমানব এবং মানবী দুই প্রজাতির মানুষ, কিন্তু তারপরেও এদের মাঝে অনেক কিছুই এক রকমশারিরীক গঠন এক রকম না হলেও, পুরুষ এবং নারী সবার আবেগ আছেআবেগ কে কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে নাচারুলতা ছবিটিতে চারু চরিত্রটি স্পষ্টভাবে মহিলাদের আবেগকে ফুটিয়ে তুলেছে চারুলতা ছবিটিতে আমার চারু চরিত্রটিকে সবচেয়ে বেশি ইন্টারেস্টিং মনে হয়েছেছবিটি আমি যতবার দেখেছি ততবার চারুকে নতুনভাবে আবিষ্কার করতে পেয়েছিচারু একজন নারীর কত ধরনের রূপ হতে পারে তা তুলে ধরেছে। 

চারু দেখতে খুব সুন্দরী একজন মহিলাশারীরিক সৌন্দর্ত ছাড়াও একজন নারীর অন্য বৈশিষ্ট্য থাকে, আর তা হ্ল তার মন চারুর শারীরিক সৌন্দর্ত সহজেই বুঝা যায় কিন্তু তার মনের আবেগকে বুঝা অনেক কঠিনচারুর চোখগুলো টানা টানা এবং বড় সুন্দর ছিলোকিন্তু সতি্য বলতে চারুর চোখগুলো সবচেয়ে রহস্যময় ছিলো, তার চোখের পেছনে অনেক আবেগ লুকোনো ছিলোচারুর চোখ দেখে দর্শকরা তার মনের আবেগ সম্পর্কে অনেক কিছু বুঝতে পেরেছে যেমনঃ যখন চারু খুশি হত তার চোখদুটি আনন্দে চকমক করত, যখন সে কারোর উপর রেগে যেত তার চোখ দুটি বড় হয়ে যেত, আবার যখন চারু খুব কষ্ট পেত তার চোখ দিয়ে জল আসতশুধু চোখই নয় একজন স্বাভাবিক মানুষের মত চারুর মুখের ভাব দেখেও দর্শকরা বুঝতে পেরেছে চারুর ভিতরের মনোভাবছবির একটি দৃশে্য চারু দোলনায় দোল খেতে খেতে যখন গান গাইছিল ফুলে ফুলে ঢলে ঢলে... সে হাসছিল, তার মুখে আনন্দের ভাব ছিলোহঠাৎ করে চারুর মুখ কালো হয়ে আসে গানের একটা লাইন গাওয়ার সময়- কি যেন কিসেরো লাগি প্রাণ করে হায় হায়চারু এই লাইনটি গাওয়া শেষ না করেই চুপ হয়ে থাকে, তারপর সে অমলের দিকে তাকাতে থাকে এবং কিছুক্ষণ পরে মৃদু হাসেএই হাসি খুবই রহস্যময়ী যার আসল অর্থ খুঁজে পাওয়া কঠিন। চারুর মুখের ভাবের পরিবর্তন দেখে বুঝা যায় যে তার মন পরিবর্তনশীল

চারুর মনের পাশাপাশি তার ব্যাক্তিত ও দুই ধরনের। চারু অমলকে পছন্দ করে, সে চায় অমল ও তাকে পছন্দ করুক, কিন্তু অমলের সাথে সে রাগ দেখায়।  অমলের জন্য সে জুতা বানায়, কিন্তু সে অমলের সাথে কথা বলতে চায় না যখন অমল কুলফি নিয়ে আসে। আবার চারু জানে যে, অমলের সাথে তার কখনো মিল হবে না তারপরও সে অমলকে ধরে রাখতে চায়। যেমনঃ অমলের দাদা যখন বিয়ের প্রস্তাবের কথা বলে, চারু প্রথম দিকে অমলকে চাপ দেয় বিয়ে করার জন্য, কিন্তু যখনি শুনে অমল বিয়ে করলে লন্ডন চলে যাবে তখন সে চায় অমল বিয়ে না করুক। অমল বিয়েতে রাজী না হওয়ায় চারু খুশি হয়। অন্যদিকে, অমলের কথামত সে প্রথমে লিখতে চায় না, কিন্তু পরে সে ঠিকই তার লেখা কাগজে পাঠায়। চারুর মনের যে কি অবস্থা!

 চারু এই ছবিতে একটি সমালোচিত চরিত্র, কারন তার ভিতরে হিংসা এবং স্বার্থপরতা দুটোই আছেচারুর হিংসে স্পষ্টভাবে দেখা যায় যখন সে শুনে যে অমলের লেখা কাগজে ছাপা হয়েছে, তাও আবার তার ইচ্ছেয় নয়, মন্দার ইচ্ছের কাগজে। অমল যখন তার লেখা দেখাতে চারুর কাছে নিয়ে আসে সে দরজা বন্ধ করে রাখে, যদিও সে জানত না অমল তার বানানো খাতা থেকে লেখাটি পাঠিয়েছে নাকি অন্য খাতা থেকে। চারুর স্বার্থপরতা দর্শকরা দেখতে পায় যখন সে অমলকে চায় শুধু তার কথা বলার জন্য। ছবির এক দৃশে্য অমল বিলেত প্রসঙ্গে বলতে থাকে যে, প্রথমে বর্ধমান, তারপর বিয়ে, তারপর বিলেত, তারপর বঙ্কীম। কিন্তু চারু জানতে চায়, বৌঠান কখন? 

 চারু একটু অদ্ভুত ধরনের মহিলা। চারু হঠাৎ করে এমন কিছু অদ্ভুত ধরনের কান্ড করে বসে যে তার কোন বিশ্লেষণ দেওয়া সম্ভব না। যেমনঃ চারু যখন তার কাগজের লেখা দেখাতে আসে সে শুধু শুধু অমলকে খাতা দিয়ে পিছন থেকে মারে, তারপর পানের কৌটো থেকে সব পান ফেলে দিয়ে আবার নতুন করে পান বানায়। শুধু তাই নয়, চারু অমলের মুখে জোর করে পানটা ঢুকিয়ে দেয় এবং সে অমলকে ধরে কাঁদতে শুরু করে। আবার একটু কান্না-কাটি করে বলে, ওমা আমি জামাটা ভিজিয়ে ফেললাম। ছবির একটু শেষের দিকে আবার সে অমলকে ধরে কান্না করে এবং বলতে থাকে, আমাকে ছেড়ে যে ও না...। যদিও সে জানে যে, তার স্বামী বাড়ি চলে এসেছে এবং অমল তখন শুধু দরজা খোলার জন্য যাচ্ছিল। আমার মনে হয়, চারুর এসব অদ্ভূত ব্যবহার এবং ন্যাকামী দেখে অমল ভয়ে পালিয়ে গেছে। 

একজন নারী কত নামেই না পরিচিতি পায়ঃ মা, কন্যা, বোন, স্ত্রী, শ্বাশুড়ি, ননদ ইত্যাদি কিন্তু তার আবেগের পরিবর্তন কতটুকুই বা হয়? একটা ছোট্ট মেয়ে যেমন তার পছন্দের পুতুলটি ভেঙ্গে গেলে কষ্ট পায় তেমনি একজন মা তার শিশুর স্বাস্থ্য নষ্ট হয়ে গেলে কষ্ট পায়চারু ও কষ্ট পায় যখন তার পছন্দের মানুষ, অমল তাকে ছেড়ে চলে যায়চারুর সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয় যখন সে দেখে অমল তার বানানো জুতো জোড়া ফেলে রেখে গেছে। 

যদিও চারু চরিত্রটিকে নারীর একটি কলঙ্কিত এবং অসতী রূপে দেখানো হয়েছে, এখানে চারু সম্পুর্ণ দোষী নয়। চারু নিঃসঙ্গতার কারনে তার আবেগকে ধরে রাখতে পারে নি। চারুর নিঃসঙ্গতাকে অমল কিছুদিনের জন্য দূর করতে পেরেছিল বলে চারু চেয়েছিল অমলকে সবসময় তার কাছে রেখে দিতে। যদিও চারু তার স্বামী, ভূপতিকে কষ্ট দিতে চায় নি, কিন্তু ভূপতির কষ্ট পাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু ছিলো না যখন সে চারু আর অমলের কথা জানত পারল। চারুলতা ছবিটিতে একটি বিষয়বস্তু প্রমাণিত হলো যে, প্রতে্যকটি চরিত্র তার নিজের আবেগকে দূরে সরিয়ে রাখতে চেয়েছিল এবং আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করাটা সবচেয়ে কঠিন ছিলো।