https://www.verbling.com/find-teachers?price%5B%5D=5&price%5B%5D=80&sort=magic&language=bn

Entries categorized "Writing" Feed

Thinking of pros and cons of using 'Padlet'

I found 'padlet' and ' pinterest' are kind of same. So, I am trying to find out the logistics behind 'Padlet. What did the teachers do with it and how did they do it. I would like to involve my students to build up resources for their Bangla learnig, create a shared project, or put their thoughts in it. First, let read some articles on 'padlet' and then decide.

 

The Writing is on the Wall: Using Padlet for Whole-Class Engagement / Beth Fuchs

 

I am sure I can use some ideas from this board on padlet.  I would like to use it to collaborate students in 'Italki.com' and ' Verbling.com'

100 Ways for Teachers to Use Padlet

I am getting more excited as I am getting closer to language learning and teaching ideas using 'padlet'.

 

30 WAYS TO USE PADLET IN ESL CLASSROOM

..........................................................................................................................................................

For me, it will be 'Bangla classroom'

Quick note: I love the idea ' word of the day'. Very good for beginners.

How will I organize it ?  

a. Add students.

b.  

Either tell the students to download  'avro keyboard'. Though I do not like my elementary Bangla students to use typed fonts. 

Or

They can take a picture of the written word in padlet instantly and put on the board. 

Humm, I like the second idea more.

So, we will get a couple of vocabulary in a week. Then what ? Weekly basis review. 

OLLet's see how it goes. I will come back for review. 

..........................................................................................................................................................


ভালো রে ভালো English Translation - SASLI 2015

 

Please enjoy the English translation of Sukumar Ray's classic poem, ভালো রে ভালো, produced by the Elementary Bengali class at the SASLI Summer Language Program at UW-Madison. More information on the poet can be found here

Good is Good

by Sukumar Ray 

Oh brother! In my thoughts I see so far

In this world, all is good

The real is good, the false is good

The cheap is good, the costly is good

You are good, and I am good

Here, the rhythm of the song is good

Here, the flowers' scent is good

The cloud-dappled sky is good

The wave-stirring breeze is good

The summer is good, the rains are good

Dark is good, fair is good

Pulao is good, korma is good

Fried fish dolma is good

The straight is good, the winding is good

The hairy and the bald are good

The drum is good, the gong is good

Pushing the cart along is good

Rolling the bread dough is good

To hear the songs of old is good

The feel the cling of cotton is good

The cold shiver of a shower is good

But the very best of all

Is porota with peanut butter.

 

Translation by:

SASLI Elementary Bangla Class, Summer 2015

Tim Aylsworth, Scott Lynn Brown, Calynn Dowler, Samuel Lagasse, Sarita Mizin


Erin's Journal 3

এ পৃথিবিরটে দুরকমের লোক আছে; এক, যে পুরো জীবনে একই কাজ করে, আর অন্য, যে একই জীবনে, সবরকমের কাজ করে। আমি অন্য রকমের লোক হতে চাই। আমি এখন কৃষক হতে চাই, এখন বাবুর্চি। এখন ভারতে থাকতে চাই, একন শিকাগোতে, এখন ক্যালিফোর্নিয়াতে। কিন্তু আমার একই রকমের চাকরি পচন্দ করতে হবেনাহলে আমি কিছু কামাই করব না।

এ গরমকালে আমি আমার বন্ধুর সঙ্গে পাঞ্জাবে ঝুলে পড়ব। সে সিদ্ধান্ত নিল যে পাঞ্জাবি পড়বে, এবং আমিও কার্যক্রমে দরখাস্ত করলাম। মনে হচ্ছে যে ভারতে ফেরত জাবার থেকে আমার একটু ফাঁড়া আছে। আমি যখনই ভারতে যাই, তখনই আমার শরীর খারাপ হয়ে জায়। ভাগ্যক্রমে কনো মারাত্মক রোগে পড়ি নি। যদি আমার খাবারের পরিষ্কারে নজর রাখি তবে স্বাস্থ্য ভাল থাকবে।


অদ্ভুত দিন, আদ্ভত গল্প

Erin's Journal 2

 হায় কপাল!কাল রাত্রিতে আমি দুচোখের পাতা এক করতে পারি নি। আমি কাশতে কাশতে বিষস খাচ্ছিলাম। আমি ঘুমোই নি, তাই আজকে আমি অজ্ঞান হলাম।

 যখন আমি মাটিতে শুয়ে ঘুমন্ত ছিলাম, তখন কেউ ধৃষ্ট হয়ে আমার পার্স চুরি করল। কিন্তু কেউ আর আপারাধীকে ধেয়ে আমার পার্স ফেরত দিল। আমি তাকে বললাম, “তোমাকে যে আমি কি বলে ধন্যবাদ দেব, বুঝতে পারছি না”।

 সে বলল, “আমার সাথে স্কুল কামাই করো, ডাউনটাউনে যাব”।

 আমি বললাম, “না, আমাকে ক্লাসে জেতে হয়...” 

 সে বলল, “না, ক্লাসে যাওার বদলে নিজেকে আস্কারা দিতে হয়”। তাই আমি তার সঙ্গে ডাউনটাউনে গেলাম। কিন্তু তারপর আমি আনুতপ্ত বধ করলাম।


Erin's Journal 1 - Plans

আমি ত এখনও একটা খারাপ মূডে হয়ে গিয়েছি। আজকে আমি টের পেলাম যে সরকারের স্টেট ডেপার্টমেন্ট আমাকে আমার গ্রাডু্যেশনে যেতে দেবে না। তাঁরা একটা বৃত্তি দান আমাকে করলেন, কিন্তু কার্যক্রম গ্রাডু্যেশনের দু্’দিন আগে শুরু হবে। আমি চাইলাম যে আমি কার্যক্রমের জন্য ওয়াশিংটনে গিয়ে শিকাগোতে ফিরে আশব গ্রাডু্যেশনের জন্য। কিন্তু অ লোকটা আমার পরিকল্পনা বারণ করলে। তাই আমি জানি না যে পাঞ্জাবে জাব বা না।

এ গোটা অবস্থাটা আমার একদম ভালো লাগছে না। শুধু একটা স্বাভাবিক গরমকালের অভিজ্ঞতা চাই একটা সহজ চাকরি চাই, কিন্তু চাকরি খুঁজতে চাই না শুধু বিছানায় আরাম করে চাম্পুটারে টাইম প্যাস করতে চাই। আমি জানি যে আমি অত্যন্ত সেয়ানা কিন্তু মাথা খেলানোর সময়ে আমি খুব ক্লান্ত হয়ে যাই। একটু আরামের দরকার।

হয়তো আমি বাড়িতে ফিরে গিয়ে আমার মা-বাবাকে পুরো গরমকালে জ্বালাব। আমি বেদম জ্বালাতে পারি। যে তাঁদের উপদেশ কি হবে, তা আমি জানি না। আমি তাঁদের সঙ্গে আনেক কথা বলি না। প্রতি রবিবার মাকে ফোন করি, কিন্তু আমারবনিবনের পরিকল্পনার কথা এমনিতে করি না। মনে হয় আমাদের পরিবার একটু দুরে হয়ে গিয়েছে।


Journal 10 Finally

             আমাদের জীবনের লক্ষ্য

প্রত্যেক মানুষের কোন না কোন লক্ষ্য থাকে। তেমনি আমার জীবনেরও একটা লক্ষ্য আছে। আমার জীবনের লক্ষ্য আমি ভবিষ্যতে একজন বড় কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হব। এই লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য আমি ছোট বেলা থেকেই পড়াশুনার প্রতি আগ্রহী ছিলাম।
আমাদের দেশ উন্নয়নশীল। তাই দেশের উন্নতির জন্য নতুন নতুন কলকারখানা তৈরির প্রয়োজন। এই সব কলকারখানা স্থাপনের জন্য বিভিন্ন ধরনের ইঞ্জিনিয়ারের প্রয়োজন। দেশের বিভিন্ন খাতে উন্নয়নের জন্য ভাল কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের প্রয়োজন। আমি আমার দেশকে ভালবাসি। দেশের যাতে ভাল হয়, আমি যাতে আমার
পেশা
দিয়ে দেশের কোন কল্যাণ করতে পারি সেই চেষ্টাই আমার সবসময় থাকবে। নিজের লাভ বা লোভ আমার
কাছে
বড় নয়। দেশের উন্নতি দেশকে সেবা করার সুযোগই আমার কাছে বড়। এই দেশের মানুষকে আমি খুব
ভালবাসি।
এই দেশ ভবিষ্যতে যেন অনেক উন্নতি করতে পারে এবং আমি সেই উন্নতিতে আমার পেশা দিয়ে সাহায্য
করতে
পারি এটাই আমার ইচ্ছা আমি দেখেছি আমাদের দেশে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা খুব কম। এই সবদিকে
চিন্তা
করে আমি ঠিক করছি আমি বড় হয়ে একজন নাম করা কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হব এবং দেশের সবো করব।



Journal 9

                                          নৌকা ভ্রমন

আমাদের
 দেশে অনেক নদী, খাল-বিল আছে। সারা বছর নদীতে নৌকা চলে। বর্ষাকালে নৌকার ব্যবহার আরও বেশি হয়। জীবনে প্রথম নৌকা ভ্রমনের কথা আমার সবসময় মনে থাকবে।
আমাদের এক আত্নীয়ের বাড়ি আমাদের বাড়ি থেকে পনেরো কিলোমিটার দুরে ছিল। বর্ষাকালে নৌকা ছাড়া সেখানে যাওয়া যেত না। এক ছুটির দিন ঠিকহল সেই আত্নীয়র বাড়ি যাওয়া হবে। নৌকায় বেড়াতে পারব বলে মনে মনে খুব খুশি হলাম। আমরা পাঁচজন নৌকায় উঠলাম। দুইজন মাঝি ছিল। সকাল আটটায় নৌকা ছাড়ল। অনেক দুরের পথ। প্রথমে খাল পার হয়ে নদী দিয়ে অনেক ঘুরেফিরে বিকেলের দিকে পৌছাব। 
অনেক
 সময়ের ব্যাপার বলে নৌকায় বিছানাবিছিয়ে নেওয়া হল। যাতে আমরা শুয়ে বসে আরাম করে যেতে পারি। 
সাথে
 অনেক রকমের খাবার নেওয়া হয়েছিল দিনটি ছিল চমৎকার খালের পথটুকুর দুধারে মানুষের ঘড়বাড়ি। বিভিন্ন মানুষ নানা কাজে ব্যস্ত। আমরা খাল পার হয়ে নদীতে চলে এলাম। বাতাস না থাকলেও ঢেউয়ের আঘাতে 
নৌকা
 দুলে উঠতে লাগল। তীর ঘেঁষে আমাদের ছোট নৌকা চলতে লাগল। হঠা ঝড় শুরু হয়। মাঝি তাড়াতাড়ি তীরে 
নিরাপদ
 জায়গায় আশ্রয় নিল। কিছুক্ষনের মধ্যে ঝড় থেমেগেল। আমরা আবার চলতে লাগলাম। নদীতে অনেক 
নৌকা চলাচল করছে। আমরা দুপাশের দৃশ্য দেখছি। হঠা হৈচৈ শুনে দেখি একটু দুরের একটি নৌকা কাত হয়ে 
যাওয়াতে
 সেই নৌকায় বসা এক মায়ের কোল থেকে তার বাচ্চাটা নীতে পড়েগেছে। ধর ধর বলে নৌকার অন্যান্য 
যাত্রীরা
 নীতে ঝাপিয়ে পড়ে বাচ্চাটিকে বাঁচাল। এই দেখে আসে-পাশের নৌকা থেকে সকলে আনন্দে চিৎকার করতে 
লাগল
এইভাবে একরকম আমরা আমাদের জায়গায় পৌছে গেলাম। এই নৌকা ভ্রমনের কথা আমার সারা জীবন মনে থাকবে।


  


Journal 7

একুশে ফেব্রুয়ারী

বাংলাদেশীদের জাতীয় জীবন যে সব দিনের অনেক গুরুত্ত্ব রয়েছে তার মধ্যে অমর একুশে ফেব্রুয়ারী বা শহীদ 
দিবস
 বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। একুশে ফেব্রুয়ারীর মাধ্যেমে এদেশের মানুষ রিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে এবং এই পথ ধরেই বাংলাদেশের শাধিনতা এনেছে। মুসলামানদের আলাদা বাসভূমি পাকিস্থানী সৃষ্টি হয়েছিল। ১৯৪৭ সালে সংখ্যা গরিষ্ঠ বাঙ্গালী অধিকার উপেক্ষা করে উরদু 
ভাষাকে
 রাষ্ট্র ভাষা হিসাবে প্রচলনের উদ্যোগ নেয়তখনকার পাকিস্থানের সরকারের প্রতিবাদে বিভিন্ন 
সময় বাঙ্গালীরা ধর্মঘাট  মিছিল করতে থাকে। ১৯৫২ সালে ঢাকায় তখনকার পাকিস্থানের প্রধান মন্ত্রী 
নাজিম উদ্দিন ওদের পক্ষে মত প্রকাশ করলে প্রতিবাদে  ফেব্রুয়ারী ঢাকায় ধর্মঘাট হয়। (to be continued)


Journal 8

একুশে ফেব্রুয়ারী

 

২১ শে ফেব্রুয়ারী সারা দেশে ধর্মঘাট আহব্বান করা হয়। তখনকার সরকার এই আন্দোলনকে থামানর 
জন্য ২১শে ফেব্রুয়ারী ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। ২১শে ফেব্রুয়ারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সভা হয় এবং 
১৪৪
 ধারা ভঙ্গ করার সিন্ধান্ত নেওয়া হয়। ছাত্র জনতা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাস্তায় নেমে আসে। পুলিশ জনতাকে 
দিকে
কাদানি গ্যাস ছুড়ে। এতে জনতা উত্তেজিত হয়ে পড়ে তখন পুলিশ নিরাপরাদ ছাত্রদের উপর গুলি চালায় 
পুলিশের গুলিতে শহীদ হন বরকত, সালাম, জব্বার, রফিক  আর অনেকে। ১৯৫২ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারী 
হত্যা
 কান্ডে বাঙ্গালী জাতিকে আত্ম সচেতন করে তোলে এবং নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য তারা বদ্ধ 
পরিকর
 হয়ে ওঠে। এভাবেই বাঙ্গালী জাতি অর্জন করে মাতৃভাষা।পরে এই একুশে ফেব্রুয়ারী আন্তজার্তিক ভাষা 
দিবস হিসাবে  পরিছিতি লাভ করে।

 


একজন লোকের বিপ্লব

বুঝেন কী সুন্দরের সম্বন্ধে আমার প্রস্তাব ।
এর বিদ্রোহের সময়ের জন্য দাঁড়ানো দরকার হয় না ।
আমি আপনাকে একজন লোকের বিপ্লব ঘটাতে ডাকছি ।
যেটা বিপ্লব সেটা শুধু বিপ্লবটা ঘটবে ।।
                  - রোবের্ট ফ্রস্ট, Build Soil, A Political Pastoral-তে

  আজকাল প্রতিদিন আমেরিকাতে কোন নির্বাচনপ্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সম্বন্ধে অনেক কথা বলে। লোক ইরাকতে যুদ্ধের, স্বাস্হ্যকৃত্যকের, চাকরিগুলোর, সন্ত্রাসবাদীর, বেকানুন অভিবাসনের, পৃথিবীর প্রতিবেশের, আর পেট্রলের দামের সম্পর্কে চিন্তা করে। অনেক লোক বিশ্বাস করে যে যদি শুধু ঠিক নির্বাচনপ্রার্থীকে ভোট দিয় তাহলে আগের চেয়ে তার জীবন ভালো হবে।

  কল্পন করুন যে আপনি আমেরিকান লোক হয়ে প্রায় আমেরিকান লোকের মত বড় গাড়ি চালাতেন। আপনি জানতেন যে আপনার বড় গাড়ি পেট্রলের জন্য যুদ্ধ করান। আপনিও জানতেন যে পেট্রলের বেচা দিয়ে কিছু পেট্রলের লাভ সন্ত্রাসবাদীর জন্য টাকা করে, আর আপনার গাড়ির হাওয়া পৃথিবীর প্রতিবেশ খারাপ করায়। যদি আপনি যুদ্ধের, সন্ত্রাসবাদীর, আর পৃথিবীর প্রতিবেশের সম্বন্ধে চিন্তা করেন তাহলে সরকারের জন্য এসমস্যাগুলো মীমাংসা করতে দাঁড়ান কেন? আপনি নিজেকে মীমাংসা করতে পারেন। কম চালাবে বা চালাবে না! 

  কিন্তু আমেরিকান লোক চায় যে আমাদের জীবন আগের চেয়ে ভালো হবে। আমরা অসুবিধা হতে চাই না। আমরা কেউকে আমাদের হয়ে পৃথিবীর আর আমাদের দেশের সমস্যাগুলো সুরাহা করতে চাই। কিন্তু কে করতে পারে? আমরা নিজেকে ভাবি যে হয়ত আমেরিকানের সরকারের বা কিছু বেসরকারি দলনির্মাণ কাজ করতে পারে। আমরা কেউকে করতে চাই, কিন্তু আমরা নিজে করতে চাই না।

  এটা আসল সমস্যা। আমরা বিস্বাস করতে চাই যে সমস্যা আমাদের মনতে এত বড় থাকলে আমরা নিজেকে বলি যে লোকের দল মীমাংসা করার দরকার। আমরা বলি, “একা, আমি কী করতে পারি?” সমস্যাটা ভাবগত থাকলে আমাদের করার দরকার হয় না। অন্য লোক কাজ করলে আমরা কিছু টাকা দিতে পেরে এর সম্বন্ধে ভুলে যাই। আমাদের জীবন একা থাকে আর আমার চাল বদলানো দরকার হয় না। যে আমাদের জন্য এত সহজ করে সে অন্য লোককে করতে হয়।

  সবসময় দুটো প্রশ্ন সবথেকে ভালো। আপনি কেমন চাল বদলাবেন? কি করবেন? বদল করতে চাইলে আমরা নিজে করতে হব। এ একজন লোকের বিপ্লবের মানে। শুধু উপায়টা বদল হয় যদি আমরা কিছু জিনিস করি। অন্য লোককে আমাদের নৈতিক কাজ দিতে পারে না। একটা সরকার, একটা দল, একটা প্রতিষ্ঠান নীতি নেই। শুধু লোকের নীতি আছে, আর জখন আমরা নিজে নৈতিক কাজ করে তখন আমরা পরিবর্তন করে চাল বদলাই।

  এখন তিনটে উদাহরনের সম্বন্ধে ভাবুন - পরোপকারী দলনির্মাণ, সরকার আর একটা লোকের বিপ্লব। জখন একটা ঘুর্ণিবাত্যা বাংলাদেশে বানে ভেসে যাবার মত পড়ে তখন কী হচ্ছে?   

  যদি পরোপকারী দলনির্মাণ সাহায্য করে তাহলে লোককে উদ্ধার করাবে। কিছু লোক পরোপকারী দলনির্মাণ টাকা দিবে। অন্য লোক তারপর তাদের পক্ষে পরোপকার করবে। খাবার, মিঠে জল আর জামা-কাপড় দিবে।

  এ খারাপ নয়। এটা ভালো। এটা সত্যি যে প্রায় লোক এরকম সাহায্য নিয়। কিন্তু যে লোক টাকা দিল তাদের জীবন এরকম থাকে কি? কেমন চাল বদলাবে?

  যদি মাইক্রোসফটের বিল গাটেসের আর ওয়াল স্ট্রিটের ওয়ারেন বফেটের মত লোক ভাবে যে পরোপকারী দলনির্মাণকে দেওয়ার সবথেকে ভালো তাহলে আমাদের ভাবা উচিত যে এটা ভালো কারণ এরকম লোক মরে যাবে তখন তাদের ধন পরোপকারী দলনির্মাণকে নেবেন? অনেক লোক ভাবে যে এ ভালো। তারা কিছু রকম ঠিক।

  কিন্তু একটা প্রশ্ন থাকে। কিভাবে ধন নিছিল? আমরা যে লোক টাকা দিয় সে তার জীবনের আর কিভাবে টাকা করার সম্বন্ধে কথা বলতে পারি?

  পরোপকারী দলনির্মাণ ভালো। টাকার দেওয়া ভালো। কিন্তু আমাদের ভাবতে হয় না যে ভালো জীবনের জন্য টাকা বদল করতে পারে। যদি ঘুর্ণিবাত্যা বাংলাদেশে হয়, বাংলাদেশের লোকের যন্য টাকা দিয় আর বড় গাড়ি চালায় যে পৃথিবীর গরম করায় তাহলে আমরা কি ভাবতে হব? যে কিছু টাকা আমাদের খারাপ ব্যবহার জন্য বদল করে?

  হয়ত, কেউ উত্তর নেবে যে “হাওয়া শুধু একটা গাড়ি দিয়ে থাকলে পৃথিবীর গরম কী তফাত হবে”? কিন্তু জখন প্রতি লোক এরকম ভাবে তখন সব একসঙ্গে পৃথিবীর গরম হতে পারে। গাড়ি চালালে আপনি সমস্যাটা যোগ করেন।


  এখানে একটা কথা বিল গাটেসের আর ওয়ারেন বফেটের সম্বন্ধে বলা দরকার। যেভাবে একজন লোক এত লক্ষ লক্ষ টাকা জামাতে পারে সেভাবে কি এ চুরির রকম? আপনাদের কি চোরকে সুখ্যাতি করা উচিত কারণ জখন মরে গেল তখন টাকা পরোপকারী দলনির্মাণ দিবে? যদি লোক একটা হাত হাতে অনেক নিয়ে অন্য হাত হতে একটু দিয় তাহলে আমরা কি এর সম্বন্ধে বলতে হব?

  একাটা সরকারের সম্পর্কে বলা হতে পারে। এটা সত্যি যে সরকার কিছু ভালো জিনিস করতে পারে। কিন্তু সরকার শান্তি রক্ষা করতে পারে না কারণ সরকারের ক্ষমতা জোরাজুরির ওপর ভরসা করে। কত লোক মরে যায় যুদ্ধ দরুন? কত লোক জীবন নষ্ট হয় যে তার জীবন থাকে সে একটা সেনার জীবন দরুন। সরকার যত সমস্যাগুলো মীমাংসা করে তত সমস্যাগুলো এক আরো করায়। শুধু লোকের নীতি আছে। কিন্তু হয়ত কেউ কথা বলতে পারে যে যদি লোক সরকারের জন্য চাকরি করে তাহলে সরকার নীতি হতে পারে কি? তবু একটা সরকার নীতি হয় না। কেন?

  জখন আমলাতন্ত্র হয় তখন আমাদের নীতি নষ্ট করে। এখানে একটা ভালো উদাহরণ। যদি সেনা কিছু লোককে বধ করে তাহলে সেনা কাপ্তানকে তার ব্যবহারের জন্য নিন্দা করে। ও বলে, “কাপ্তান আমাকে আদেশ নেলেন”। তারপর কাপ্তান বলে, “নেতা আমাকে আদেশ নেলেন”। তারপর নেতা বলে, “আমি সেনা, কাপ্তান বা জনসাধারণ শুনলাম। যে তারা আমাকে করতে চায় সে আদেশ দিই”। 

  সবাই অন্য লোককে নিন্দা করে কিন্তু কেউ নিজেকে নিন্দা করে? যদি না গছায় তাহলে নীতি হতে পারে না। যদি আমরা কখনো নিজেকে না ভাবি – আমি কি করব? কিভাবে নিন্দা করা হল? – তাহলে আমরা আমাদের উপায় হারাই। অনেক সমস্যা দেশে আর পৃথিবীতে বেশী বড় যে এ সত্যি। কিন্তু আমরা ভাবা পারে না যে সরকার বা পরোপকারী দলনির্মাণ আমাদের সমস্যা মীমাংসা করতে হবে। শুধু আমরা নিজে আমাদের সমস্যা সুরাহা করতে পারি।

  কিন্তু আমরা কি করব? সবাই আমেরিকাতে থাকার মধ্যে প্রায় লোকের চাল বদলানো দরকার। আমি বিশ্বাস করি যে প্রথম আমরা নিজেকে চাল বদলাতে হয়ে পৃথিবীর বদল করাতে পারব। হ্যাঁ, টাকা আর আমাদের সময় দিতে পারে। কিন্তু যদি আমরা সত্যি অন্য লোক সাহায্য করতে চাই তাহলে তাদেরকে কষ্ট দিতে শেষ করে আমাদের জীবন সেরিয়ে সাহায্য করতে পারি।

  আবার কি করব? আমরা বুঝতে হবে এরকম অন্য লোক কষ্ট করি। প্রথম এ শেষ করি। কিন্তু এর মানে আমাদের চাল বদলাতে হয়ে আমাদের করা উচিত হবে কারণ যদি আপনি না থাকেন তাহলে কে থাকবে? যদি এখন না করে তাহলে কখন কবে? তারপর, আমরা টাকা দেওয়ার, সরকারের আর বেসরকারি দলনির্মানের সম্বন্ধে আর ভাবতে পারি।


সামাজের প্রিয় আংশ - SASLI 2007

ক্লাসতে আমরা প্রায় আমাদের প্রিয় বই, ছবি, নাটক আর ইত্যাদির সম্বন্ধে বলছিলাম। এপস্ট আমি এবিষয়র সম্পর্কে আরো লেখতে চাই।

গতবৃহস্পতিবারতে ব্রাইন আমাদেরকে ছবির আংশ দেখায়েছিল। ছবির নামে আমার আকবার আন্থনি। যে সময় ছিল সেটা প্রথম্বার আমি কোনো জিনিসের মত দেখেছিলাম। আর আমি চুপচাপ থাকেছিলাম। আমার মনে হয় কখনো কোখনো জখন নতুন জিনিশ দর্শন করে তখন কিছুসময় সমঝায়।

এশনি-রবিবার আমি আমার স্ত্রীর জন্য উ-টুবে থেকে যে ছবির নাম আমার আকবার আন্থনি দেখাইয়েছিল। সে কিছু অভিনেতার ছবিতে চেনেছিল কারণ তার বাবা-মা প্রায় তাদের সম্বন্ধে কথা বলত। এবারতে আমি খুব হাসেছিল।

আমার মনে হয় যে আগে এগরমকাল এটা হল। জেমনঃ মান্দিরা আর তাঞ্জিনা হয়ত ভাবেছিল আফ্র-বিত একটু আদ্ভুত। যদি আগে জলসাতে গেল তবে এটা কঠিন সমঝায় জখন তারা ব্যাস্ত নতুন সব্দ দর্শন করে।

কিন্তু এখন আমি জানতে চাই, তোমাদের কি ভালো লাগে আর কোন আমাদেরকে বাতলায় । আমি জানি যে ব্রাইন আর তাঞ্জিনা হিন্দি ছবি ভালোবাসে। কোন সবথেকে ভালো লাগে? যদি আমি কোন হিন্দি চবি না দেখতাম তবে কোন হিন্দি ছবি দেখতে হবে?

আমার জন্য বিদেশি ছবি এবং অন্য সময় আর আন্য জায়গার কথা ছবি সবচেয়ে ভালোবাশি। আমি তোমাকে কিছু বলতে ঠিক করছিলাম।

তুমি কোন বই পড়ছ? এগরমকাল, ব্রাইন কিছু বইয়ের কথা বলেছিল। মান্দিরার আর ব্রাইনের হ্যারি পোটের ভালো লাগে বলে আমিও এবইটা পড়ব। ব্রাইন অন্য বই আমাকে কথা বলেছিল আর আমিও এবইগুলো পড়ব বোধ হয়। ভারত গ্রামের গল্প আমিও পরব।

কোন বই আমি তোমাদেরকে বাতলাই? এটা খুবই জটিল ব্যাপার কারণ এত বই আছে। আমার জন্য এখন আমার চয়নিকা লিখতে ভালো লাগে। আনেক বই পড়তে চাই কিন্তু একাল আমি বেসি বই পড়তে পারি না। এখানে আমি কিছু বই লিখেছিলাম যে আমি পড়তে চাই। যে মান্দিরা বাংলা বই আর ইংরিগি বই পড়তে পছন্দ করে সেটা জানতে চাই। ব্রিয়ান আর তাঞ্জিনা, আর তোমার? কোনো বই তোমার ভালো লাগে যে তুমি বাতলাতে পারে?

আর সংগীত? আমি তোমাদেরকে কিছু গান শোনাছিলাম। তোমাদের কোনো বিশেষত পছন্দ করো? কোনো গান আর সংগীতি বাতলাতে পারে? আমি নিচু সংগীতি বাতলাছি।

ছবি

  1. Lawrence of Arabia
  2. Blade Runner
  3. 2001: a Space Odyssey
  4. Aguirre: The Wrath of God
  5. Apocalypse Now
  6. Donnie Darko
  7. Who's Afraid of Virginia Woolf?
  8. Seven Samurai
  9. One Flew Over the Cuckoo's Nest
  10. The Good, the Bad and the Ugly

বই

  1. Cosmopolitanism : ethics in a world of strangers
  2. Born fi' dead : a journey through the Jamaican posse underworld
  3. The book of Ammon
  4. When affirmative action was white : an untold history of racial inequality in twentieth-century America
  5. Fear up harsh : an Army interrogator's dark journey through Iraq
  6. Love in a Dead Language
  7. The translation of Dr. Apelles : a love story
  8. The autobiography of Malcolm X
  9. Living well on practically nothing
  10. Six days of war : June 1967 and the making of the modern Middle East

Recommended

  1. World Poetry: An Anthology of Verse from Antiquity to Our Time
  2. The Norton Anthology of Poetry
  3. The New Lifetime Reading Plan

সংগীত

  1. Angie Stone
  2. Smog
  3. Talvin Singh
  4. Sidestepper
  5. My Brightest Diamond
  6. Grand National
  7. Calexico
  8. Iron & Wine
  9. Natacha Atlas
  10. Plena Libre

জীবনের মানে কি? SASLI 2007

কেউকে এবার সুনলাম যে আপনি একটা পর্যাস চাইলে নতুন মন বাড়ে আর নীরবে করুন যদি আপনি পারেন।

অন্যবার আমি একটা গির্জাতে গেল। এগির্জা প্রায় কখনো যাই না। কিন্তু ওদিন আমি গেল। বড় পাদ্রি ধর্মোপদেশ দিল আর এটা ওখানে শেষ ধর্মোপদেশ দিল। সে অন্য গির্জা গেল।

সে বলল যে জীবন একটা খালি গোরগুলোর সারি। প্রায় যখন সমুত্থানের সম্বন্ধে ভাবছে তখন মারা যাওয়ার পরে ভাবছে খ্রিস্টানরা। কিন্তু এপাদ্রি সমুত্থানের সম্পর্কে চিন্তা করল যে এটা আনেকবার জীবনে হয়। আমার মনে হয় যে প্রতিবছর, হয়ত প্রতিদিন বা অনুক্ষণ সমুত্থান হতে পারে।

কিন্তু প্রায় লোকের এত বদল ভালো লাগে না। এজীবন একুনি স্নেহ করছে। তারা অন্য জীবন চায় না আর তারাও অন্য লোক বদল করতে চায় না। সেযন্য প্রথম কথাতে ও বলল যে ওদের নীরবে করুন যদি আপনি পারেন।

আমার মনে হয় যে আমার লেখা হয়ত আপনাকে একটু আদ্ভুত লাগবে। তাই এখন আমি ধর্ম-অর্থ-কাম-মোক্ষ-এর চিন্তা আর আমার বিশ্বাস তুলনা করব। প্রথম আমার কথা বলা উচিত যে আমি জানি না কী ভারততে ঠিক ধর্মচর্চা কিন্তু এচিন্তাগুলো এ তর্ক সুরু করতে পারে।

যখন বাঙ্গালি লোক ধর্মের কথা বলে ধর্ম মানে কি? হয়ত ধুর্গা পুজা মনে পড়ে। আমার যন্য যেক্ষন ধুর্গা পুজা হয় সেক্ষন আমাদেরকে মনে করে যে সবাই প্রথিবিতে একটু ছোট অংশের বড় পরিবার। কলা বউর মত আমাদের আদ্ভুত বোধ হয় কিন্তু যদিও আমাদের আনেকরকম জীবন থাকে তবেও আমাদের পরিবারতে থাকে।

আমার ধর্মের একা। আমার যন্য দেব আমাদের ভেতরে থাকেন। দেব নিঁজেকে আমাদের শাখান। যেটা সুধু আমাদের করতে হয় সেটা দেবকে শুনি। যখন আমারদের শুনি না আর সুধু নিজে ভাবি তখন সমস্যা হয়।

যদি প্রতি লোকজন সমাজের অংশ আর দেব তাদের নিয়ে বলতে পারে তবে এচিন্তা আমাদের অন্য লোকের কথা উপায়টা ভাবে। এ মনে যে কখনো কখনো দেব শ্ত্রু নিয়ে আমাদেরকে কথা বলে। যদি দেব অন্য লোক নিয়ে বলতে পারে, তবে আমাদের অন্য লোক মারা ফেলতে হবে না। আমাদের মনে করতে হয় যে দেব চুপ করেন না আর প্রায় যে তিনি আমাদেরকে চান সেটা কঠিন জানতে পারে।

আমার এবার পড়লাম যে আমাদের মুখমুখি তালায় এখানে দেব থাকে। দেবকে ভালোবাশি আর অন্য লোক নিজের মত ভালোবাশি। এটা এত সরল তবে এত জটিল যখন জীবনে করতে হবে। আমার জন্য মোক্ষ হয় যখন আমাদের জীবন আর দেবের মন একা হবে।

অর্থ পাওয়ার দরকার কেন? গারিব হলে ধর্ম মনে পড়ে না। যখন কেরো খাবার নেই তখন সুধু খাবার ভাবতে পারে। কিন্তু যখন অনেক টাকা করতে হয় তখন প্রায় সুধ টাকা ভাবে পারে। আমার জন্য আমরা জানতে হবে কী দরকার আর কী সুধু জিনিস চায়। কিন্তু অর্থ? এটা আরো সমস্যা আনবে।

শেষে আমরা কামের কথা ভাবতে পারে। আমার মনে হয় যে কাম অর্থের মত। লোকের চাওয়া আছে আর সবাই ভালোবাসা হতে চায় আর ভালোবাসতে হয়। এপথ ইস দুই ধবংস হবে আর মোক্ষ হবে। কোথায় কোন পথ যাবে, কেউ জানতে পারে?


চারুলাতা - সমালোচানা, SASLI 2007

চারুলাতা উনবিংশ শতারীতে বাংলার বড় লোকের সমাজের কথা চবি। এ গল্পের চারুলাতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নষ্টনীঢ় থেকে অভিযোজন করল। সত্যজিত রায় পরিচলিক ছিল।

ভুপাতি রাগনীতিক খবরের কাগজের মালিক আর এডিটার। সেও কাগজের জন্য লেখে। প্রায় কোখনো তার সময় কাজ কিন্তু রাগনীতিক লীলা করে না। ভুপাতি আদর্শবাদী আর সদিচ্ছা । তার হৃদয়বান আর উদার। সেভাবে ও নিজে দুর্ভাগ্য করাল কারণ তার অসন্দিগ্ধ। লোক বিশ্বাসপাত্র প্রমাণ করা আগে লোককে বিশ্বাস করে। যেবার শালাকে ওর হয়ে চালিত করা হয় সেবার একটা ভালো উদাহরণ।

কিন্তু গল্পটা আর জটিল। ভুপাতির আমলকে বিশ্বাস করা উচিত। ভারততে দেওর আর বউদি বিশেষ সম্বন্ধ যে প্রায় গলায় গলায় বন্ধুতা। যখন চারুলাতা তার দেওরকে প্রেম পড়ে তখন এসমাজের আসা বিনাশ করল।

আমল রসরাজ। আমলকে নিয়ে চবির সব মহিলারা মুগ্ধ ছিল। ও সম্প্রতি কলেজ পড়াশোনা শেষ করল। সাহিত্য ভালোবাসে আরে জবীনের কাজের জন্য লেখক হতে চাই। প্রতিবার কেউ বিয়ে বিষয় কথা বলে তার এটা ভালো লাগে না।

এটা ভালো প্রশ্ন। ঐতিহ্য ভারত বিয়ে করে কেন? কারণ আমলের জন্য ভুপাতি সম্বন্ধ করে আমরা ভাবতে পারি যে তাদের বাবা-মা মারে গেল। ভপাতি কিচু দরকার নেই। হলে আমল বিয়ে করতে হবে কেন?

আমল বিলিতি ঘুরে ওকালতি হতে প্রস্তাব করল। কিন্তু লখক হতে চাইলে বিয়ে করা হবে কেন? চারুলাতার পক্ষে এটা আর সত্যি। তার বাড়ি কারার মত আছে। সুধু সময়টা চারুলাতার বাড়ি গেল তখন ও আমলকে বাগান ছিল। ও চশমা দিয়ে অন্য লোককে কিন্তু তার নিজে সরল জীবন নেই।

অন্য প্রশ্ন ভুপাতি তার কাজের চেয়ে চারুলাতা আরো ভালোবাসা। ও কাজের চেয়ে চারুলাতা বেশি সময় কাটা ছিল। ও কাজ চারুলাতার রিভল ডাকল। কিন্তু সুধু চারুলাতার বিপ্তহগামি। আমরা সেভাবে বলতে পারে যে ভুপাতি চারুলাতার বিপ্তহগামী করাল? যদি ও তার স্ত্রীর সঙ্গে কাযের মত সময় কাটত তাহলে এটা হত না। কি দরকার? কাজের আর বিয়ের সম্বন্ধের জন্য ঠিক ভারসাম্য।

চারুলাতা খুবই বুদ্ধমতী। তার গুন ঐতিহ্য ভারতের সমাজের নষ্ট করল। সেভাবে কত মেয়ে আর মহিলা তার গুন নষ্ট করল কি? ভারতের আর সব পৃথিবীটার জন্য জত থাকে তত লক্ষ থাকে।

অন্য জিনিস বলতে পারে কিন্তু আবার শেষ করি বলার সময়।


আর প্রেম গল্প - SASLI 2007

এক আর তিন মাস কেটে গেছে। আসিতা আর সুপর্ন তবু অন্য বাসার দিকতে টান থাকে। এখন পাড়ার বাসিন্দা আসিতার আর সুপর্নর সম্বন্ধ বলতে সুদু করেছে। তারা বলছে –

সে তার বাসাতে সবসময় যাওয়া-আসা চলতে লাগে কেন? আমি সুনেছি যে তারা মন্মথের বাসার টেবিলে জনান্তিকে কথা বলে আর মন্মথ বাসাতে নয়।

আমি দেখেছ কেমন তারা পরস্পর দেখে। আমাকে কথা সুনুন কিছু ভালো এটা থেকে যাবে না।

আমার দাদা বললেন যে দু-চার বছর আগে, তিনি নাগপুরে আসিতা আর সুপর্নকে দেখলেন। তারা কি ছেলেবেলা বন্ধু আছে?

চারদিকে যে সুদু আড্ডাটা কাকে সুনছে সে আসিতার আর সুপর্নর কথা আছে। আনেক জিন্নিস মন্মথ আর তৃপ্তিকে সুনছে।

তারপর আসিতা গর্ভ হয়ছে। কারণ আগে সে মেয়ে মারা যাই, তার ডাক্তার তাকে বলছিলেন –

আপনার আনেক বিস্রাম করা উচিত। হাতবেন না। কাজ করবেন না। আপনার চাকরানির সব বারির কাজ করা দরকার।

কারণ যে ডাক্তারের কথা সে সুপর্নের বাসাতে জাবার থেকে নিবারণ করল। তাই সুপর্নের রোজ আসিতার বাসাতে গেতে সুরু করল। একবার আনেক আড্ডা করা হল।

সব আড্ডার দারুন মন্মথ তার স্ত্রি সঙ্গে সুপর্নের বিসয়ে কথা বলছে। যে কথাটা আসিতা তাকে বলে সে কেউ জানে না কিন্তু তা জানে যে সুপর্ন বাসাতে আসে থাকল।

সুপর্ন ফল আর সবজি, তৃপ্তির খাবার, বাচ্চা কাপড় এবং বাংলা আর ইংরিগি বই আল। জখন আসিতা কিছু করছে না তখন সুপর্ন ফিরে গিয়ে আরে গল্প করছে। কখনো কখনো, সেও গান গাইল। প্রাই সে মন্মথকে সাহায্য করল। তার ভালো বন্ধু ছিল।

যে আতুঁড় গর যাবার সময় ও হল। এবার আসিতা ছেলে হল কিন্ত সেও মারা গেল। কষ্টের মারফতে আসিতা না কেয়ে রোগা হয়ে নিজে মারা গেল। মন্মথ সাধু হল আর প্রতি দিন সাড়া দিন সে আসিতার জন্যে মিনতি করত। এক বছরের পরে সে খুন হল কারণ গ্রামের লোক তার বড় যোগবল ভয় পেল।

সুপর্ন আর তৃপ্তি আনেক ছেলেমেয়ে হল। সময়তে সুপর্ন আসিতার কথা মনে রাখে না। জখন মন হারায় তখন থাকে না।


স্কট জেঙ্কিন্স - জর্নাল ২ - অনুবাদ, বৃষ্টি আর গন্ডারটার, SASLI 2007

অনুবাদ - ঠমাস মেরটনের প্রবন্ধ, বৃষ্টি আর গন্ডারটার প্রথম অনুচ্ছেদ

একথা আমাকে বলুন বৃষ্টি একটা উপযোগ হওয়ার আগে যে তারা মতলব আঁটার আর বিভাগ করে টাকার জন্য। তারা নিয়ে আমি মনে যারা ভাবা পারে না যে বৃষ্টি উত্সব আছে, যারা সেটার বদান্যতা তারিফ করে না, যারা ভাবে যে যা দাম নয় তা কদর নয়, যে যা বিক্রয় করতে পারে না তা দৈহিক নয়, জেন শুধু উপায়টা জখন কিছু দৈহিক হয় তখন বাজারে বেচায়। সময়টা হবে তখন তারা আপনাকে আপনার বৃষ্টিই বেচাবে। এখনি, এটা তবু দাম নয় আর আমি এটার ভেতরে আছে। আমি ওর বদান্যতা আর ওর অর্থশূন্য পুণ্যশ্লোক করি।

Let me say this before the rain becomes a utility that they can plan and distribute for money. By they, I mean the people who cannot understand that rain is a festival, who do not appreciate its gratuity, who think that what has no price has no value, that what cannot be sold is not real, so that the only way to make something actual is to place it on the market. The time will come will they will sell you even your rain. At the moment it is still free, and I am in it. I celebrate its gratuity and its meaninglessness.

আমার মনে আছে প্রথমবার ঠমাস মেরতনের বই পড়া হল। আমার ষোলো বছর ছিল। মুদিখানাতে কাজ করা হল আর সব টাকাটা বই পড়তে কেনা হল।

গুপ্তচরবৃত্তি আর গুপ্তহত্যা করার কথা একটা বই পড়া হল। প্রায় বইয়ের এরকম পড়া হল না কিন্তু ওবার পড়া হল। একটা উপনায়ক ছিল যে বইয়ের অগ্রে গুপ্তঘাতক ছিল কিন্ত পর ও সাধুসঙ্গ থাকে। সাধু আশ্রমের নাম সিস্টেরসিন; তারা খ্রিস্টান দল। বইতে, উপনায়কটা অনাহারে থাকা নিয়ে আত্মহত্যা করা হল কারণ সে অপরাধবোধ থাকল। কিন্তু আমাকে সিস্টেরসিনের সম্বন্ধে কৌতুহল উঠা হল।

দোকানতে যাওয়া হল আর ধর্মের অংশ ছিল। বইয়ের নাম ঠৌহাট্‌স ইন সোলিটুডে। আমি এবইটা খুব পরছেন্দ করলাম।

বইয়ের দুটো অংশ আছে। প্রথম অংশ ধর্ম-অর্থ-কাম-মোক্ষ জীবণ কথা আর দ্বিতীয় অংশ নির্জনতার ভালবাশার কথা ও লিখলো কথা।

আমার মনে হয় যে আনেক ভাবনা বইতে হিন্দুর ভাবনার মত আছে। নাশ থেকে সর্জন হয়। আঁকার আগে খালি হৃদয়পট আছে কিন্তু খালি হৃদয়পট দেখা হয় না। ভাবনাগুলো আলেপ নয়। না, দেব হৃদয়পটের শিল্পী। বই একটা শিল্পী নয় আর ওটা একটা খালি হৃদয়পট আঁকা নয়।

কিন্ত কোনো বাঙালি নির্জনতা ভালবাশে কি? হয়ত বা নয়ত। আমার তবু এবইটা ভালো লাগে কিন্তু সুধু কখনো কখনো আলোচনার মত পড়তে চাওয়া নয়।


স্কট জেঙ্কিন্স - প্রথে জাবেদা, SASLI 2007

শিখাগো, ২২ জুনে ২০০৭

প্রিয় মাসি আর মেশো,

আমরা সুনলাম যে তোমারা মহেশপুরেতে ফিরে গিয়েছো। এত দিনের পরে তোমাদের ওখানে কেমন লাগছে? তোমাদের কোনো অসুবিধে হচ্ছো?

আমরা তোমাদের সবসময় মনে করি। যখন তোমরা আমাদের বাড়ি এসেছিলে তখন আমাদের খুবই ভালো লেগেছে। আমার মনে আছে তখন মাসি বলতো, স্কওওট আর আমি বলতাম মাশিইইই। আমাদের একসঙ্গে রান্না করার সময়টা খুব ভালো লাগতো। আমারও মনে আছে তখন মেসোর সঙ্গে অনেক বিষয় নিয়ে কাথা বললাম।

নতুন বাগান খুব সুন্দর হয়েছে। তোমারদের খুব ভালো লাগতো। এখন তোমরা যদি আবার মেরিকাতে ফিরে এসো তাহলে দেখতে খুব ভালো লাগবে।

তা ছাড়া কেমন আছো? বোধ হয় মেসো এখন অনেক বই পড়ছে আর মাসি তার বন্ধুদের সঙ্গে আনেক আড্ডা মারছে। টাই না?

গত সনি-রবিবারতে আমি সোমার সঙ্গে ম্যাডিসনতে ফিরে আসলআম। তারপর আমরা আমার ঘরে গেয়ে আমার জিনিস ফেলে দোকানে তরকারি কিনে ঘরে ফিরে এলাম। তারপর মানু আর তার বন্ধু নিক্ষলের একসঙ্গে খাবার খেয়ে একটু হেঁতে মানু আর নিক্ষলকে তার বাড়িতে পৌঁছিলাম। তারপর আমরা ঘরতে ফিরে এসে একটু গল্প করলাম। তারপর রাত্রে সোমা বাড়িতে ফিরে গেল।

যে শিক্ষিকা গতবছর আমাকে শিখাতো সে আবার শিখাছে। আমার ক্লাস তিনের ছাত্র-ছাত্রি আছে।

একটা ছাত্রির নাম তাঞ্জিনা। সে বাংলাদেশি। তার পরিবার আতলান্তাতে থাকেন। ওর চোটো ভাই আর ছোটো বোন আছে। সে ম্যাডিসনতে স্কলারশিপের করছে ডাক্তার হোয়ার জন্য হতে পড়ছে।

একটা ছাত্রর নাম ব্রাইন। তার পরিবার ওয়িসকন্সিনতে থাকেন। কিন্তু গতবচুর সে মিন্নেসতাতে থাতো। তার একটা বোন আছে। সে ইল্লিনইতে থাকে।

একবার বছরের আগে আর একবার চার বছরের আগে ব্রাইন কলকাতায় ছিল। সে ভারতকে ভালবাশে। গরমকালের পরে ক্লাস শেষ হলে সে ভারত ফিরে গেয়ে ছোটো গ্রামতে ইংরিজি শেখাবে।

আমার ক্লাস খুব ভালো। আমরা ব্লগ ব্যবহার করছি ক্লাসের কাজের জন্য। একটা ব্লগ একটা বড় খাতার মত। সবাই লেখতে ব্যবহার করছে। পরা-লেখার জন্য এটা খুবই ভালো।

গতসোমবারতে প্রথমে ক্লাস ছিল। ওইদিন বাংলার ক্লাসের বই আর পাঠ্যতালিকা পড়লাম। মঙ্গলবারতে আমি ব্লগ লিখে কম্পুতেরের ক্লাস করে ব্যাকরন পরা-সুনা শিখলাম। বুধবারতে আবার ব্লগ লিখে অনেকক্ষন সময় বাংলা ছোটো গল্প পড়ে কাতালাম। ব্রিহস্পতিবারতে বাংলা কথা শিখছিলাম। শুক্রবারতে ক্লাসের পরে আমি বাসের নিয়ে শিখাগোতে ফিরে গেলাম। বাসের বসে এচিঠি অধিকাংশই লিখছি।

ক্লাসের পড়ার জন্য আমি সপ্তাহটা সাত টায় উঠি আর বারো টায় সুইয়ে পরলাম। ক্লাস সুরু হয় সাডে আট টায় আর ক্লাস শেষ হয় এক টায় মাঝে আধ ঘন্টা বিস্রাম।

গতকাল শনিবার ছিল। আমরা দশ টায় উঠে কফি খেয়ে গাছে জল দিয়ে গল্প করলাম। সোমা তার মধহে চার-চয়জন লোকের সঙ্গে দেখা করলে। আমি বাংলা পড়া-শোনা করলাম। দুপুর বেলা আমরা একটু খাবার খেলাম। আবার আমি বাংলা কাজ করলাম।

আজকে মানু আর তার বন্ধু নিক্ষল শিখাগোতে আসলো। আমরা একটু খাবার খাওয়ার পরে আর ঘন্টা শিখাগোতে ঘুরলাম। আজ রত্রে আমি ম্যাডিসনতে ফিরে জাবো।

আমি জানি যে এচিঠি একটু বয়ান। ক্লাসের জন্য আমার শিক্ষিকা আমাকে একটা জর্নাল লিখতে চায় আর আমার মনে হয় এজর্নাল হয়ত ভালো চিঠি হতে পারে।

বাপী, মা, সোমা আর মানু সবাই ভালো আছে। সোমা অনেক কাজ করে কিন্তু এখন তার একটু বাগানের কাজও খুব ম্নে লেগেছে। বড় মাসির মত ও বিস্রাম করতে জানে না।

বাপী রিছ্লান্দতে কাজ করে। ও আমাকে বলে যে রিচলান্দতে অনেক আঙুরখেত আছে। আমাদেরকে দুটো মদের বোতোল পাঠয়েছিল। মদটা খুবই মিশ্তি ছিল। আমাদের ভালো লেগেছে।

মাও ভালো আছে। মা আর মানু শিখাগোতে এসেছিল এক সপ্তহ পরে, মার দিনের। তখন আমরা মার দিন অনুষ্টান করলাম। একটু খাবার খেয়ে একটু গল্প করে। এত মজা হল।

মানু তার অনেক বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটায়। অ নিজের জিবনে ভালোই আছে।

আচ্ছা। এবার আমার খবর শেষ করি। ভালো থাকো। এইচিঠির সঙ্গে আমরা কিছু চবি পাঠালাম। আমাদের শুভচ্ছো ও নিও। ইতি।

তোমাদের,

স্কট আর সোমা


স্রটের বাড়ি - রান্না ঘর

একটা ঘরের আমার বাড়ির সম্বধে বলতে গেলে আমি রান্না ঘর আমার কাথা বলতে পারব । নয় মাসের আগে আমি আমার স্ত্রি সঙ্গে নতুন বাগান পাতছিলাম । খুবই ভাল লাগে । বৈশাখতে একটা গাছ অনেক চাঁপা ফুটছিল । রান্না ঘরের যানালা থেকে চাঁপা দেখতে পারে ।

ভিতরে আমাদের রান্না ঘর বাদামি পালিশ করে প্রস্তরফলক । নিচু থেকে আর উপরে অনেক দেরাজ আছে । একটা দেরাজের নাম লাজি সুসান । লাজি সুসান রাখি সব আমাদের মশলা রান্না করবার যন্য । রান্না ঘরের একটা হিমায়ক, চুল্লি, থালা ধোয়া মেশিন আর শিন্ক ।

হয়ত কেউ ভাবে যে আমি আর আমার স্ত্রি একটু অদ্ভুত । যখন আমাদের খাবার খাই তখন প্রস্তরফলকের উপরে বসে আছে কারণ শুধু তিন নৌকো আর সব একদিক থাকে । কিন্তু আমাদের মুখোমুখি ভাল লাগে আর অনেক গল্পগুজব করি ।


স্কট প্রথম পস্ট

আমার নাম স্কট । বোধ হয় এগরমকাল খুবই ভালো হবে. ম্যাডেসনতে সুন্দর শহর. কিন্তু অনেক সময় বাংলা শিখব, আর শনি-রবিবারতে শিকাগোতে ফিরে যাবো । তবে, কিছু বার সানসেট দেখতে হবে. যখন সুর্ষের আলো জলের ওপর পড়ে তখন সুন্দর লাগে ।


Journal #3

আমি আগামী শুক্রুবার টরন্টতে যাচ্ছি। আনেক মজা হবে। আমার ছোট বেলার বন্ধুরা ও খানে থাকে। আমি ওদেরকে অনেক দিন পর দেকবো। ওখানে আমার বন্ধু, আরমানের বাড়িতে থাকবো। মজার মজার বাণ্ডালি খবার খেতে পারবো। বন্ধুদের সাথে তরন্ত শহরটা ঘুরব। শুনেছি শহরটা খুব শুন্দর।


Journal#2

আজকে অনেক বরফ পরেছে। হাওয়াটাও খুব খারাপ ছিল। হাওয়াটা যখন আমার মুখে লাগছিল মনে হছিল যে আমার নাক মুক সব কেটে পরে যাবে। আমি আমার গ্লভেস হারায় ফেলেছি। খুব তারাতারি একটা কিনতে হবে। এত ঠান্দায় গ্লাভেস ছাড়া খুব কস্টো।
এখন বাংলাদেশে কি সুন্দর আভোয়া। গাছে সবুয পাতা, বিভিন্ন রকমের ফুল ও ফল। আমার খুব ইচ্ছা করছে বাংলাদেশে যেতে। এই ঠান্দায় আর থাকতে ইচ্ছা করছে না। যাই, বাড়িতে একটা ফোন দেই।


Journal #1

আমার পরতে আর ভালো লাগে না। আতো কাজ। আমার বাংলা ক্লাস সবার সাথা করতা ইছা করে। আন্ন ক্লাসসেয়(i cannot remove this stupid “স”)এত মজা হই না জত বাংলা ক্লাস হত। আমি আখন স্প্রিং ব্রেয়াকের অপাখায় অছি। আমি জানিনা কোই যাব – টরন্টতে যাবার ইছা। এখন আমি যাই।ঘুম আসছে।


We all will make a story

Let us all ( first year) make the story longer. Contribute whatever you can, at least one or two lines and see where it goes...

মণীষা আর অনির্বাণ । মণীষা খুব ভালো গান করতে পারে, মণীষা গায়িকা হতে চায়। অনির্বান সিনেমা দেখতে ভালোবাসে। কিন্তু সে সিনেমা পরিচালক ( film director) হতে চায় না কারণ তার পড়াতে ভালো লাগে। সে শিক্ষক হতে চায়। মণীষার বয়স পঁচিশ, অনির্বাণের বয়স বাইশ।  মনীষা আর অনির্বাণ এক শহরে থাকে, তারা এক পাড়ায় ( neighborhood) থাকে। তারা খুব বন্ধু। তারা প্রতি শনিবার কফি হাউসে দেখা করে।

একদিন -

ম - অনির্বাণ, আজ তুই কি করবি? আমার সঙ্গে একটা গানের আসরে যাবি?

অ - না, আজ আমার মন ভালো নেই। তুই যা।

ম - তোর মন খারাপ ? কেন রে?

অ - জানি না, তুই যা না । আমি বাড়িতে থাকব। হয়তো সিনেমা দেখতে যাব।

ম- তুই সিনেমা দেখতে যাবি আর আমার গান শুনতে যাবি না ?

অ - ধুত্‌ , তোর গান তো রোজ শুনি । হারমোনিয়াম বাজিয়ে রোজ সেই এক গান করিস ।

ম - আমি রোজ রোজ এক গান করি না। তোর মাথা খারাপ হয়েছে। তুই এখানে বসে বসে দশ কাপ কফি খা। আমি যাই । আর, ও, হ্যাঁ, আমি তপনকে আমার সঙ্গে যেতে বলব। তপন তোর মত নয় ( not like you)


আমার নাম সিলেস্ট। আমি প্রথমে বাংলাদেশে বাংলা শিখেচিলাম, তার পর এখানে, তার পর কলকাতায়। এখন আমি আবার এখানে বাংলা শিখছি। আমার নাচতে বিসন ভাল লাগে। প্রতি বুধবার আমি swing নাচ করি। সবার আসা উচিত!Img_1227