https://www.verbling.com/find-teachers?price%5B%5D=5&price%5B%5D=80&sort=magic&language=bn

Entries categorized "Second Year" Feed

Reunion was in fate ,2016

My beloved  SASLI students ( 2015) and me in Park Street.

From left : Mandira, Scott, Calynn and Sarita

Note to me: They have grown up. Their Bangla have become fluent, mature and accurate. This is a grandmother- type moment, full of bliss and contentment.

20160918_180233

 

University of Chicago Bangla gang (missing Jahnabi in the picture) in Kolkata, summer, 2016

Thomas, Mandira and Eduardo in Park street metro station. 

Note: Oh my god, I am missing teaching them. They learned so much Bangla in one summer in Kolkata. Moment of bliss continued. 

 

 

20160727_205516



Great Dictionary and Bangla Audio Short Stories

The dictionary from Bangla Academy in Dhaka is MUCH better than many of those we all have. CLEARLY PRINTED and good typography--mane EASY TO READ ! Plus many more words in common usage.(Sorry, I get overexcited about dictionaries)

BANGLA ACADEMY BENGALI-ENGLISH DICTIONARY, Bangla Academy, Dhaka. ISBN 984-07-4660-X Email: bacademy@citechco.net

AUDIO DOWNLOAD classic BENGALI SHORT STORIES (Bengali)Podcasts by Gaurav Das. Very well done and enjoyable: http://www.podbean.com/podcast-detail?pid=42028

OTHER PODCASTS of Bengali SHORT STORIES: http://www.podbean.com/search?k=tag&v=bengali

Audio Dictionary:

(incomplete but still interesting)

Navakumarer Pratham Journal

একটা প্রেমের চিঠি

প্রিয় যাই যাই বোল না! তোমার কী সমস্যা? কেন আমাকে ছেড়ে যেতে চাইচ্ছ? আমি যেমন কি করলাম? ঠিক করে দেখা-শোনা করি নি তোমাকে? নহিলে তোমার মনে হল আমার যতেষ্ট প্রেম নেই?

না, হতে পারে না। তুমি আমার জীবনে আসার থেকে আমার মনে অন্য কিছু নেই। পরিবার কাজ নিজের ইচ্ছা সব ভুলে আমি সবসময় তোমার কথাই ভেবেছি। সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত তোমার সাথে থাকাই আমার ইচ্ছা ছিল। প্রেম দেখানোতে আমি কিছু বাকি ছাড়ি নি।

তাহলে কী হল? কী করেছি? অন্য কেউ আছে? না, আবশ্যই না। ওরকম কিছু নেই। তুমি ওধরনের মানুস নও। ভুলভাবে কিছু কর না।

মনে হচ্ছে তোমার পক্ষে প্রেমই নেই। এক দিন তোমার মন হল যে তোমার আমার উপর আর প্রেম নেই। সেটার চেয়ে বড়ভাবে কিছু নেই। ঠিক আছে। তোমার জন্য অনেকজন আছে, চিনির জন্য পিপ্রা আসবার মত তারা আস্তই আসবে। আমার জন্য কে আছে? একলা থাকতে থাকতে জীবন কাটান হয়ে যাবে। সেটাই ছেড়ে যেতে ভালো কারণ, মনে হচ্ছে।


ঘুমন্ত রাজকন্যা - সুপ্রিয়া


অনেক দিন আগে, এক রাজা আর রানি ছিল যারা এক বাচ্চা চাইছিল। কিন্থু ওদের কখনো বাচ্চা হয়নি।

এক দিন যখন রানি স্নান করছিল, এক বাং জল থেকে ঝাঁপিয়েছে আর বলেহে, তোমাকে বর দিচ্ছি, আর এক বছরের মধে তোমার এক মেয়ে হবে।

যেটা বং বলেছে, সেটা হয়েছে, আর রানির এক মেয়ে হয়েছে। রাজা খুব খুশি হয়েছেন আর ভোজ দিয়েছেন। সবাইকে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে। রাজাও তের জন পরীকে ডেকেছে। কিন্থু শুধু বারোটা সোনার থালা ছিল। সব পরী মেয়েকে কিছু বর দিয়েছে একজন সুমতি দিয়েছে, একজন সৌন্দয দিয়েছে। কিন্থু যখন এগারো জন পরী বর দিয়েছে, তের নম্বর পরী এসেছে আর সে প্রতিশোধ নিতে চাইছিল।


সে বলেছে, যখন রাজকুমারীর পনের বয়স হয়ে যাবে, চরকয়ে আঙুল ফুটে যবে। তারপর, ও মরে যাবে। তারপর পরী চলে গেছে।  

সবাই চুপচাপ হয়ে গেছে, কিনন্তু বারো নম্বর পরী তারপর আর একটা বর দিয়েছেরাজকুমারী মরে যাবে না, শুধু ১০০ বছরের জন্য ঘুমিয়ে থাকবে।

অনেক বছর পরে, রাজকুমারীর ১৫ বছর হয়েছে। ও প্রাসাদে এক চরকা খুঁজে পেয়েছে, আঙুলটা ফুটে গেছে, আর ঘুমিয়ে পড়েছে। কিন্থু শুধু রাজকুমারী শুয়ে পড়েনি। সবাইরাজা, রানি, চাকররা, কাজের মেয়েরা, ঘোড়া, আর পায়রাসব ঘুমিয়ে পড়েছে। 

বাইরে, এক বড় ঝোপ হয়েছে। দেশের সব রাজকুমার চলে এসেছে আর অভিশাপ ভাঙতে চেষটা করেছে, কিন্তু ঝোপের মধে কাঁটা লেগে গেছে আর মরে গেছে।


তারপর এক দিন, এক খুব ভালো রাজকুমার ঝোপে এসেছে। হটাৎ করে, সব কাঁটা থেকে ফুল ফুটেছে, আর ঝোপটা সরেছে রাজকুমারের জন্য। ও ভিতরে গেছে আর রাজকুমারিকে খুজে পেয়েছে। রাজকুমারি চোখ খুলেছে আর হেসেছে।


তারপর প্রাসাদের মধে সবাই ঘুম থেকে উটেছে। রাজা, রানি, চাকরা, কাজের মেয়ে, ঘোড়া, আর পায়রা সব চোখ খুলেছে। রাজকুমার আর রাজকুমারী বিয়ে করেছে, আর সবাই ভালো থেকেছে।




Extra Credit Journal

আমি অনেক কিছউ করতে ছাই আমার জাওার আগে। আমি ছাই যে আমি শব খাবারের জাইগাতে ছেস্তা করি, বন্ধুর শাতে "Arb" গুরি, Michigan Theatre চিনেমা দেখা, পুরন বন্ধুর শাতে দেখা করা। এ রখম আমার অনেক ইছা আছে। আমার আর কই আক দিন বাকি রএছে, আর আমি বন্ধুর শাতে নধির মদে নকা দেই ছলতে ছাই, আর পিকনিক করতে ছাই। আমি কালকে দালাই লামার কথা সুনিছি। তার কথা সুন্নার পরে তার উপর আমার অনেক শমান আছে। উনি খুব ভাল মানুস আর অনধের জনে অ কিছু বদলাই না। জামন, শে শবার শাম্নে লাল কাপর পরে ছিল আর পাএ কন জুত ছিল না, খালি ছাপাল ছিল। আমি খুব কুশি যে উনার কথা আমি সুন্তে পেরেছি। হাল্লে অনেক ছিনেসে মানুস রাগ করতে ছিল কারন তিবেতের বাএপার নেয়া। কিন্তু দালাই লামা কন দিন বলাই নাই যে অল্যম্পিচস ছিনাতে না হতে, শে কালি বলেছে যে তিবেতকে ছেরে দিতে। মানুস কান আত ফসাত করে??


Adil's Final Journals 7-10

Journal 7

আমার গরুম কাল বেশ ভাল লাগে। গরুমে দিনে বাইরে খেলা জাই আর শাদারন্ত এসচুল ছুতি থাকে। গরুম কাল দিনে আমি অনেক জাইগাই গুরি। ছার বরছ আগে আমি স্পাইন আর মরক্ক তে আমার পরিবার শাতে গেয়েছিলাম। পরের সুম্মারতে আমি নিউ ইয়রকে আমার ভাই আর বন কে দেক্তে গেয়াছি। তার পরের সুম্মার আমি সউথ আফ্রিচা আর গেরমান্যতে গুরেছি। আমি প্রাই ছার মাশ সউথ আফ্রিচাতে ছিলাম আর আমি দুরবানে থেকেছি। আমি বেশ ভাল লেগেছি সউথ আফ্রিচা, অনেক কিছু করার ছিল আর মানুস খুব ভাল ছিল। তার পরের সুম্মারে আমি মেডিকেল পরিক্কা জনে পরেছি আর আমার বাস্তি, সফিয়াকে দেকেছি চলরাদতে। আমি সফিয়া কথা আগে জউরনালে লেখেছি। এয় সুম্মার আমি ইছা আছে। আমি আমার চল্লেগের বন্ধুর শাতে ঘুরতে ছাই, চেদার পইন্তে, ণেও য়রক আর অন শহর। এয় বন্ধুগুলর শাতে আর বেশে দেখা না হতে পারে আর তার জনে আমি এয় সুম্মার তাধের শাতে কাতাইতে ছাই।

 

Journal 8

আমার খুব লাগছে গে এতা মিছিগানের শেশ বেঙ্গালি ক্লাস। আমি ছিন্তাই করতে পারি নাই যে আমি কলেজ উতাই আমি বাংলা পরার বেবস্তা পাব। আমার মনে আছে যে আমি খুব গরব করে আমার বন্ধুকে বলতাম যে আমার উনিভেরসিত্যতে বাংলা পরাই। আমি প্রতম চলাসসে ছিলাম আর আমি শেশের চলাসসে ছিলাম। অনেক মানুশ কশ্ত করে উনিভেরসিত্যতেকে রাজি করাইছে বাঙ্গালি পরাইতে, কিন্তু আকন আর তাকা আশ্তেছে না আর ইউনিভার্সিটি বাংলা ক্লাস বন্ধ করবে। এতা খুব দুখিত কথা, বাঙ্গালি পুর প্রেতিবেথের মদে ৬ না ৭ শবছে বেশি বর বাশা (http://en.wikipedia.org/wiki/Bengali_language)। বাংলাদেশের অনেক উপকার দরকার আর শাত্র জুদি জেতে পারে খুব ভাল হত। প্রাই শাত্র আফ্রিচাতে জাই কিন্তু বাংলাদেশের কথা কাও জানাই না। আমাধের ইউনিভার্সিটি বেশ নাম করা কিন্তু তারা যদি বাঙ্গালি পরাইতে পারে না এতা খুব কারাপ হবে। আমি জানি যে আমার খুব উপকার হএছি বাংলা নাওার পর। ডনবাদ মান্দিরা আর লুচ্য আউন্ত্য।

 

Journal 9

আমি আয় বছরে গ্রাদুয়াতে করছি ইউনিভার্সিটি থেকে। আমার ভাল লাগে যে আমার আর এরকম কাজ আর থাকবে না কিন্তু থাও আমার কারাপ লাগে যে আয় রকম আর শমই জিবনে হবে না। আমাধের বেশি কতিন জিনেশের ছিন্তা নাই, বাছার, বিল্ল, গারি, ঘাস কাতা। আমাধের ছিন্তা যে আমারা কে পরব আর কাম্নি মজা করব। আমার শব বন্ধু পাসসের আপারত্মেন্তে থাকবে না, আমার আসল কাজ থাকবে আর রজকার করা লাগবে। প্রাই মানুশ বলে যে এয় ছার বরছ পুর জিবনের শবছে ভাল, আর আমার ছার বরছর শেশ হবে ছার দিনের মদ্দে। এয় দিখে ছিন্তা করলে অবশই কারাপ লাগবে কিন্তু ইউনিভার্সিটি শেশ করার পরে নিসছই ভাল কিছু আছে। আমার পরের জউরনাল এয় নেই কথা বলবে।

 

Journal 10

ইউনিভার্সিটি শেশ করলে নিসছই অনেক ভাল জিনেশ আছে। এর পরে তুমি তমার প্রিও কাজ না পরা করতে পার। আমার অনেক বন্ধুছাকরি সুর করবে আর তাহলে তাদের নেইজের রজগার তাকবে আর তারা জা খুশি কিনতে পারবে, নেইজের তাকা দেই। তারপর, অনেক বন্ধু নুতুন নুতুন সহরে জাচ্ছে, কেও নিউ ইয়রকে, কেও মিছিগান অন চিতিতে, কেও দুবাই আর কেও বাংলাদেশ (আমি)। আমার জনে, দাক্তারি পরতে, অনেক বরছ লাগে আর এতা আমার ভাল লাগে না, কিন্তু আকন ছিন্তা করা জাই গে আমার প্রাই আধাতুক এশে গেয়াছি। আর আক্তা ভাল জিনেশ যে মানুশ আকন তমাকে পাত্তা দিবে কারন তুমি ইউনিভার্সিটি গ্রাদুয়াতে। আমি জানি না যে এতা ভাল না কারাপ কিন্তু আকন অনেক মানুশ বেয়া করে না হলে আক্তা ভাল মায়/ছেলে শাতে থাকে। আকন আমি এয় গুল জিনেশ ছিন্তা করতে পারি যে ভাল হবে গ্রাদুয়াতিওনের পরে, আশা করি যে আর ভাল জিনেশ কুজে পাব ধীরে ধীরে।


three brief final thoughts (sourav's journal entries 11-13)

১১ - চাকরী করা

চাকরী করা একদম কোনো মজা না প্রত্যেক দিন একি জিনিস করে করে ক্লান্ত না হওয়া অসম্ভব| নিজে যা করার ইচ্ছে তা করা যায় না, যা নেতা বলে ঠিক তাই করতে হয় যেই মুখ থেকে কথা বেরয় সেই মানতে হয়, যতই নির্বোধ হক ছা বছর চাকরী করে দেখলাম যে চাকরীর থেকে পড়াশোনা করা অনেক মজার, তাই আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে এলাম

 

১২ - দেশভ্রমন

আমাদের দেশে পঞ্চাশটা প্রদেশ আছে সেই পঞ্চাস্টা প্রদেশের ভিতরে আমি বোধ হয় গটা চল্লিশটাই গিয়েছি এই দেশে অনেক সত্যি দেখার মতন সুন্দর জায়গা প্রচুর আছে কিন্তু বাড়ি করার জন্যে শুধু কয়েকটা ভালো জায়গা আছে আমাদের খইরি চাম্রার মানুষের জন্যে এখনও এই দেশের সাদা লক আমাদেরকে বিদেশি মনে করে এবং অপছন্দ করে তাই অনেক জায়গা আছে যে গিয়ে ঘুরে আসা বেশ মজা কিন্তু বেশি দিন থাকতে হলে কোনো মজা না

 

১৩ - ভোট

কখনো মনে হয় যে সাব গুন্ডাগুলই এক রকমের কিন্তু আমাদের সাম্প্রতিক রাষ্ট্রপতির ব্যবহার দেখে বঝা যায় যে সবগুল একি বলা ঠিক নয় এই সরকারটা কেমন অকারণে কত টাকা আর জীবন জলে ফেলে দিয়েই চলছে আশা করা যায় যে সব রাষ্ট্রপতি এমন অন্নায়ের কাজ করত না তাই আমাদের সাবায়ের এবার অনেক চিন্তাভাবনা দিয়ে ভালো করে ভোট দেওয়া দরকার


লেখা পরা করা সেশ

হেইলি

জরনাল ১০

১৫/০৪/০৮

আমি বিসাস করতে পারছি না যে দুই বরচর হয়ে গিয়েছিল।  এতু তাড়াতাড়ি লেখা পড়া করা সেশ।  আর একন কি হবে?  আমি গরমকালে বাংলাদেশে থাকব স্তাইত দিপারত্মান্তে সঙ্গে কাজ্জ করব।  আমি খুব কুসি যে তিন বরচর পরে আবার বাংলাদেশে ফিরি যাব।  আমি দেখতে চাই কি কি চাইঞ্জ হয়ে গিয়েছিল?  গুলসান দেখতে কেমন? বনানি আর ভারিধারা দেখতে কেমন?  আবার পাবনাতে যাওা উজিত।  আমার ভালো ভন্দুবি দেখতে হবে।  আমি সুনেছিলাম যে ঢাকা অনেক কিচু চাইঞ্জ করেছিল।  একন আমার নিজের চোক দেখতে পারব।  আমি অপেক্কা করতে পারি না!


elections

হেইলি

জরনাল ৯

১৫/০৪/০৮

এয় বরচর আমাদের দেশে ইলেক্সান হবে।  রিপাব্লিকান নমিনাইসান হয়ে গিয়েছিল।  জন মিকাইন হয়েছে।  আমাদের দেমক্রাতিক রাইস খুব কাচে কাচি কিন্তু।  সব চেয়ে বড় পরস্ন হছে কে প্রতম হবে?  ওবামা বা ক্লিন্তন?  সবাই মনে হয় যে জারা খকন বত করেছিল, এয় বার বত করবে।  এয় বরচর খুব বড় বাংলাদেশের জন্য।  দুত দেশ ইলেক্সান করবে আর ইন্সাল্লা সরকারি সব কিচু নতুন হয়ে যাবে। 


পতলক ২

হেইলি

জরনাল ৮

১৫/০৪/০৮

এয় সামেস্তার আমরা আবার সালিমার বাড়িতে গিয়েছিলাম পতলকের জন্য।  সবাই একতু খাবার রান্না করেছিল।  রাইচেল সবজি রান্না করেছিল, সরাভ চানা মাসালা রান্না করেছিল, আর আমি মুরগি মংস রান্না করেছিলাম।  সালিমা কিন্তু খুব মজা খাবার রান্না করেছিল।  করমা, পুলাউ, আর সবজি ছিল।  তারপর ওনি একতা কাইক বানিয়েছিল।  সরাভ স্ত্রিকে আনেছিল আর ওর নাম মারি।  সে খুব সুন্দর অর ভালো মেয়ে।  আমরা সবাই কাওা দাওা করেছিলাম আর পরে গল্প করেছিলাম।  সালিমার বাড়ি খুব ভালো জাইগা। 


একজন লোকের বিপ্লব

বুঝেন কী সুন্দরের সম্বন্ধে আমার প্রস্তাব ।
এর বিদ্রোহের সময়ের জন্য দাঁড়ানো দরকার হয় না ।
আমি আপনাকে একজন লোকের বিপ্লব ঘটাতে ডাকছি ।
যেটা বিপ্লব সেটা শুধু বিপ্লবটা ঘটবে ।।
                  - রোবের্ট ফ্রস্ট, Build Soil, A Political Pastoral-তে

  আজকাল প্রতিদিন আমেরিকাতে কোন নির্বাচনপ্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সম্বন্ধে অনেক কথা বলে। লোক ইরাকতে যুদ্ধের, স্বাস্হ্যকৃত্যকের, চাকরিগুলোর, সন্ত্রাসবাদীর, বেকানুন অভিবাসনের, পৃথিবীর প্রতিবেশের, আর পেট্রলের দামের সম্পর্কে চিন্তা করে। অনেক লোক বিশ্বাস করে যে যদি শুধু ঠিক নির্বাচনপ্রার্থীকে ভোট দিয় তাহলে আগের চেয়ে তার জীবন ভালো হবে।

  কল্পন করুন যে আপনি আমেরিকান লোক হয়ে প্রায় আমেরিকান লোকের মত বড় গাড়ি চালাতেন। আপনি জানতেন যে আপনার বড় গাড়ি পেট্রলের জন্য যুদ্ধ করান। আপনিও জানতেন যে পেট্রলের বেচা দিয়ে কিছু পেট্রলের লাভ সন্ত্রাসবাদীর জন্য টাকা করে, আর আপনার গাড়ির হাওয়া পৃথিবীর প্রতিবেশ খারাপ করায়। যদি আপনি যুদ্ধের, সন্ত্রাসবাদীর, আর পৃথিবীর প্রতিবেশের সম্বন্ধে চিন্তা করেন তাহলে সরকারের জন্য এসমস্যাগুলো মীমাংসা করতে দাঁড়ান কেন? আপনি নিজেকে মীমাংসা করতে পারেন। কম চালাবে বা চালাবে না! 

  কিন্তু আমেরিকান লোক চায় যে আমাদের জীবন আগের চেয়ে ভালো হবে। আমরা অসুবিধা হতে চাই না। আমরা কেউকে আমাদের হয়ে পৃথিবীর আর আমাদের দেশের সমস্যাগুলো সুরাহা করতে চাই। কিন্তু কে করতে পারে? আমরা নিজেকে ভাবি যে হয়ত আমেরিকানের সরকারের বা কিছু বেসরকারি দলনির্মাণ কাজ করতে পারে। আমরা কেউকে করতে চাই, কিন্তু আমরা নিজে করতে চাই না।

  এটা আসল সমস্যা। আমরা বিস্বাস করতে চাই যে সমস্যা আমাদের মনতে এত বড় থাকলে আমরা নিজেকে বলি যে লোকের দল মীমাংসা করার দরকার। আমরা বলি, “একা, আমি কী করতে পারি?” সমস্যাটা ভাবগত থাকলে আমাদের করার দরকার হয় না। অন্য লোক কাজ করলে আমরা কিছু টাকা দিতে পেরে এর সম্বন্ধে ভুলে যাই। আমাদের জীবন একা থাকে আর আমার চাল বদলানো দরকার হয় না। যে আমাদের জন্য এত সহজ করে সে অন্য লোককে করতে হয়।

  সবসময় দুটো প্রশ্ন সবথেকে ভালো। আপনি কেমন চাল বদলাবেন? কি করবেন? বদল করতে চাইলে আমরা নিজে করতে হব। এ একজন লোকের বিপ্লবের মানে। শুধু উপায়টা বদল হয় যদি আমরা কিছু জিনিস করি। অন্য লোককে আমাদের নৈতিক কাজ দিতে পারে না। একটা সরকার, একটা দল, একটা প্রতিষ্ঠান নীতি নেই। শুধু লোকের নীতি আছে, আর জখন আমরা নিজে নৈতিক কাজ করে তখন আমরা পরিবর্তন করে চাল বদলাই।

  এখন তিনটে উদাহরনের সম্বন্ধে ভাবুন - পরোপকারী দলনির্মাণ, সরকার আর একটা লোকের বিপ্লব। জখন একটা ঘুর্ণিবাত্যা বাংলাদেশে বানে ভেসে যাবার মত পড়ে তখন কী হচ্ছে?   

  যদি পরোপকারী দলনির্মাণ সাহায্য করে তাহলে লোককে উদ্ধার করাবে। কিছু লোক পরোপকারী দলনির্মাণ টাকা দিবে। অন্য লোক তারপর তাদের পক্ষে পরোপকার করবে। খাবার, মিঠে জল আর জামা-কাপড় দিবে।

  এ খারাপ নয়। এটা ভালো। এটা সত্যি যে প্রায় লোক এরকম সাহায্য নিয়। কিন্তু যে লোক টাকা দিল তাদের জীবন এরকম থাকে কি? কেমন চাল বদলাবে?

  যদি মাইক্রোসফটের বিল গাটেসের আর ওয়াল স্ট্রিটের ওয়ারেন বফেটের মত লোক ভাবে যে পরোপকারী দলনির্মাণকে দেওয়ার সবথেকে ভালো তাহলে আমাদের ভাবা উচিত যে এটা ভালো কারণ এরকম লোক মরে যাবে তখন তাদের ধন পরোপকারী দলনির্মাণকে নেবেন? অনেক লোক ভাবে যে এ ভালো। তারা কিছু রকম ঠিক।

  কিন্তু একটা প্রশ্ন থাকে। কিভাবে ধন নিছিল? আমরা যে লোক টাকা দিয় সে তার জীবনের আর কিভাবে টাকা করার সম্বন্ধে কথা বলতে পারি?

  পরোপকারী দলনির্মাণ ভালো। টাকার দেওয়া ভালো। কিন্তু আমাদের ভাবতে হয় না যে ভালো জীবনের জন্য টাকা বদল করতে পারে। যদি ঘুর্ণিবাত্যা বাংলাদেশে হয়, বাংলাদেশের লোকের যন্য টাকা দিয় আর বড় গাড়ি চালায় যে পৃথিবীর গরম করায় তাহলে আমরা কি ভাবতে হব? যে কিছু টাকা আমাদের খারাপ ব্যবহার জন্য বদল করে?

  হয়ত, কেউ উত্তর নেবে যে “হাওয়া শুধু একটা গাড়ি দিয়ে থাকলে পৃথিবীর গরম কী তফাত হবে”? কিন্তু জখন প্রতি লোক এরকম ভাবে তখন সব একসঙ্গে পৃথিবীর গরম হতে পারে। গাড়ি চালালে আপনি সমস্যাটা যোগ করেন।


  এখানে একটা কথা বিল গাটেসের আর ওয়ারেন বফেটের সম্বন্ধে বলা দরকার। যেভাবে একজন লোক এত লক্ষ লক্ষ টাকা জামাতে পারে সেভাবে কি এ চুরির রকম? আপনাদের কি চোরকে সুখ্যাতি করা উচিত কারণ জখন মরে গেল তখন টাকা পরোপকারী দলনির্মাণ দিবে? যদি লোক একটা হাত হাতে অনেক নিয়ে অন্য হাত হতে একটু দিয় তাহলে আমরা কি এর সম্বন্ধে বলতে হব?

  একাটা সরকারের সম্পর্কে বলা হতে পারে। এটা সত্যি যে সরকার কিছু ভালো জিনিস করতে পারে। কিন্তু সরকার শান্তি রক্ষা করতে পারে না কারণ সরকারের ক্ষমতা জোরাজুরির ওপর ভরসা করে। কত লোক মরে যায় যুদ্ধ দরুন? কত লোক জীবন নষ্ট হয় যে তার জীবন থাকে সে একটা সেনার জীবন দরুন। সরকার যত সমস্যাগুলো মীমাংসা করে তত সমস্যাগুলো এক আরো করায়। শুধু লোকের নীতি আছে। কিন্তু হয়ত কেউ কথা বলতে পারে যে যদি লোক সরকারের জন্য চাকরি করে তাহলে সরকার নীতি হতে পারে কি? তবু একটা সরকার নীতি হয় না। কেন?

  জখন আমলাতন্ত্র হয় তখন আমাদের নীতি নষ্ট করে। এখানে একটা ভালো উদাহরণ। যদি সেনা কিছু লোককে বধ করে তাহলে সেনা কাপ্তানকে তার ব্যবহারের জন্য নিন্দা করে। ও বলে, “কাপ্তান আমাকে আদেশ নেলেন”। তারপর কাপ্তান বলে, “নেতা আমাকে আদেশ নেলেন”। তারপর নেতা বলে, “আমি সেনা, কাপ্তান বা জনসাধারণ শুনলাম। যে তারা আমাকে করতে চায় সে আদেশ দিই”। 

  সবাই অন্য লোককে নিন্দা করে কিন্তু কেউ নিজেকে নিন্দা করে? যদি না গছায় তাহলে নীতি হতে পারে না। যদি আমরা কখনো নিজেকে না ভাবি – আমি কি করব? কিভাবে নিন্দা করা হল? – তাহলে আমরা আমাদের উপায় হারাই। অনেক সমস্যা দেশে আর পৃথিবীতে বেশী বড় যে এ সত্যি। কিন্তু আমরা ভাবা পারে না যে সরকার বা পরোপকারী দলনির্মাণ আমাদের সমস্যা মীমাংসা করতে হবে। শুধু আমরা নিজে আমাদের সমস্যা সুরাহা করতে পারি।

  কিন্তু আমরা কি করব? সবাই আমেরিকাতে থাকার মধ্যে প্রায় লোকের চাল বদলানো দরকার। আমি বিশ্বাস করি যে প্রথম আমরা নিজেকে চাল বদলাতে হয়ে পৃথিবীর বদল করাতে পারব। হ্যাঁ, টাকা আর আমাদের সময় দিতে পারে। কিন্তু যদি আমরা সত্যি অন্য লোক সাহায্য করতে চাই তাহলে তাদেরকে কষ্ট দিতে শেষ করে আমাদের জীবন সেরিয়ে সাহায্য করতে পারি।

  আবার কি করব? আমরা বুঝতে হবে এরকম অন্য লোক কষ্ট করি। প্রথম এ শেষ করি। কিন্তু এর মানে আমাদের চাল বদলাতে হয়ে আমাদের করা উচিত হবে কারণ যদি আপনি না থাকেন তাহলে কে থাকবে? যদি এখন না করে তাহলে কখন কবে? তারপর, আমরা টাকা দেওয়ার, সরকারের আর বেসরকারি দলনির্মানের সম্বন্ধে আর ভাবতে পারি।


আদিলের শপ্না

কাল রাত্রি আমি শপ্না দেক্লাম যে আমার শব বন্ধুরা আমার শাতে পাইন্তবাল্লিং যাবে। আমরা পাছে জনে ছিলাম, ফারহান, উস্মান, আলি, শাকীব আর কাসছিএফ। আমি পাইন্তবাল্লিং মাত্র দুবার গেয়েছি। প্রথমবার আমি এসছুল থেকে গেছি, আমার খুব মজা লাগছে। গুলি পেলে বাথা লাগে, কিন্তু আমরা অনেক কাপর পরি জাথে বেশি বাথা না লাগে। আমরা সুক্রবারে রাত্রে প্লান করতেছিলাম যে আমরা শনিবার শকালে জাব পাইন্তবাল্ল করতে। আমরা প্লান করে শুএপরেছি আন্দ শকালে আমি উতিএ দেক্লাম যে আমার শব বন্ধুরা ছলেগেছে আমার ছারা। আমি প্রথমে মনেকরেছি যে থারা আমার শাতে ফিস্লামি করতেছিল, আর আমি পুর বারি কজেছে থাদের জনে। আমি খুব দুখ পাইছি। আমি ফারহাঙ্কে চাল্ল করেছি আর শুঞ্ছি যে থারা পাইন্তবাল্লের জাইগা পছে গাইছে। আমি প্রস্ন করলাম যে কান আমাকে রেকে ছলেগেছে আর অরা হেছে গেল। আমার খুব রাগ লাগ্ল আর থারপরে আমি ঘুম থেকে উতিগেলাম। ঘুম থেকে উতিএ আমার খুব হাছি লাগ্ল কারন আমি আত ভই পেলাম সপ্নথে। 


সামাজের প্রিয় আংশ - SASLI 2007

ক্লাসতে আমরা প্রায় আমাদের প্রিয় বই, ছবি, নাটক আর ইত্যাদির সম্বন্ধে বলছিলাম। এপস্ট আমি এবিষয়র সম্পর্কে আরো লেখতে চাই।

গতবৃহস্পতিবারতে ব্রাইন আমাদেরকে ছবির আংশ দেখায়েছিল। ছবির নামে আমার আকবার আন্থনি। যে সময় ছিল সেটা প্রথম্বার আমি কোনো জিনিসের মত দেখেছিলাম। আর আমি চুপচাপ থাকেছিলাম। আমার মনে হয় কখনো কোখনো জখন নতুন জিনিশ দর্শন করে তখন কিছুসময় সমঝায়।

এশনি-রবিবার আমি আমার স্ত্রীর জন্য উ-টুবে থেকে যে ছবির নাম আমার আকবার আন্থনি দেখাইয়েছিল। সে কিছু অভিনেতার ছবিতে চেনেছিল কারণ তার বাবা-মা প্রায় তাদের সম্বন্ধে কথা বলত। এবারতে আমি খুব হাসেছিল।

আমার মনে হয় যে আগে এগরমকাল এটা হল। জেমনঃ মান্দিরা আর তাঞ্জিনা হয়ত ভাবেছিল আফ্র-বিত একটু আদ্ভুত। যদি আগে জলসাতে গেল তবে এটা কঠিন সমঝায় জখন তারা ব্যাস্ত নতুন সব্দ দর্শন করে।

কিন্তু এখন আমি জানতে চাই, তোমাদের কি ভালো লাগে আর কোন আমাদেরকে বাতলায় । আমি জানি যে ব্রাইন আর তাঞ্জিনা হিন্দি ছবি ভালোবাসে। কোন সবথেকে ভালো লাগে? যদি আমি কোন হিন্দি চবি না দেখতাম তবে কোন হিন্দি ছবি দেখতে হবে?

আমার জন্য বিদেশি ছবি এবং অন্য সময় আর আন্য জায়গার কথা ছবি সবচেয়ে ভালোবাশি। আমি তোমাকে কিছু বলতে ঠিক করছিলাম।

তুমি কোন বই পড়ছ? এগরমকাল, ব্রাইন কিছু বইয়ের কথা বলেছিল। মান্দিরার আর ব্রাইনের হ্যারি পোটের ভালো লাগে বলে আমিও এবইটা পড়ব। ব্রাইন অন্য বই আমাকে কথা বলেছিল আর আমিও এবইগুলো পড়ব বোধ হয়। ভারত গ্রামের গল্প আমিও পরব।

কোন বই আমি তোমাদেরকে বাতলাই? এটা খুবই জটিল ব্যাপার কারণ এত বই আছে। আমার জন্য এখন আমার চয়নিকা লিখতে ভালো লাগে। আনেক বই পড়তে চাই কিন্তু একাল আমি বেসি বই পড়তে পারি না। এখানে আমি কিছু বই লিখেছিলাম যে আমি পড়তে চাই। যে মান্দিরা বাংলা বই আর ইংরিগি বই পড়তে পছন্দ করে সেটা জানতে চাই। ব্রিয়ান আর তাঞ্জিনা, আর তোমার? কোনো বই তোমার ভালো লাগে যে তুমি বাতলাতে পারে?

আর সংগীত? আমি তোমাদেরকে কিছু গান শোনাছিলাম। তোমাদের কোনো বিশেষত পছন্দ করো? কোনো গান আর সংগীতি বাতলাতে পারে? আমি নিচু সংগীতি বাতলাছি।

ছবি

  1. Lawrence of Arabia
  2. Blade Runner
  3. 2001: a Space Odyssey
  4. Aguirre: The Wrath of God
  5. Apocalypse Now
  6. Donnie Darko
  7. Who's Afraid of Virginia Woolf?
  8. Seven Samurai
  9. One Flew Over the Cuckoo's Nest
  10. The Good, the Bad and the Ugly

বই

  1. Cosmopolitanism : ethics in a world of strangers
  2. Born fi' dead : a journey through the Jamaican posse underworld
  3. The book of Ammon
  4. When affirmative action was white : an untold history of racial inequality in twentieth-century America
  5. Fear up harsh : an Army interrogator's dark journey through Iraq
  6. Love in a Dead Language
  7. The translation of Dr. Apelles : a love story
  8. The autobiography of Malcolm X
  9. Living well on practically nothing
  10. Six days of war : June 1967 and the making of the modern Middle East

Recommended

  1. World Poetry: An Anthology of Verse from Antiquity to Our Time
  2. The Norton Anthology of Poetry
  3. The New Lifetime Reading Plan

সংগীত

  1. Angie Stone
  2. Smog
  3. Talvin Singh
  4. Sidestepper
  5. My Brightest Diamond
  6. Grand National
  7. Calexico
  8. Iron & Wine
  9. Natacha Atlas
  10. Plena Libre

জীবনের মানে কি? SASLI 2007

কেউকে এবার সুনলাম যে আপনি একটা পর্যাস চাইলে নতুন মন বাড়ে আর নীরবে করুন যদি আপনি পারেন।

অন্যবার আমি একটা গির্জাতে গেল। এগির্জা প্রায় কখনো যাই না। কিন্তু ওদিন আমি গেল। বড় পাদ্রি ধর্মোপদেশ দিল আর এটা ওখানে শেষ ধর্মোপদেশ দিল। সে অন্য গির্জা গেল।

সে বলল যে জীবন একটা খালি গোরগুলোর সারি। প্রায় যখন সমুত্থানের সম্বন্ধে ভাবছে তখন মারা যাওয়ার পরে ভাবছে খ্রিস্টানরা। কিন্তু এপাদ্রি সমুত্থানের সম্পর্কে চিন্তা করল যে এটা আনেকবার জীবনে হয়। আমার মনে হয় যে প্রতিবছর, হয়ত প্রতিদিন বা অনুক্ষণ সমুত্থান হতে পারে।

কিন্তু প্রায় লোকের এত বদল ভালো লাগে না। এজীবন একুনি স্নেহ করছে। তারা অন্য জীবন চায় না আর তারাও অন্য লোক বদল করতে চায় না। সেযন্য প্রথম কথাতে ও বলল যে ওদের নীরবে করুন যদি আপনি পারেন।

আমার মনে হয় যে আমার লেখা হয়ত আপনাকে একটু আদ্ভুত লাগবে। তাই এখন আমি ধর্ম-অর্থ-কাম-মোক্ষ-এর চিন্তা আর আমার বিশ্বাস তুলনা করব। প্রথম আমার কথা বলা উচিত যে আমি জানি না কী ভারততে ঠিক ধর্মচর্চা কিন্তু এচিন্তাগুলো এ তর্ক সুরু করতে পারে।

যখন বাঙ্গালি লোক ধর্মের কথা বলে ধর্ম মানে কি? হয়ত ধুর্গা পুজা মনে পড়ে। আমার যন্য যেক্ষন ধুর্গা পুজা হয় সেক্ষন আমাদেরকে মনে করে যে সবাই প্রথিবিতে একটু ছোট অংশের বড় পরিবার। কলা বউর মত আমাদের আদ্ভুত বোধ হয় কিন্তু যদিও আমাদের আনেকরকম জীবন থাকে তবেও আমাদের পরিবারতে থাকে।

আমার ধর্মের একা। আমার যন্য দেব আমাদের ভেতরে থাকেন। দেব নিঁজেকে আমাদের শাখান। যেটা সুধু আমাদের করতে হয় সেটা দেবকে শুনি। যখন আমারদের শুনি না আর সুধু নিজে ভাবি তখন সমস্যা হয়।

যদি প্রতি লোকজন সমাজের অংশ আর দেব তাদের নিয়ে বলতে পারে তবে এচিন্তা আমাদের অন্য লোকের কথা উপায়টা ভাবে। এ মনে যে কখনো কখনো দেব শ্ত্রু নিয়ে আমাদেরকে কথা বলে। যদি দেব অন্য লোক নিয়ে বলতে পারে, তবে আমাদের অন্য লোক মারা ফেলতে হবে না। আমাদের মনে করতে হয় যে দেব চুপ করেন না আর প্রায় যে তিনি আমাদেরকে চান সেটা কঠিন জানতে পারে।

আমার এবার পড়লাম যে আমাদের মুখমুখি তালায় এখানে দেব থাকে। দেবকে ভালোবাশি আর অন্য লোক নিজের মত ভালোবাশি। এটা এত সরল তবে এত জটিল যখন জীবনে করতে হবে। আমার জন্য মোক্ষ হয় যখন আমাদের জীবন আর দেবের মন একা হবে।

অর্থ পাওয়ার দরকার কেন? গারিব হলে ধর্ম মনে পড়ে না। যখন কেরো খাবার নেই তখন সুধু খাবার ভাবতে পারে। কিন্তু যখন অনেক টাকা করতে হয় তখন প্রায় সুধ টাকা ভাবে পারে। আমার জন্য আমরা জানতে হবে কী দরকার আর কী সুধু জিনিস চায়। কিন্তু অর্থ? এটা আরো সমস্যা আনবে।

শেষে আমরা কামের কথা ভাবতে পারে। আমার মনে হয় যে কাম অর্থের মত। লোকের চাওয়া আছে আর সবাই ভালোবাসা হতে চায় আর ভালোবাসতে হয়। এপথ ইস দুই ধবংস হবে আর মোক্ষ হবে। কোথায় কোন পথ যাবে, কেউ জানতে পারে?


চারুলাতা - সমালোচানা, SASLI 2007

চারুলাতা উনবিংশ শতারীতে বাংলার বড় লোকের সমাজের কথা চবি। এ গল্পের চারুলাতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নষ্টনীঢ় থেকে অভিযোজন করল। সত্যজিত রায় পরিচলিক ছিল।

ভুপাতি রাগনীতিক খবরের কাগজের মালিক আর এডিটার। সেও কাগজের জন্য লেখে। প্রায় কোখনো তার সময় কাজ কিন্তু রাগনীতিক লীলা করে না। ভুপাতি আদর্শবাদী আর সদিচ্ছা । তার হৃদয়বান আর উদার। সেভাবে ও নিজে দুর্ভাগ্য করাল কারণ তার অসন্দিগ্ধ। লোক বিশ্বাসপাত্র প্রমাণ করা আগে লোককে বিশ্বাস করে। যেবার শালাকে ওর হয়ে চালিত করা হয় সেবার একটা ভালো উদাহরণ।

কিন্তু গল্পটা আর জটিল। ভুপাতির আমলকে বিশ্বাস করা উচিত। ভারততে দেওর আর বউদি বিশেষ সম্বন্ধ যে প্রায় গলায় গলায় বন্ধুতা। যখন চারুলাতা তার দেওরকে প্রেম পড়ে তখন এসমাজের আসা বিনাশ করল।

আমল রসরাজ। আমলকে নিয়ে চবির সব মহিলারা মুগ্ধ ছিল। ও সম্প্রতি কলেজ পড়াশোনা শেষ করল। সাহিত্য ভালোবাসে আরে জবীনের কাজের জন্য লেখক হতে চাই। প্রতিবার কেউ বিয়ে বিষয় কথা বলে তার এটা ভালো লাগে না।

এটা ভালো প্রশ্ন। ঐতিহ্য ভারত বিয়ে করে কেন? কারণ আমলের জন্য ভুপাতি সম্বন্ধ করে আমরা ভাবতে পারি যে তাদের বাবা-মা মারে গেল। ভপাতি কিচু দরকার নেই। হলে আমল বিয়ে করতে হবে কেন?

আমল বিলিতি ঘুরে ওকালতি হতে প্রস্তাব করল। কিন্তু লখক হতে চাইলে বিয়ে করা হবে কেন? চারুলাতার পক্ষে এটা আর সত্যি। তার বাড়ি কারার মত আছে। সুধু সময়টা চারুলাতার বাড়ি গেল তখন ও আমলকে বাগান ছিল। ও চশমা দিয়ে অন্য লোককে কিন্তু তার নিজে সরল জীবন নেই।

অন্য প্রশ্ন ভুপাতি তার কাজের চেয়ে চারুলাতা আরো ভালোবাসা। ও কাজের চেয়ে চারুলাতা বেশি সময় কাটা ছিল। ও কাজ চারুলাতার রিভল ডাকল। কিন্তু সুধু চারুলাতার বিপ্তহগামি। আমরা সেভাবে বলতে পারে যে ভুপাতি চারুলাতার বিপ্তহগামী করাল? যদি ও তার স্ত্রীর সঙ্গে কাযের মত সময় কাটত তাহলে এটা হত না। কি দরকার? কাজের আর বিয়ের সম্বন্ধের জন্য ঠিক ভারসাম্য।

চারুলাতা খুবই বুদ্ধমতী। তার গুন ঐতিহ্য ভারতের সমাজের নষ্ট করল। সেভাবে কত মেয়ে আর মহিলা তার গুন নষ্ট করল কি? ভারতের আর সব পৃথিবীটার জন্য জত থাকে তত লক্ষ থাকে।

অন্য জিনিস বলতে পারে কিন্তু আবার শেষ করি বলার সময়।


আর প্রেম গল্প - SASLI 2007

এক আর তিন মাস কেটে গেছে। আসিতা আর সুপর্ন তবু অন্য বাসার দিকতে টান থাকে। এখন পাড়ার বাসিন্দা আসিতার আর সুপর্নর সম্বন্ধ বলতে সুদু করেছে। তারা বলছে –

সে তার বাসাতে সবসময় যাওয়া-আসা চলতে লাগে কেন? আমি সুনেছি যে তারা মন্মথের বাসার টেবিলে জনান্তিকে কথা বলে আর মন্মথ বাসাতে নয়।

আমি দেখেছ কেমন তারা পরস্পর দেখে। আমাকে কথা সুনুন কিছু ভালো এটা থেকে যাবে না।

আমার দাদা বললেন যে দু-চার বছর আগে, তিনি নাগপুরে আসিতা আর সুপর্নকে দেখলেন। তারা কি ছেলেবেলা বন্ধু আছে?

চারদিকে যে সুদু আড্ডাটা কাকে সুনছে সে আসিতার আর সুপর্নর কথা আছে। আনেক জিন্নিস মন্মথ আর তৃপ্তিকে সুনছে।

তারপর আসিতা গর্ভ হয়ছে। কারণ আগে সে মেয়ে মারা যাই, তার ডাক্তার তাকে বলছিলেন –

আপনার আনেক বিস্রাম করা উচিত। হাতবেন না। কাজ করবেন না। আপনার চাকরানির সব বারির কাজ করা দরকার।

কারণ যে ডাক্তারের কথা সে সুপর্নের বাসাতে জাবার থেকে নিবারণ করল। তাই সুপর্নের রোজ আসিতার বাসাতে গেতে সুরু করল। একবার আনেক আড্ডা করা হল।

সব আড্ডার দারুন মন্মথ তার স্ত্রি সঙ্গে সুপর্নের বিসয়ে কথা বলছে। যে কথাটা আসিতা তাকে বলে সে কেউ জানে না কিন্তু তা জানে যে সুপর্ন বাসাতে আসে থাকল।

সুপর্ন ফল আর সবজি, তৃপ্তির খাবার, বাচ্চা কাপড় এবং বাংলা আর ইংরিগি বই আল। জখন আসিতা কিছু করছে না তখন সুপর্ন ফিরে গিয়ে আরে গল্প করছে। কখনো কখনো, সেও গান গাইল। প্রাই সে মন্মথকে সাহায্য করল। তার ভালো বন্ধু ছিল।

যে আতুঁড় গর যাবার সময় ও হল। এবার আসিতা ছেলে হল কিন্ত সেও মারা গেল। কষ্টের মারফতে আসিতা না কেয়ে রোগা হয়ে নিজে মারা গেল। মন্মথ সাধু হল আর প্রতি দিন সাড়া দিন সে আসিতার জন্যে মিনতি করত। এক বছরের পরে সে খুন হল কারণ গ্রামের লোক তার বড় যোগবল ভয় পেল।

সুপর্ন আর তৃপ্তি আনেক ছেলেমেয়ে হল। সময়তে সুপর্ন আসিতার কথা মনে রাখে না। জখন মন হারায় তখন থাকে না।


স্কট জেঙ্কিন্স - জর্নাল ২ - অনুবাদ, বৃষ্টি আর গন্ডারটার, SASLI 2007

অনুবাদ - ঠমাস মেরটনের প্রবন্ধ, বৃষ্টি আর গন্ডারটার প্রথম অনুচ্ছেদ

একথা আমাকে বলুন বৃষ্টি একটা উপযোগ হওয়ার আগে যে তারা মতলব আঁটার আর বিভাগ করে টাকার জন্য। তারা নিয়ে আমি মনে যারা ভাবা পারে না যে বৃষ্টি উত্সব আছে, যারা সেটার বদান্যতা তারিফ করে না, যারা ভাবে যে যা দাম নয় তা কদর নয়, যে যা বিক্রয় করতে পারে না তা দৈহিক নয়, জেন শুধু উপায়টা জখন কিছু দৈহিক হয় তখন বাজারে বেচায়। সময়টা হবে তখন তারা আপনাকে আপনার বৃষ্টিই বেচাবে। এখনি, এটা তবু দাম নয় আর আমি এটার ভেতরে আছে। আমি ওর বদান্যতা আর ওর অর্থশূন্য পুণ্যশ্লোক করি।

Let me say this before the rain becomes a utility that they can plan and distribute for money. By they, I mean the people who cannot understand that rain is a festival, who do not appreciate its gratuity, who think that what has no price has no value, that what cannot be sold is not real, so that the only way to make something actual is to place it on the market. The time will come will they will sell you even your rain. At the moment it is still free, and I am in it. I celebrate its gratuity and its meaninglessness.

আমার মনে আছে প্রথমবার ঠমাস মেরতনের বই পড়া হল। আমার ষোলো বছর ছিল। মুদিখানাতে কাজ করা হল আর সব টাকাটা বই পড়তে কেনা হল।

গুপ্তচরবৃত্তি আর গুপ্তহত্যা করার কথা একটা বই পড়া হল। প্রায় বইয়ের এরকম পড়া হল না কিন্তু ওবার পড়া হল। একটা উপনায়ক ছিল যে বইয়ের অগ্রে গুপ্তঘাতক ছিল কিন্ত পর ও সাধুসঙ্গ থাকে। সাধু আশ্রমের নাম সিস্টেরসিন; তারা খ্রিস্টান দল। বইতে, উপনায়কটা অনাহারে থাকা নিয়ে আত্মহত্যা করা হল কারণ সে অপরাধবোধ থাকল। কিন্তু আমাকে সিস্টেরসিনের সম্বন্ধে কৌতুহল উঠা হল।

দোকানতে যাওয়া হল আর ধর্মের অংশ ছিল। বইয়ের নাম ঠৌহাট্‌স ইন সোলিটুডে। আমি এবইটা খুব পরছেন্দ করলাম।

বইয়ের দুটো অংশ আছে। প্রথম অংশ ধর্ম-অর্থ-কাম-মোক্ষ জীবণ কথা আর দ্বিতীয় অংশ নির্জনতার ভালবাশার কথা ও লিখলো কথা।

আমার মনে হয় যে আনেক ভাবনা বইতে হিন্দুর ভাবনার মত আছে। নাশ থেকে সর্জন হয়। আঁকার আগে খালি হৃদয়পট আছে কিন্তু খালি হৃদয়পট দেখা হয় না। ভাবনাগুলো আলেপ নয়। না, দেব হৃদয়পটের শিল্পী। বই একটা শিল্পী নয় আর ওটা একটা খালি হৃদয়পট আঁকা নয়।

কিন্ত কোনো বাঙালি নির্জনতা ভালবাশে কি? হয়ত বা নয়ত। আমার তবু এবইটা ভালো লাগে কিন্তু সুধু কখনো কখনো আলোচনার মত পড়তে চাওয়া নয়।


স্কট জেঙ্কিন্স - প্রথে জাবেদা, SASLI 2007

শিখাগো, ২২ জুনে ২০০৭

প্রিয় মাসি আর মেশো,

আমরা সুনলাম যে তোমারা মহেশপুরেতে ফিরে গিয়েছো। এত দিনের পরে তোমাদের ওখানে কেমন লাগছে? তোমাদের কোনো অসুবিধে হচ্ছো?

আমরা তোমাদের সবসময় মনে করি। যখন তোমরা আমাদের বাড়ি এসেছিলে তখন আমাদের খুবই ভালো লেগেছে। আমার মনে আছে তখন মাসি বলতো, স্কওওট আর আমি বলতাম মাশিইইই। আমাদের একসঙ্গে রান্না করার সময়টা খুব ভালো লাগতো। আমারও মনে আছে তখন মেসোর সঙ্গে অনেক বিষয় নিয়ে কাথা বললাম।

নতুন বাগান খুব সুন্দর হয়েছে। তোমারদের খুব ভালো লাগতো। এখন তোমরা যদি আবার মেরিকাতে ফিরে এসো তাহলে দেখতে খুব ভালো লাগবে।

তা ছাড়া কেমন আছো? বোধ হয় মেসো এখন অনেক বই পড়ছে আর মাসি তার বন্ধুদের সঙ্গে আনেক আড্ডা মারছে। টাই না?

গত সনি-রবিবারতে আমি সোমার সঙ্গে ম্যাডিসনতে ফিরে আসলআম। তারপর আমরা আমার ঘরে গেয়ে আমার জিনিস ফেলে দোকানে তরকারি কিনে ঘরে ফিরে এলাম। তারপর মানু আর তার বন্ধু নিক্ষলের একসঙ্গে খাবার খেয়ে একটু হেঁতে মানু আর নিক্ষলকে তার বাড়িতে পৌঁছিলাম। তারপর আমরা ঘরতে ফিরে এসে একটু গল্প করলাম। তারপর রাত্রে সোমা বাড়িতে ফিরে গেল।

যে শিক্ষিকা গতবছর আমাকে শিখাতো সে আবার শিখাছে। আমার ক্লাস তিনের ছাত্র-ছাত্রি আছে।

একটা ছাত্রির নাম তাঞ্জিনা। সে বাংলাদেশি। তার পরিবার আতলান্তাতে থাকেন। ওর চোটো ভাই আর ছোটো বোন আছে। সে ম্যাডিসনতে স্কলারশিপের করছে ডাক্তার হোয়ার জন্য হতে পড়ছে।

একটা ছাত্রর নাম ব্রাইন। তার পরিবার ওয়িসকন্সিনতে থাকেন। কিন্তু গতবচুর সে মিন্নেসতাতে থাতো। তার একটা বোন আছে। সে ইল্লিনইতে থাকে।

একবার বছরের আগে আর একবার চার বছরের আগে ব্রাইন কলকাতায় ছিল। সে ভারতকে ভালবাশে। গরমকালের পরে ক্লাস শেষ হলে সে ভারত ফিরে গেয়ে ছোটো গ্রামতে ইংরিজি শেখাবে।

আমার ক্লাস খুব ভালো। আমরা ব্লগ ব্যবহার করছি ক্লাসের কাজের জন্য। একটা ব্লগ একটা বড় খাতার মত। সবাই লেখতে ব্যবহার করছে। পরা-লেখার জন্য এটা খুবই ভালো।

গতসোমবারতে প্রথমে ক্লাস ছিল। ওইদিন বাংলার ক্লাসের বই আর পাঠ্যতালিকা পড়লাম। মঙ্গলবারতে আমি ব্লগ লিখে কম্পুতেরের ক্লাস করে ব্যাকরন পরা-সুনা শিখলাম। বুধবারতে আবার ব্লগ লিখে অনেকক্ষন সময় বাংলা ছোটো গল্প পড়ে কাতালাম। ব্রিহস্পতিবারতে বাংলা কথা শিখছিলাম। শুক্রবারতে ক্লাসের পরে আমি বাসের নিয়ে শিখাগোতে ফিরে গেলাম। বাসের বসে এচিঠি অধিকাংশই লিখছি।

ক্লাসের পড়ার জন্য আমি সপ্তাহটা সাত টায় উঠি আর বারো টায় সুইয়ে পরলাম। ক্লাস সুরু হয় সাডে আট টায় আর ক্লাস শেষ হয় এক টায় মাঝে আধ ঘন্টা বিস্রাম।

গতকাল শনিবার ছিল। আমরা দশ টায় উঠে কফি খেয়ে গাছে জল দিয়ে গল্প করলাম। সোমা তার মধহে চার-চয়জন লোকের সঙ্গে দেখা করলে। আমি বাংলা পড়া-শোনা করলাম। দুপুর বেলা আমরা একটু খাবার খেলাম। আবার আমি বাংলা কাজ করলাম।

আজকে মানু আর তার বন্ধু নিক্ষল শিখাগোতে আসলো। আমরা একটু খাবার খাওয়ার পরে আর ঘন্টা শিখাগোতে ঘুরলাম। আজ রত্রে আমি ম্যাডিসনতে ফিরে জাবো।

আমি জানি যে এচিঠি একটু বয়ান। ক্লাসের জন্য আমার শিক্ষিকা আমাকে একটা জর্নাল লিখতে চায় আর আমার মনে হয় এজর্নাল হয়ত ভালো চিঠি হতে পারে।

বাপী, মা, সোমা আর মানু সবাই ভালো আছে। সোমা অনেক কাজ করে কিন্তু এখন তার একটু বাগানের কাজও খুব ম্নে লেগেছে। বড় মাসির মত ও বিস্রাম করতে জানে না।

বাপী রিছ্লান্দতে কাজ করে। ও আমাকে বলে যে রিচলান্দতে অনেক আঙুরখেত আছে। আমাদেরকে দুটো মদের বোতোল পাঠয়েছিল। মদটা খুবই মিশ্তি ছিল। আমাদের ভালো লেগেছে।

মাও ভালো আছে। মা আর মানু শিখাগোতে এসেছিল এক সপ্তহ পরে, মার দিনের। তখন আমরা মার দিন অনুষ্টান করলাম। একটু খাবার খেয়ে একটু গল্প করে। এত মজা হল।

মানু তার অনেক বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটায়। অ নিজের জিবনে ভালোই আছে।

আচ্ছা। এবার আমার খবর শেষ করি। ভালো থাকো। এইচিঠির সঙ্গে আমরা কিছু চবি পাঠালাম। আমাদের শুভচ্ছো ও নিও। ইতি।

তোমাদের,

স্কট আর সোমা


স্রটের বাড়ি - রান্না ঘর

একটা ঘরের আমার বাড়ির সম্বধে বলতে গেলে আমি রান্না ঘর আমার কাথা বলতে পারব । নয় মাসের আগে আমি আমার স্ত্রি সঙ্গে নতুন বাগান পাতছিলাম । খুবই ভাল লাগে । বৈশাখতে একটা গাছ অনেক চাঁপা ফুটছিল । রান্না ঘরের যানালা থেকে চাঁপা দেখতে পারে ।

ভিতরে আমাদের রান্না ঘর বাদামি পালিশ করে প্রস্তরফলক । নিচু থেকে আর উপরে অনেক দেরাজ আছে । একটা দেরাজের নাম লাজি সুসান । লাজি সুসান রাখি সব আমাদের মশলা রান্না করবার যন্য । রান্না ঘরের একটা হিমায়ক, চুল্লি, থালা ধোয়া মেশিন আর শিন্ক ।

হয়ত কেউ ভাবে যে আমি আর আমার স্ত্রি একটু অদ্ভুত । যখন আমাদের খাবার খাই তখন প্রস্তরফলকের উপরে বসে আছে কারণ শুধু তিন নৌকো আর সব একদিক থাকে । কিন্তু আমাদের মুখোমুখি ভাল লাগে আর অনেক গল্পগুজব করি ।


স্কট প্রথম পস্ট

আমার নাম স্কট । বোধ হয় এগরমকাল খুবই ভালো হবে. ম্যাডেসনতে সুন্দর শহর. কিন্তু অনেক সময় বাংলা শিখব, আর শনি-রবিবারতে শিকাগোতে ফিরে যাবো । তবে, কিছু বার সানসেট দেখতে হবে. যখন সুর্ষের আলো জলের ওপর পড়ে তখন সুন্দর লাগে ।


আমার নাম সিলেস্ট। আমি প্রথমে বাংলাদেশে বাংলা শিখেচিলাম, তার পর এখানে, তার পর কলকাতায়। এখন আমি আবার এখানে বাংলা শিখছি। আমার নাচতে বিসন ভাল লাগে। প্রতি বুধবার আমি swing নাচ করি। সবার আসা উচিত!Img_1227


জারনাল নম্বর এক

এই সপ্তাহে আমার মিরিয়াম বলে কলেজের বান্ধবী আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছে।  যখন আমরা সাফমর ও জুনিয়র ছাত্রি চিলাম আমরা এক সঙ্গে থাকতাম। মিরিয়াম খুব হাসি-খুশি মেয়ে, বিসেশভাবে যখন সে ক্লান্ত থাকে। একবার  সারারাত্রি আমাদের চোখে ঘুম ছিল না। মিরিয়াম ফিক্‌ফিক্‌ করে হাসতে হাসতে তার নাভির বিতরে hand cream রেখেচিলে। আমি জানি না কেন। মিরিয়াম এরকম মেয়ে। আমার তাকে খুব ভাল লাগে। এখন মিরিয়াম ওয়াশিংটন ডি সি-তে থাকে ও আমি এন আরবরে থাকি। তাই আমি তার সঙ্গে সব সময় দেখা করতে পারি না। কিন্তু এখন মিরিয়াম সবার সঙ্গে ট্রেনে করে দেখা করতে যাচ্ছে।

মিরিয়াম শনিবারে এসেচিল। আমরা পারটিতে গিয়েছিলাম। রবিবারে আমরা প্ল্যাস্টর টুপি তৈরি করতে শুরু করেছিলাম মিরিয়ামের জন্য। আমি হালোওয়িনের জন্য তিনটে প্ল্যাস্টর টুপি তৈরি করেছিলাম, কিন্তু মিরিয়াম আগে প্ল্যাস্টর টুপি তৈরি করে নি। প্রথম মিরিয়াম swim cap পড়েছিল তার পর আমি তার মাথার উপর প্ল্যাস্টর রেখেছিলাম।
প্ল্যাস্টর শুখিয়ে টুপি সরিয়েছিলাম। তার পরে মিরিয়াম mohawk-এর মত  সেজেছিল। বিশেষ প্ল্যাস্টর ব্যবহার করতে হবে। একবার আমি ভুল প্ল্যাস্টর ব্যবহার করেছিলাম ও আরেকজন বান্ধবীকে হস্পিটালে নিইয়ে যেতে হল।

সোমবারে আমরা মেহেন্দী করেছিলাম। আমার হাত ও পায়ের উপর মিরিয়াম হাতি এঁকেছিল। আমার হাতের হাতির নাম বক চয় ও আমার পা-এর হাতির নাম সাইমন। মিরিয়ামের হাতের উপর আমি আলপনা এঁকেছিলাম ও তার পায়ের উপর আমি মাছের বিয়ে এঁকেছিলাম। যখন আমি কলকাতায় ছিলাম আমি পটুয়ার কাছ থেকে মাছের বিয়ের ছবি কিনেছিলাম। মিরিয়ামের এছবিটা ভাল লাগে তাই আমি এ রকম ছবি তার পায় এঁকেছিলাম।



typical bengali

Okay, I'm finally on this blog! Although I don't really know how to do anything on it yet...where is bengali fonts? is this thing posting? Anyway, here's a topic for torko? What is "typical Bangla"? As the only non-Bengali South Asian in Bangla class I demand to know if my Gujarati stereotypes about Bengali people are correct, and would like to hear your views on the matter! Me and our shikhikha Mandiradi had a discussion about it...I think my stereotypes are quite justified looking at our second year Bangla class! I hope this post is controversial enough!


Goals/Regimen for this semester

#19 on my list of personal goals for 2007 is to attain a solid grasp of Bangla. Specifically, I want to improve my reading speed and vocabulary so that I could read newspapers written in Bangla and comprehend relevant current economic, business, and social issues. I want to be able to watch NTV and understand  like 50% of everything that comes out of their mouths; right now it's more like 10% AND I'M A FLUENT SPEAKER! I'm being realistic. I don't think I'll ever put in the time and effort needed to understand 100% of everything on Bengali film and television, at least not anytime soon.

Anyway, last semester I got a B+, which I'm not happy with but I deserved it. This semester calls for nothing less than an A, and I'm gonna put in serious work into it. Even though I'm staying an extra year, this will be my last semester enrolled in Bangla (I'm currently a 2nd-year) and I want to hammer it in hard so that I could sustain my proficiency by reading the papers every so often afterwards.

Mistakes Learned/Things to do this semester:

- IMPROVE SPELLING. I waited to do this until the night before my final exam, which resulted in a string of bad quizzes throughout the semester and poor performance on the first midterm. This is also why Andrew, akta shada chele, consistently got higher grades than me. Watch out this semester, Andrew babu.

- FIRST-YEAR BANGLA MISTAKES. Along with spelling, I've also made several stupid mistakes on basic things I learned three semesters ago. This is unacceptable.

- NO MORE LATENESSES/ABSENCES. I got several 1/4-point offs for this. Again, unacceptable. Going out five nights a week will continue this semester, however, from now on I'll make sure to wake up on time, do a light workout, and eat a light healthy breakfast prior to class.

- STOP SPEAKING BANGLA LIKE AN AMERICAN. Change the way I pronounce my Rs and inflect a bit more of that mushy sycophantic tone that's shared by all my uncles and aunties. Or maybe I'll try to sound all thugged out and gangster like Noakhalis and Sylhetis. I dunno, but I've gotta take time to think about the kind of accent that I want to model.

- PRACTICE DAILY. Rather than daydreaming in class and cramming last-minute for quizzes and exams, this semester I will take small steps everyday to improve  my reading/writing comprehension. I will read online newspapers everyday to improve my vocab and reading speed.

- KEEP A JOURNAL CHARTING MY PROGRESS. I'll keep my own journal filled with daily entries about anything SPECIFIC that I learned that day - whether it's some new vocabulary words, something I spelled wrong, grammer rules, etc. This way I won't make the same mistakes over and over and over again like I did last semester.

- ORGANIZED VOCABULARY LIST. Last semester, I kept a vocabulary list organized for each letter, which wasn't good for me to run through randomly. This semester, I'm going to allocate the words into the following categories: basic verbs, basic adjectives, feelings/states of mind, personality traits, politics/business/science, nature/animals, family/relationships, derogatory words & phrases, miscellaneous.

- SUCK UP TO MANDIRA. This semester, I will suck up and sweet-talk Mandira as much as possible, and also frequently make unncessarily long posts 3 in the morning like this one to display my genuine commitment and passion for ASIANLAN286. While outdoing Andrew babu in spellling, I'll also outdo Fatema in being such a teacher's pet. I'll ask Ammu how she handles random guests visiting our house, and apply the same flattery tactics on Mandira in class everyday.

That's all for now.

By the way, I chose to post this under "Mainly for Advanced level students" because I'm obviously the most Advanced of Advanced level students - in the whole wide world. But I guess you could still read it and comment even if you're not as intellectually superior and genetically gifted as us.... I guess.

~ President Sayem


Some suggestions and ideas about winter semester, 2nd. year.

Second year students

Today Fatema and Sayem were present in the class. We talked about the syllabus and they gave suggestions about we can do this semester. They also talked about their strength and weakness in different learning skills like reading, writing.... etc. So, those who were not present, think along on this line this weekend and  probably post your ideas in this blog.

Problem areas :

Journal:   syntax and spelling.

Reading: Overall comprehension.

Vocabulary: We all know that there is a problem. Sayem suggested that he is going to arrange his vocabulary according to subjects/topics.This is a good idea. probably you all should do it and exchange your own vocabulary list or we should make a list , here, on the web and make one list on each subject.

Sayem's list :

Basic verbs

Adjectives,

State of mind ( feelings)

Personality traits

Food

Animals

Nature

Politics + Business

Sayem's special interest : Politics and business in Bangladesh

Fatema's special interest: Bangladeshi culture She is going to work on women's health.

Andrew ??

Nishaant ??

Sayem and Fatema suggested that if the newspaper article is given on the day before the class, that would be good.

We talked about rabindrasangeet and other bengali songs but I still do not know how to incorporate those in the class. I am still thinking about it .


গান ৩

I remember that when I was five and half years old,  I went to see this movie with my  father, grandmother and my জ্যাঠতুতো দিদি / cousin. The movie was funny but the song is quite serious :) Actually I like this song. You will notice, how much " Radha" and " Krishna"s references come in main stream Bnegali movies.

সিনেমার নাম " ধন্যি মেয়ে" ।

http://www.youtube.com/watch?v=TDFBuaBY-yY


gan 2

Students, now he may not seem handsome to you all because you belong to different age group and many of you probably live outside Bengal . The criteria of handsomeness very from place to place and from time to time but he is all time favourite 'Nayok/ film star' to Bengali people. Ask a Bengali person about ' Uttom kumar' and see his/her reaction. I am refering here to that actor who is singing.

http://www.youtube.com/watch?v=8CAFsBeiKj8